বাংলাদেশ, সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
২ ভাদ্র ১৪৩৩ | সময়:
admin
৭ আগস্ট ২০২৩, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

মানহানির ক্ষেত্রে কারাদণ্ড নেই, থাকবে জরিমানার বিধান

ডেস্ক রিপোর্ট: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পরিবর্তন করে নতুন যে সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হচ্ছে, সেখানে মানহানির মামলায় কারাদণ্ডের বিধান থাকবে না। তবে থাকছে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকার জরিমানা ও অনাদায়ে তিন বা ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

সোমবার (৭ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৯ ধারায় মানহানির বিচার করা হয়।
এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় বর্ণিত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করেন, তজ্জন্য তিনি অনধিক তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত কারাদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। নতুন আইনে কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে এ জরিমানা ২০ লাখ টাকা বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা করা হয়েছে। অনাদায়ে তিন বা ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। এ সাজা শুধু জরিমানা না দিতে পারলেই ভোগ করতে হবে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ২৯ ধারায় সাজা ছিল কারাদণ্ড। সেটাকে সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। এখানে শুধু শাস্তি হবে জরিমানা ও অনাদায়ে তিন মাস না হয় ছয় মাসের কারাদণ্ড থাকবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে ব্যাখায় (খসড়া আইন) এখন কোনো কারাদণ্ড নেই। আপনাদের অ্যারেস্ট তো করার আর কোনো সম্ভাবনাই থাকল না।

তার মানে অ্যারেস্ট হচ্ছে না? জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, অ্যারেস্ট হবে না।

সাইবার নিরাপত্তা আইনের কোন ধারা নিয়ে যদি আবার প্রশ্ন উঠে তখন কী করবেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমারতো মনে হয় অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে করা হয়েছে। এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠবে বলে আমি মনে করি না এবং এটা পরিবর্তন করার কোনো প্রয়োজন নেই। পৃথিবীর যেখানে বা যেদেশে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে যে আইন করা হয়েছে আমাদের যে আইন আছে তার থেকে কঠিন। সেক্ষেত্রে এখনই যদি আপনারা বলেন যে পরিবর্তন করতে, আমার মনে হয় এটা অযৌক্তিক একটা প্রশ্ন। কিন্তু এখন যেটা করা হয়েছে সেটা সাইবার ক্রাইম বন্ধ করতে অত্যন্ত সহায়ক হবে। আর আপনারা যে সমস্যা নিয়ে ব্লেইম করছিলেন সেই অপব্যবহারটাও বন্ধ হবে।

পাঁচ বছরের মাথায় এসে এ আইন পরিবর্তন হলো। তাহলে কী বলতে পারি এটা ভুল সিদ্ধান্ত বা সুচিন্তিত ছিল না এমন প্রশ্নের উত্তরে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা মোটেও সেই সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেয়নি। কিন্তু আমরা এটা বলে আসছি জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার হচ্ছে লিসিনিং গর্ভমেন্ট। এই আইন যখন অপব্যবহার করা হচ্ছিল। সেটা স্বীকার করার মতো সৎসাহস আমাদের ছিল, স্বীকারও করেছি। এই সৎসাহসও আমাদের আছে যেই ক্ষেত্রে অপব্যবহার হচ্ছিল সেগুলোতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ কারণেই সাইবার নিরাপত্তা আইনে সে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বংশালে হেলমেটের গোডাউনে আগুন

কালিগঞ্জে বিএনপির দোয়া মাহফিল

দৈনিক প্রবাহ অফিসে হামলার ঘটনায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নিন্দা

সিনিয়র সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনা

শ্যামনগরে রাস্তা সংস্কার না হওয়ায় ধান লাগিয়ে প্রতিবাদ

নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন

কয়রায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা

কালিগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন

তাসমান পাড়ে বাঘের থাবায় ‘ছিন্নভিন্ন’ ক্যাঙ্গারু

তারেক রহমানের টেবিলে ছাত্রদলের নতুন কমিটি, ঘোষণা যেকোনো সময়

১০

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত

১১

তিন বন্ধুকে গুলি করে হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি 

১২

স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন, যে দামে মিলছে এক ভরি

১৩

অদৃশ্য বিপদ থেকে মুক্তির দোয়া

১৪

কলকাতায় মিছিল করে তোপের মুখে জয়া আহসান

১৫

পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ

১৬

বাংলাদেশের কাছে লজ্জাজনক হার: অস্ট্রেলিয়া দলে বড় পরিবর্তনের দাবি পন্টিংয়ের

১৭

হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৬ শিশুর মৃত্যু

১৮

সুন্দরবনে অবৈধভাবে মাছ শিকার, ৩ জেলে আটক

১৯

বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

২০
error: Content is protected !!