বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
২১ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
admin
৯ মে ২০২৪, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

শিবসা নদীর বেড়িবাঁধে তীব্র ভাঙন: ঝুঁকিতে ৩ ইউনিয়নের মানুষ

oppo_0

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছার লস্কর ইউনিয়নের আলমতলায় শিবসা নদীর বেড়িবাঁধের আঁধা কিলোমিটার এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে লস্কর, চাঁদখালী ও আমাদি ইউনিয়নের ১৯ গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের আশংকা, যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে লবণ পানিতে প্লাবিত হতে পারে বিস্তীর্ণ এলাকা। তাই দ্রুত বাঁধ নির্মাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জানা যায়, এক বছর আগে উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের শিবসা নদী সংলগ্ন আলমতলা নামক স্থানে ওয়াপদার বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। ওই সময় জাইকার অর্থায়নে একটি প্যাকেজে টেন্ডারের মাধ্যমে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। টেন্ডার পান ঢাকার উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনাল। আর উন্নয়ন ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে কাজটি করছেন আর-রাত কর্পোরেশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এলাকাবাসীর দাবি, ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার পাওয়ার পর থেকে প্রায় দেড় বছর ধরে ভাঙন কবলিত এলাকায় মাঝে মধ্যে কিছু জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধে চেষ্টা করে। কিন্তু ভাঙন রোধে মূল কাজটি আজও শুরু করেনি প্রতিষ্ঠানটি।

এ বিষয়ে লস্কর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন বলেন, আমার ইউনিয়নে শিবসা নদী সংলগ্ন আলমতলা নামক স্থানে প্রায় এক যুগ আগে ভাঙন শুরু হয়। ভাঙনের কারণে স্থানীয় একটি বাজার নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কয়েকবার বিকল্প বেড়িবাঁধ তৈরি করেছে। সর্বশেষ ২০২৩ সালে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ বাঁচাতে সরকার জাইকার অর্থায়নে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়। ৫০ কোটির টাকার বরাদ্দের মধ্যে রয়েছে গড়ইখালীর খুদখালী, লস্করের বাইনতলা স্লুইচ গেট ও আলমতলায় ওয়াপদার টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি আজও কাজ শেষ না করায় হুমকির মুখে পড়েছে তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। ভাঙনের পাশেই রয়েছে বৃহত্তর কৃষি কলেজ ও চিত্ত বিনোদনের পার্ক। তাই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বাঁধ নির্মাণে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পাইকগাছা শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী রাজু হাওলাদার জানান, আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই ভাঙন কবলিত স্থানে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের কাজ শেষ করার কথা রয়েছে। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় গভীরতার দোহাই দিয়ে ধীর গতিতে কাজ করছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী-২ আশরাফুল আলম জানান, বিষয়টি শুনেছি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা হয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকা প্রাথমিকভাবে সংস্কার করা হচ্ছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে মূল কাজটি শুরু করা হবে বলে তারা জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা, আবেদন যেভাবে

১

নতুন দায়িত্বে ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

২

মাদক ইভটিজিং জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

৩

পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানে প্রত্যাশা: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় এগিয়ে যাক হৃদয় বার্তা

৪

এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া ফারজানা আমার স্ত্রী নন: রনি

৫

‘ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট শুরু’

৬

ডা. এম আর খানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

৭

৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি

৮

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

৯

সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশুলিয়ার জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজুলের মতবিনিময়

১০

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

১১

কালিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন

১২

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

১৩

৭ নভেম্বরকে সামনে রেখে কালিগঞ্জে কৃষকদলের প্রস্তুতি সভা

১৪

পারুলিয়ায় শিশু পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সভা

১৫

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় সামরিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার

১৬

এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

১৭

২৪ সিনেমার ১৯টিতে ফ্লপ পরীমনি, ৫টিতে গড়পড়তা

১৮

সাংবাদিকের ফোন কেড়েছেন, ট্রাইপড ভেঙেছেন পরীমনি

১৯

অতিরিক্ত সময়ে ২ গোল হজম করেও পাকিস্তানকে হারাল ভারত

২০