বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
admin
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

‘সিরাজুল আলম খান ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা

এস এম হাবিবুল হাসান: জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন বলেন, বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের অক্লান্ত যোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি নির্মাণের অন্যতম প্রধান কারিগর সিরাজুল আলম খান। তিনি চেয়েছিলেন একটি সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ। সেলক্ষ্যে ১৯৭২ এর ৩১ অক্টোবর গঠন করেন নতুন দল। স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগের বাইরে আরেকটি শক্তিশালী নতুন দল গঠন বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ হতে পারতো। সংসদের ভেতর ও বাইরে শক্তিশালী বিরোধী দল ছাড়া সংসদীয় গণতন্ত্র অচল। আওয়ামী লীগ যদি জাসদকে নিয়মতান্ত্রিক ধারায় রাজনীতি করার সুযোগ দিতো, বাংলাদেশের ইতিহাস অন্য রকম হতো। তাহলে মুজিব হত্যা, রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর প্রবেশ এবং পাকিস্তানপন্থী ও মৌলবাদী শক্তি উত্থান ঘটতো না।

শুক্রবার (০৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে নিউক্লিয়াস ও বিএলএফের প্রতিষ্ঠাতা, সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খান স্মরণে আয়োজিত ‌‘সিরাজুল আলম খান এবং আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. মোসলেম’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জেএসডি’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমান হাকিম ও মোশাররফ হোসেন, খুলনা জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক স ম রেজাউল করিম, জেলা জেএসডির সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান।

জেএসডি সাতক্ষীরা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সালাউদ্দিন ইকবালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিথি হিসাবে আরও বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জেএসডির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবলা, জেলা জাসদের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার কাজের আলী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ড. অ্যাড. রবিউল ইসলাম খান, জেএসডি নেতা শুধাংশু শেখর সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, মুক্ত রাজনৈতিক দলের নেতা আবু কাজী, আব্দুল জব্বার প্রমুখ।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বাংলাদেশের পশ্চাৎ যাত্রাও ঘটতো না। বর্তমান বাংলাদেশের চেয়েও সেই বাংলাদেশের অবস্থান আরও অনেক উঁচুতে থাকতো। এই কারণেই একদলীয় শাসন কায়েমে সে সময়কার প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সমর্থন ছিল না। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সিরাজুল আলম খানকে নিন্দা করতেন। কিন্তু তাঁরা জানেন না যে বঙ্গবন্ধু ও সিরাজুল আলম খান—একে অপরের প্রতি ভালোবাসা মৃত্যুকাল অবধি অক্ষুণ্ন ছিল। সে সময় বঙ্গবন্ধুর আশংকা হয়, তাঁর দলের লোকেরা সিরাজুল আলম খানকে হত্যা করার চেষ্টা করতে পারেন, পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারে। তাই তাঁকে দেশের বাইরে চলে যেতে বলেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের চিত্ত সুতারের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানেই তিনি ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট রেডিওতে শুনতে পেলেন বঙ্গবন্ধুর নিহত হওয়ার খবর। সেদিন উচ্চস্বরে কেদেছিলেন বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের এই মহান বীর।

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে: ট্রাম্প

প্রাণনাশের হুমকি: পিয়া জান্নাতুলের জিডি তদন্তের নির্দেশ আদালতের

নিষিদ্ধ হলেন নেইমার

১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক

এবার বন বিভাগের টহল দলের সামনে বাঘ, সাঁতার কাটছিল খালে

টানা পাঁচ উইকেট-মেডেন ওভার, গ্রিভসের অলৌকিক বিশ্বরেকর্ড

ওয়ানডে অধিনায়ক হচ্ছেন লিটন

সেনা হেফাজতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ

বাধ্যতামূলক অবসরে ৩২ যুগ্মসচিব

আর্থ জার্নালিজম নেটওয়ার্কের মর্যাদাপূর্ণ ফে‌লো‌শিপ পে‌লেন আহসান রাজীব

১০

শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির নতুন কমিটি ঘোষণায় আনন্দ মিছিল

১১

সাতক্ষীরায় জুলাই শহীদদের স্মরণে জামায়াতের আলোচনা

১২

ভূমিহীন নেত্রী শহীদ জায়েদার স্মরণসভা

১৩

সাতক্ষীরায় সপ্তাহব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযানের ঘোষণা

১৪

সোলাইমান কবির ও আশেক এলাহী মুন্নার নেতৃত্বে শ্যামনগরে বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি

১৫

দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন: মির্জা ফখরুল

১৬

যে ৩৫ দেশে ভিসামুক্ত-অন অ্যারাইভাল সুবিধা পাবেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা

১৭

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৮

জাতীয় অধ্যাপক হলেন ড. মাহবুব উল্লাহ

১৯

কয়রায় গাছের চারা বিতরণ ও বসতবাড়ি উদ্বোধন

২০
error: Content is protected !!