বাংলাদেশ, বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
admin
১৬ অক্টোবর ২০২৪, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

বিচারপতি অপসারণের রিভিউ শুনানি ২০ অক্টোবর

ডেস্ক রিপোর্ট: বিচারপতিদের অপসারণে সংসদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে আনা সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ করে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) শুনানি হবে আগামী ২০ অক্টোবর।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।

তিনি জানান, বিচারপতি পদত্যাগ বা অপসারণের একটা প্রক্রিয়া আছে। বর্তমানে দেশে এ সংক্রান্ত কোনো আইন বিদ্যমান নেই। বিগত সরকার সংসদের মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল। একটা সংশোধনী হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট সেটি বাতিল করে দিয়েছে। সরকার সেটা রিভিউ আকারে পেশ করেছে। আগামী রোববার (২০ অক্টোবর) সেটি আপিল বিভাগে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বিভাগে শুনানি হবে। এক নম্বর আইটেমে রাখা হয়েছে সেটি।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে আলোচনার পর বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের সামনে এসে এ তথ্য দেন আজিজ আহমদ ভূঞা।

১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে। মার্শাল প্রক্লেমেশনে করা পঞ্চম সংশোধনীতে এক্ষেত্রে ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল।

২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ষোড়শ সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয় সংসদকে। বিলটি পাসের পর একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয় আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের ৯ নভেম্বর এ সংশোধনী কেন অবৈধ, বাতিল ও সংবিধান পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রুল শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।

রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাওয়ার পর ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায়টি দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। পরে একই বছরের ১ আগস্ট ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ম্যাচ চলাকালে বজ্রপাতে ফুটবলারের মৃত্যু, আহত আরও ১২ খেলোয়াড়

ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে ১৫ বলে ফিফটি ব্রুকের

সাতক্ষীরায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

পাইকগাছায় বিএনপির আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

কয়রায় জামায়াতের গণমিছিল

দেবহাটায় বিএনপির উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন

দেবহাটায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে জামায়াতের সমাবেশ

দেবহাটায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা

জুলাইয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা!

১০

আর্জেন্টিনা ম্যাচের নতুন সূচি

১১

কয়রায় ১৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৩টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক

১২

রাতে ওনারা পাশাপাশি বসেন, মাঝখানে চোখ হারায় কর্মীরা: তাসনিম জারা

১৩

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচজনের মৃত্যু

১৪

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: ভোমরা ও বেনাপোল বন্দরে বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ

১৫

বন্যায় পানিবন্দি মা ও পরিবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী

১৬

অবশেষে নতুন ঠিকানায় সালাহ

১৭

কয়রায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

১৮

জুলাই গণঅভ্যু্ত্থান দিবস উপলক্ষে সিলভার জুবিলি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা

১৯

আমার কমনসেন্স বলে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা

২০
error: Content is protected !!