
ডেস্ক রিপোর্ট: সুস্থ, সবল, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী তৈরির জন্য টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করা খুবই জরুরী। একটি সুন্দর জাতি গঠনের লক্ষ্যে সরকার বিনামূল্যে এই ভ্যাকসিন দিচ্ছে। ভ্যাকসিন নিয়ে গুজব প্রতিরোধ করে তালিকাভুক্ত সকল শিশুকে টিকা ক্যাম্পে আনতে হবে। এজন্য সাংবাদিকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। সকলের সহযোগিতায় এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে হবে।
সাতক্ষীরায় শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনামূলক প্রচার কার্যক্রমের আওতায় জেলা পর্যায়ের মিডিয়া কর্মীদের অংশগ্রহণে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৫ বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ও জেলা তথ্য অফিস আয়োজনে বুধবার সকাল ১১টায় সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরার সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম।
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ মনিরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপ-পরিচালক মোঃ আদম আলী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাইজুল হক।
কর্মশালায় মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করেন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. ইসমত জাহান সুমনা।
কর্মশালায় বলা হয়, আগামী ১২ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইনে সাতক্ষীরায় ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী ৫ লাখ ৭ হাজার শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ টিকা প্রদান করা হবে। মোট ১৮ কর্ম দিবসের এই ক্যাম্পেইন চলবে আগামী ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত।
সভায় আরো বলা হয়, ভ্যাকসিন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার রয়েছে। কিন্তু টিকা গ্রহণের মাধ্যমে যক্ষ্মা, ডিফথেরিয়া, হাম রুবেলা, পোলিও, হুপিংকাশি, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। কাজেই সব ধরনের অপপ্রচার প্রতিরোধ করে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। আশা করা যায়, তালিকাভুক্ত জেলার সকল বাচ্চাকে এই কার্যক্রমের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন