বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
৬ নভেম্বর ২০২৫, ৯:০০ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

দেবহাটায় বহাল তবিয়তে ‘ভূমিদস্যু’ রফিকুল, হুমকি-ধমকি জমি দখলে দিচ্ছেন নেতৃত্ব!

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার ভাতশালা গ্রামের ‘ভূমিদস্যু’ খ্যাত রফিকুল ইসলাম চব্বিশের ৫ আগস্টের আগে ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি। দলটির অধিকাংশ নেতাকর্মী পলাতক ও জেলে থাকলেও এলাকায় দাপট দেখিয়ে চলেছেন রফিকুল।

অভিযোগ, অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা মো. তিতুমীর রহমান টিপু রফিকুলের যোগসাজশে আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে শরিকের জমি দখলে নিতে চাইছেন।

তুহিন ও তিতুমীরের হুমকির পর থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগী আব্দুল কাদের ও মো. আকতার হোসেন পৃথক ডায়েরিতে জীবননাশ ও বাড়ির প্রাচীর ভেঙে দখলে নেওয়ার চেষ্টার কথা উল্লেখ করেছেন।

গত ১৫ এপ্রিল দেবহাটা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর ৫৩৩) করেন মো. আকতার হোসেন। বিবাদী মো. তিতুমীর রহমান। কয়েক মাস পর আবারও জীননাশের হুমকি দেন তিতুমীর, তুহিন ও তার বাবা কাওছার। এবার হুমকি পান মো. আব্দুল কাদের। গত ৩০ অক্টোবর এই তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেবহাটা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মো. আবদুল কাদের।

ওই গ্রামের রোজী বলেন, জমি জায়গা নিয়ে শরিকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব। কিন্তু রফিকুল এই দ্বন্দ্বে ঘি ঢালছেন। দ্বন্দ্ব নিরসনের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি মজা নিচ্ছেন।

ভাতশালা গ্রামের আবদুল হামিদ বলেন, গ্রামের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না রফিকুল। মানুষকে নানা ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করাই তার কাজ। ওয়াপদার রাস্তাও ঘিরে রেখেছে। মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগের বিষয়ে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে, এগুলো ঠিক না। আমি খাস জমি দখলও করিনি। আমার কেনা জমি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৌহিদুল ইসলাম তুহিন ও মো. তিতুমীর রহমান টিপু বলেন, বিষয়টি আমাদের শরীকদের জায়গা জমি নিয়ে। এখানে প্রভাব ফেলানোর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের উভয় পরিবারেরই সবাই শিক্ষিত। আমরা পৈত্রিক সূত্রে যে জমি পাব, তা বুঝে পেতে চাই। আমার আরেক চাচা অন্য একজনের কাছ থেকে দুটি দাগে ২৬ শতক জমি ক্রয় করেছেন। কিন্তু তিনি আমাদের ছয় শতকসহ তার ২৬ শতক ভজিয়ে নিয়েছেন। এ বিষয়ে আমরা চাচাকে বসার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তিনি বসতে রাজি হননি। পরে আমরা জমি বুঝে পেতে ইউএনও’র কাছে একটা আবেদন করি। তিনি বিষয়টি  স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে পাঠান। ইতোমধ্যে চেয়ারম্যান সাহেব দুই দফা বিষয়টি নিয়ে বসেছেন। সর্ বশেষ সিদ্ধান্ত ছিল কাগজপত্রসহ জমি সরেজমিনে দেখার। এরই মাঝে এক শরীক ওমরা করতে গিয়েছিলেন। এর পরেও বসা হবে। সেখানে যে সিদ্ধান্ত হবে আমরা মেনে নেব।

রফিকুল ইসলাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রফিকুল ইসলামও আমাদের শরিক। তিনি কাগজপত্র বোঝেন বিধায় আমরা তার সহযোগিতা গ্রহণ করি।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আশেক ই এলাহীর স্ত্রীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানিকৃত ১২ কার্টন ইলিশ জব্দ

কেশবপুরে চেতনানাশক ছিটিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি

ফারজানার বাড়িতে এমপি রবিউল বাশার

আশেক ই এলাহীর স্ত্রীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির শোক

তালা প্রেসক্লাবের শোক

মাদকসেবী ও বখাটেদের আইনের আওতায় আনতে হবে: ডিসি কাউসার আজিজ

গাজী নজরুল কাণ্ডে বেকায়দায় জামায়াত

হোটেল রাজ পানসি ও সোনারগাঁওকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ঝাউডাঙ্গা কলেজে হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সংবর্ধনা

১০

সম্পাদক পত্নীর মৃত্যুতে দৈনিক দক্ষিণের মশাল পরিবারের শোক

১১

প্রথমবার ভেনিস উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমা

১২

শ্যামনগরে বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিক্ষার্থী আহত

১৩

সফর সংক্ষিপ্ত করে কাল দেশে ফিরছেন স্পিকার

১৪

হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

১৫

শিশু-কিশোরদের সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স

১৬

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর

১৭

শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

১৮

নিউ ইয়র্কের রাস্তায় মেহজাবীন যেন নীল পরী!

১৯

প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানালেন মোদী

২০
error: Content is protected !!