বাংলাদেশ, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ | সময়:
admin
১৭ জুলাই ২০২৪, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাহিনী থাকলে শিক্ষার্থীদের পক্ষেই থাকতে হবে: গীতি আরা নাসরীন

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে বিজিবির অবস্থান সংবিধানসম্মত নয় মন্তব্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরীন বলেছেন, যদি নিরাপত্তা বাহিনী থাকেই, তাদের শিক্ষার্থীদের পক্ষেই থাকতে হবে। নইলে তারা ক্যাম্পাসে থাকতে পারবেন না।

বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে আয়োজিত নিপীড়নবিরোধী শিক্ষক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এসময় ক্যাম্পাসে বিজিবির উপস্থিতি ও হল বন্ধের নির্দেশের সমালোচনা করেন তিনি।

গীতি আরা নাসরীন বলেন, বিজিবি যদি ক্যম্পাসে থাকে, এটা সংবিধানবহির্ভূত। তারপরও যদি নিরাপত্তা বাহিনী থাকে, তাদের শিক্ষার্থীদের পক্ষেই থাকতে হবে। নইলে তারা ক্যাম্পাসে থাকতে পারবে না। আর শিক্ষার্থীদের আপনারা যে কোনো মুহূর্তে চলে যেতে বলতে পারেন না। তারা যা চায়, তাই হবে। আপনারা তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করুন। তাদের কোনো কিছুতে বাধ্য করবেন না।

শিক্ষক সমিতির সমালোচনা করে এ অধ্যাপক বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ভাষা বোঝেন না। দেশের সর্বত্র বৈষম্য। শিক্ষার্থীদের জীবন অনিশ্চিত। এসময় তারা কী শব্দ বলছে তা নিয়ে আপনারা (শিক্ষক সমিতি) বিবৃতি দেন, আপনারা তাদের কষ্টই বোঝেন না।

তিনি বলেন, প্রতিদিন যখন দেশ লুট হয়ে যায়, তখন শিক্ষার্থীরা ঊনসত্তরের শামসুজ্জোহাকে মনে করেন। আপনাদের চেহারা কেন মনে আসে না? আপনারা তাদের দেশের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে প্রশ্ন করেন? তারা তো মাথায় পতাকা বেঁধে যায়। (বরং) তাদের যারা মারতে আসে, তাদের হাতে পতাকা দেখিনি। তাদের কাছে লাঠি, ক্রিকেট ব্যাট, পাইপ দেখেছি। রাবার বুলেট ছোড়ে তারা।

গীতি আরা নাসরীন বলেন, পাকিস্তান অন্য একটি দেশ ভেবে আমাদের শোষণ করেছে। আমাদের দেশে শোষণ করে যারা অন্য অঞ্চলে গিয়ে সম্পদ গড়ছে, আপনারা তাদের ধরেন না। তারা রাজাকার না? প্রশ্ন করে যারা, তারা রাজাকার! ‘ভীতি, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া যথারীতি সবার প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহিত আচরণ করিব’ এই শপথ নিয়ে আপনারা শপথের মর্যাদা রক্ষা করেন না। আপনারা অনুরাগ-বিরাগের বশবর্তী হয়ে কোটা বাতিল করেন।

তিনি বলেন, একসময় যাদের সঙ্গে আপনার কথা বলার কথা, বুকে জড়িয়ে ধরার কথা, সেই বুকে আপনারা গুলি করেন। একাত্তর থেকে আজ পর্যন্ত এসেছি। একাত্তরও যা দিয়েছে, আজকের আন্দোলনও তা দিয়েছে। আমাকে দিয়েছে শক্তি। আমরা যারা প্রশ্ন করতে ভুলে গিয়েছি, আমার অধিকার যে আমাকেই আদায় করতে হবে, তা শিক্ষার্থীদের কাছে শিখছি।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দুই বছরের ফাইজার হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, বাঁচাতে প্রয়োজন সাড়ে ৩ লাখ টাকা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিভাগের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি

‎প্রাণ জুড়ানো সবুজ নিঃশ্বাস: বাংলাদেশের শীর্ষ ৫ অক্সিজেনদাতা গাছ || তারিক ইসলাম

জবি তরুণ লেখক সংঘের সভাপতি রিমি, সম্পাদক মোসাব্বীর

তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টি হতে পারে

নতুন পেসার খুঁজবে বিসিবি

জিয়াউর রহমানকে গুলি করেন কে, তদন্ত সংস্থাকে জানালেন মোজাফফর

ধর্ষণের পর তরুণীকে হত্যা, ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

একদিনের সফরে সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

দুই মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

১০

লঙ্কানদের উড়িয়ে এশিয়া কাপ ভারতের

১১

ব্যাটে-বলে মিরাজের নৈপুণ্য, তবুও হারল গায়ানা

১২

আসিফ নজরুলের গ্রেপ্তার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৩

ইসলামী আইনে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তরের পদ্ধতি

১৪

অভিষেক ঝড়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে উড়ে গেল আফগানিস্তান

১৫

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির

১৬

কয়রায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের বিদায় সংবর্ধনা

১৭

‘সাতক্ষীরার ৪টি আসনে দলীয় প্রার্থীদের হারাতে কিছু নেতা রাতে বৈঠক করেছিলেন’

১৮

নারী ব্যাংক কর্মকর্তাকে হেনস্তার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় ব্যাংকারদের মানববন্ধন

১৯

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

২০
error: Content is protected !!