বাংলাদেশ, রবিবার, ০২ আগস্ট ২০২৬
১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৯ অক্টোবর ২০২৫, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

দীর্ঘ ৯ বছর সাতক্ষীরায় সংযুক্তিতে রয়েছেন বাগেরহাট খাদ্য অফিসের প্রধান সহকারী খালেক

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে একজন প্রধান সহকারী থাকা সত্ত্ব্ওে বাগেরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী মোঃ আব্দুল খালেক ডেপুটেশনে (সংযুক্তিতে) প্রায় ৯ বছর ধরে সাতক্ষীরায় কর্মরত আছেন।

খাদ্য অধিপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে ডেপুটেশনে থাকা প্রধান সহকারী আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস নিয়ন্ত্রণ করেন। জেলার সব মিলারদের জিম্মি করে তিনি নানা অজুহাতে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা।

সম্প্রতি বাগেরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের প্রধান সহকারী আব্দুল খালেককে তার বদলিকৃত কর্মস্থলে (বাগেরহাট) যোগদানের জন্য চিঠি প্রদান করলেও খাদ্য অধিদপ্তরের ওই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তিনি সাতক্ষীরা অফিসে রয়ে গেছেন। ফলে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে এখন দুইজন প্রধান সহকারী কর্মরত রয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার পুইজালা গ্রামের আব্দুল খালেক ২০১৪ সালে উচ্চমান সহকারী হিসাবে খাদ্য বিভাগে চাকুরী নিয়ে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে যোগদান করে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে প্রধান সহকারী হিসাবে পদোন্নতি পেয়ে বাগেরহাট জেলায় যোগদান করে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে খাদ্য অধিপ্তরের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে সংযুক্তিতে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে ফিরে আসেন। সে সময় সাতক্ষীরা জেলা কার্যালয়ে একজন প্রধান সহকারী কর্মরত ছিলেন। এখনও তিনি সাতক্ষীর অফিসেই আছেন। তাকে হিসাব শাখায় দিয়ে অফিসের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন ডেপুটেশনে (সংযুক্তিতে) থাকা আব্দুল খালেক। আব্দুল খালেক তার খুটির জোর দেখিয়ে সংযুক্তিতে থাকা তৎকালীন আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রককে (আরসিফুড) ম্যানেজ করে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের হিসাব রক্ষক নুরে আলমকে সংযুক্তিতে খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠান। একইভাবে তিনি নিজে প্রায় ৯ বছর ধরে সংযুক্তিতে সাতক্ষীরায় রয়েছেন।

এদিকে, একই অফিসে দুই জন প্রধান সহকারী কিভাবে থাকেন এটা নিয়ে সাধারণ মিলারদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ, আব্দুল খালেক প্রভাব খাটিয়ে পুরো অফিসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সবাইকে জিম্মি করে রেখেছেন। এখানে যে কর্মকর্তা আসেন না কেন তাকে খালেকের কথা শুনে চলতে হয়। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি অবৈধভাবে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। পরিবহন বিল বাবদ শতকরা ৩৩ শতাংশ এবং অন্যান্য বিল হতে ১০ শতাংশ না দিলে তিনি বিল ছাড়েন না। যে কারণে সাধারন মিলাররা তার কাজে মোটেও সন্তুষ্ট নয়।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে সংযুক্তিতে থাকা প্রধান সহকারী আব্দুল খালেক বলেন, তিনি ২০১৮ সাল থেকে এই অফিসে কর্মরত আছেন। তার স্ত্রী সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলে চাকুরী করায় তিনি এখানে রযেছেন। তবে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির নেতৃত্বে খাইরুল-হিরু-সুমন

সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি

টানা পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন

প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে

জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত

নাগরিক অধিকার সুরক্ষা নেটওয়ার্কের সাধারণ সভা

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

কয়রায় সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথ উদ্বোধন

অভিযুক্ত হাসিনাসহ ৫০, সত্যতা মেলেনি ৪৯ জনের বিরুদ্ধে

গুরুতর আহত রাশমিকা

১০

৫০ দেশের জন্য স্থায়ী হলো মার্কিন ভিসা বন্ড, তালিকায় কি বাংলাদেশ আছে?

১১

কালিগঞ্জে কুকুরের কামড়ে শিক্ষার্থীসহ ৫ জন আহত

১২

বাংলাদেশ সফরে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদল: মাহদী আমিন

১৩

সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের মজলিশে শুরার বৈঠক, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

১৪

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ড্র অনুষ্ঠিত, বাংলাদেশের গ্রুপে কারা?

১৫

আশাশুনিতে ১৫০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

১৬

শেষ মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়া সফরের দলে লিটন

১৭

ভারী বৃষ্টিপাত নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

১৮

মিরপুরের পর এবার ফার্মগেটে মেট্রো স্টেশনে চটের বস্তা ঘিরে বোমাতঙ্ক

১৯

রাষ্ট্রায়ত্ত সব বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : প্রতিমন্ত্রী

২০
error: Content is protected !!