বাংলাদেশ, শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১৬ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

চীনের হাসপাতাল নির্মাণ উদ্যোগ, খুলনার দিকে নজর দিন || তানভীর মেহেদী

সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, চীন সরকার বাংলাদেশের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান চট্টগ্রাম, নীলফামারী ও রাজধানী ঢাকায় তিনটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যা অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ।

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনগণের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এটি নিঃসন্দেহে অতি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তবে এই মহৎ উদ্যোগের মধ্যে একটি বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল তথা পদ্মা নদীর ওপারে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল, নড়াইল, যশোর, গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, বরগুনাসহ পুরো দক্ষিণবঙ্গ কি আবারও উপেক্ষিত থাকছে?

দক্ষিণবঙ্গের স্বাস্থ্যখাত:
খুলনা বিভাগে ১০টি জেলা, জনসংখ্যা প্রায় ১.৬ কোটি, খুলনা জেলায় মাত্র একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে- খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (KMCH)। এটি ৫০০ শয্যার হলেও দৈনিক রোগীর চাপ ২০০০-এর বেশি। ICU, নিউরোসার্জারি, ক্যান্সার, কিডনি ডায়ালাইসিস কিংবা হৃদরোগের মত উচ্চবিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা এখানকার মানুষের কাছে প্রায় অধরা। বরগুনা, পটুয়াখালী, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা বা বরিশাল থেকে অসুস্থ রোগী ঢাকায় নিয়ে যাওয়া যেকোনো পরিবারের বিপর্যয়ের নাম। অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা এই অঞ্চলের জন্য এটি প্রায় অসম্ভব।

দক্ষিণবঙ্গের স্বাস্থ্যচিত্র: অব্যবস্থাপনা ও অপ্রতুলতা
বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার দিক থেকে খুলনাবাসী প্রায় সম্পূর্ণরূপে বঞ্চিত। উদাহরণস্বরূপ: খুলনা বিভাগে সরকারি কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারের সংখ্যা মাত্র ৩টি (২০১৯ সালের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য), অথচ চাহিদা রয়েছে কমপক্ষে ২০টির।

বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (BMRC)-এর এক জরিপ অনুযায়ী, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলে প্রতি ১০ জনে ৪ জন দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় (CDs) ভুগছেন।
গত কয়েকবছর ধরে এসব অঞ্চলের মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার, কিডনি ডিজিজ, শরীরের হাড়ক্ষয়সহ অর্থোপেডিক্স, নিউরোলজি ও কার্ডিওলজিকাল রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। খুলনা বিভাগের ৬০%-৭০% জনগণ ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করতে বাধ্য হন।

জলবায়ু পরিবর্তন ও স্বাস্থ্যঝুঁকি: দক্ষিণাঞ্চল সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, বিশেষ করে খুলনা ও সাতক্ষীরা, বরগুনা, বরিশাল জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। সেন্টার ফর গ্লোবাল চেঞ্জ (CGC) ও আইইডিআর গবেষণা অনুযায়ী: খুলনা অঞ্চলে পানির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ থেকে ১৮ পিপিএম (Parts per Million), যা দীর্ঘমেয়াদে কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও গর্ভকালীন জটিলতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী। উপকূলীয় এলাকার ৬০% নারী গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন (icddr,b, 2022)। জলবায়ুজনিত রোগ ও খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণে খুলনা অঞ্চলে শিশু অপুষ্টির হার ৪৩%, যা জাতীয় গড়ের চেয়ে ১১% বেশি।

পরিসংখ্যান ও গবেষণা যা বৈষম্যকে স্পষ্ট করে
চিকিৎসক সংকট: খুলনা বিভাগে প্রতি ১০,০০০ জনে গড়ে মাত্র ৬.৮ জন চিকিৎসক, যা জাতীয় গড় (৮.৩) এর চেয়ে কম এবং ঢাকার (১৮.৪) তুলনায় প্রায় তিনগুণ কম।

কিডনি রোগে আক্রান্তের হার: icddr,b এবং বিএসএমএমইউ’র যৌথ এক জরিপে (২০২২) দেখা যায়, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলে প্রায় ১৮% প্রাপ্তবয়স্ক কিডনি রোগে আক্রান্ত—যার প্রধান কারণ লবণাক্ত পানি, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার।

জলবায়ু স্বাস্থ্যঝুঁকি: সেন্টার ফর গ্লোবাল চেঞ্জ ও আইইডিআর-এর তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণাঞ্চলে পানির লবণাক্ততার পরিমাণ ১০ থেকে ১৮ পিপিএম—যা WHO-এর সুপারিশকৃত মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এখানকার নারীরা উচ্চ রক্তচাপ, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, প্রসবকালীন জটিলতায় ব্যাপকভাবে আক্রান্ত হচ্ছেন।

দুর্যোগ প্রবণতা ও জরুরি স্বাস্থ্য সেবা: উপকূলবর্তী এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন নিয়মিত ঘটনা। অথচ, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে প্রতিটি ৫০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে একটি করে আধুনিক এমার্জেন্সি সেন্টার নেই—যা হওয়া উচিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী।

এমতাবস্থায় বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর এসব অঞ্চলের গরীব অসহায় মানুষের জন্য খুলনা কেন্দ্রিক যেকোনো সেবা গ্রহণ করা সহজ। তাই চট্টগ্রাম, নীলফামারী ও ঢাকার যে হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা চলছে, তার সাথে সাথে অথবা ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালটি যদি দক্ষিণাঞ্চলে বিশেষ করে খুলনায় বাস্তবায়িত হতো, অথবা ৩ টা হাসপাতালের যায়গায় যদি ৪ টি হতো আর তার ১ টি খুলনায় বাস্তবায়িত হতো, তাহলে দক্ষিণপশ্চিম অঞ্চলের কোটি মানুষের জন্য চিকিৎসার বাতিঘর হয়ে উঠত। অথচ দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই জনবহুল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলটি প্রকল্প তালিকায় নেই।

পদ্মা সেতু ও দক্ষিণবঙ্গের নতুন সম্ভাবনা:
অনেক বছর ধরে পরিকল্পিতভাবে খুলনার কর্মসংস্থান নষ্ট করা হচ্ছে, মিল কলকারখানা বন্ধ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। অথচ মোংলা বন্দর, ও সাতক্ষীরার কয়েকটি স্থলবন্দর ব্যবহার করে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পকারখানা স্থাপন করে আরো বেশি উন্নয়ন করা যেত; সেটাতো হয়ইনি বরং জুটমিল, ম্যাচ ফ্যাক্টরিসহ বিভিন্ন শিল্প ধ্বংস করে দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে বেকারত্ব তৈরি করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। কর্মসংস্থানের সাথে স্বাস্থ্য খাতও নিভু নিভু অবস্থা।
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পর দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এখন এই অবকাঠামো সুবিধাকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অর্থনীতিতে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এই অঞ্চলে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মিত হলে তা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের চিকিৎসা চাহিদা পূরণ করবে এবং ঢাকার ওপর নির্ভরতা ও চাপ অনেকাংশে হ্রাস পাবে।

উপকূলীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের প্রকোপ:
দক্ষিণবঙ্গ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল। প্রতিবছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। ঘর বাঁধার আগে ঘরের চাল উড়ে যায়, চাল বাঁধতে গিয়ে ঘরের মেঝে ভেসে যায় এমন করুন মর্মান্তিক অবস্থা!

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ত পানির কারণে কিডনি রোগ, গ্যাস্ট্রিক আলসার, ত্বক ও চোখের রোগ, গর্ভকালীন জটিলতা ও ক্যান্সারের মত রোগ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে প্রতি ১০ জনে ৩ জনই কোনো না কোনো দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতায় ভুগছেন। কিন্তু বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা ও প্রশিক্ষিত ডাক্তার সেখানে নেই বললেই চলে। যেটুকু ব্যবস্থা আছে সেখানে দেখা যায় অধিকাংশ রোগী ভুল চিকিৎসার স্বীকার হচ্ছেন, টেস্টের রিপোর্ট ভুল, না হয় ডাক্তারের ডায়াগনোসিস ভুল। সরকারি হাসপাতাল খুলনা মেডিকেল কলেজ হিমশিম খাচ্ছে সেবা দিতে, পরিবেশ সুচিকিৎসার জন্য উপযুক্ত না, বেসরকারি হাসপাতালগুলো সুদখোরের মতো রক্তচোষা। এমতাবস্থায় চীন বা অন্য কোন উন্নয়ন সহযোগীর উন্নতমানের জেনারেল হাসপাতালের উপযোগিতা ও প্রয়োজনীয়তা বর্ণনাতীত।

চীন-বাংলাদেশ উন্নয়ন অংশীদারিত্বে দক্ষিণবঙ্গকে গুরুত্ব দিতে হবে:
বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিযাত্রায় চীন অন্যতম প্রধান অংশীদার। বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) এর আওতায় তারা বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পে কাজ করছে। স্বাস্থ্যখাতেও এই অংশীদারিত্ব প্রশংসনীয়। তবে এই ধরনের উদ্যোগ যদি অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য তৈরি করে, তাহলে তা সর্বজনীন উন্নয়নের ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে দাঁড়ায়। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল একটি জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুতরাং, চীনের সহায়তায় যদি একাধিক হাসপাতাল নির্মিত হয়, তাহলে অন্তত একটি হাসপাতাল খুলনায় স্থাপন অবশ্যই বিবেচনায় নেওয়া উচিত।

আমাদের প্রত্যাশা:
দক্ষিণবঙ্গের বাস্তবতা অত্যন্ত করুণ। পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকার বাইরে স্বাস্থ্যসেবার সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা অঞ্চলগুলোর একটি এই অঞ্চল। খুলনা জেলায় একটি মাত্র সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে (খুলনা মেডিকেল কলেজ), যার সক্ষমতা দিন দিন চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল হয়ে পড়ছে। বরিশাল, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী—এই অঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য ঢাকার দিকে ছুটতে হয়, যার ফলে ভোগান্তি যেমন বাড়ে, তেমনি ব্যয়ও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। অনেকসময় রোগী ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই মৃত্যুবরণ করে।

আমরা সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে জোরালো অনুরোধ জানাই, দক্ষিণবঙ্গ যেন উন্নয়নের মূল স্রোত থেকে বাদ না পড়ে। খুলনার মত একটি কৌশলগত শহরে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুললে তা শুধু চিকিৎসাসেবা নয়, বরং আঞ্চলিক ভারসাম্য, কর্মসংস্থান, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণাতেও বিপুল প্রভাব ফেলবে। চীনের মতো উন্নয়ন অংশীদার এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করলে তা বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের পথ আরও সুগম করবে।

স্বাস্থ্যসেবা মৌলিক অধিকার। এই অধিকার যেন পদ্মা নদীর দক্ষিণ তীরেও সমানভাবে পৌঁছে, সেটাই এখন সময়ের দাবি।

স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার থেকে কেউ বঞ্চিত না হোক।

লেখক: সেন্টার ম্যানেজার, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল, বিএমইউ (সাবেক পিজি হাসপাতাল)

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কালিগঞ্জে ট্রাকচাপায় ৪ বছরের শিশু নিহত

এসএসসির ফল প্রকাশ সোমবার, জানা যাবে যেভাবে

স্কুলে ভর্তিতে দ্বিতীয়-নবমে পরীক্ষা, প্রথম শ্রেণিতে লটারি

পাকিস্তান হাইকমিশনারের বাসায় আগুন : আইসিইউতে হাইকমিশনার

বেনাপোলে ককটেল সদৃশ ২টি বোমা উদ্ধার

মুক্তিযুদ্ধের ৯নং সেক্টরের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ক্যাপ্টেন শাহজাহান মাস্টারের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী শনিবার

ইটাগাছা আদর্শ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত ও শাপলা কাব অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় ১১ দলের মানববন্ধন কর্মসূচি

পাইকগাছায় সাইকেল সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ

মাদক ও অনলাইন জুয়ার সাথে জড়িতদের ছাড় নেই: খুলনার পুলিশ সুপার

১০

বেনাপোল চেকপোস্টে স্বর্ণসহ এক পাসপোর্ট যাত্রী আটক

১১

সাতক্ষীরায় ৬ কোটি টাকার সিনথেটিক মাদক ‘কুশ’ জব্দ, আটক ১

১২

‘র‌্যাব’ বিলুপ্ত করে আসছে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’

১৩

শ্যামনগরে অনুদানের চেক পেয়ে দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মুখে হাসি

১৪

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট

১৫

ম্যাচ চলাকালে বজ্রপাতে ফুটবলারের মৃত্যু, আহত আরও ১২ খেলোয়াড়

১৬

ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে ১৫ বলে ফিফটি ব্রুকের

১৭

সাতক্ষীরায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

১৮

শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

১৯

পাইকগাছায় বিএনপির আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

২০
error: Content is protected !!