বাংলাদেশ, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১ নভেম্বর ২০২৫, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ

বিলাল হোসেন, উপকূলীয় প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরের সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের অবৈধ কার্যকলাপ ও সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের খুলনা অঞ্চলের উপপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেনে একেএম মাহফুজুর রহমান নামে এক অভিভাবক।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে বিনা টেন্ডারে ১৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ২২ ফুট প্রশস্ত পুরাতন ভবনটির ইট, দরজা, জানালার গ্রিল ও আসবাবপত্র বিক্রয়ের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন নেওয়ার নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তিনি নিয়মিত বেতন নিয়ে থাকেন। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পূর্বে দাতা সদস্য এসএম শফিকুল ইসলামের দেয়া ২০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে তিনি আত্মসাৎ করেছেন। বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে কোন শাখা চালু না থাকা সত্ত্বেও তিনি এনটিআরসির মাধ্যমে ১/১/২৪ তারিখ হতে অতিরিক্ত শিক্ষক গ্রহণ করে সরকারকে আর্থিকভাবে ক্ষতি করছেন। চতুর্থ শ্রেণীর পদে চাকুরী দেওয়ার চুক্তিতে ৩জন ব্যক্তির নিকট থেকে টাকা নিয়ে চাকরি না দেওয়ায় সাতক্ষীরা আমলী আদালতে তার বিরুদ্ধে যথাক্রমে-সি,আর ৭৪০/২২, ৭৬৯/২২এবং ৭৭০/২২নং মামলা হয়েছে। বিদ্যালয় ভবন সংস্কারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হলে প্রধান শিক্ষক ঠিকাদারের নিকট হতে একটি ল্যাপটপ চাঁদা বাবদ নিয়ে তাকে নামমাত্র কাজ করার সুযোগ করে দেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি-কে দিয়ে রেজুলেশন করিয়ে নিজের ব্যক্তিগত সম্মানী বাবদ মাসিক ৫০০০ টাকা হারে গ্রহণ করছেন। যাহা সম্পূর্ণ বিধি বর্হিভুত।

তিনি ঠিকাদারের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নতুন ৫ তলা ভবনের চেয়ার ও টেবিলে অতি নিম্নমানের কাঠ লাগাতে সহযোগিতা করেন। দরজাগুলি চাপালিশ কাঠের লাগানোর কথা থাকলেও তিনি নিম্নমানের কাঠ লাগাতে সহযোগিতা করেন। প্রধান শিক্ষকের এহেন কার্যকলাপে এলাকাবাসী ফুঁসে উঠলে তিনি ঠিকাদারের নিকট থেকে বিদ্যালয়ে এক লক্ষ টাকা চাঁদা নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিদ্যালয়ের আর্থিক অনিয়ম, বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র বিক্রয় করে আত্মসাৎ, অষ্টম শ্রেণীর সনদ বিক্রয়সহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি এ ধরনের কোন কাজের সাথে সংশ্লিষ্টতা না। যা করা হয়েছে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা, আবেদন যেভাবে

১

নতুন দায়িত্বে ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

২

মাদক ইভটিজিং জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

৩

পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানে প্রত্যাশা: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় এগিয়ে যাক হৃদয় বার্তা

৪

এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া ফারজানা আমার স্ত্রী নন: রনি

৫

‘ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট শুরু’

৬

ডা. এম আর খানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

৭

৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি

৮

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

৯

সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশুলিয়ার জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজুলের মতবিনিময়

১০

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

১১

কালিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন

১২

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

১৩

৭ নভেম্বরকে সামনে রেখে কালিগঞ্জে কৃষকদলের প্রস্তুতি সভা

১৪

পারুলিয়ায় শিশু পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সভা

১৫

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় সামরিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার

১৬

এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

১৭

২৪ সিনেমার ১৯টিতে ফ্লপ পরীমনি, ৫টিতে গড়পড়তা

১৮

সাংবাদিকের ফোন কেড়েছেন, ট্রাইপড ভেঙেছেন পরীমনি

১৯

অতিরিক্ত সময়ে ২ গোল হজম করেও পাকিস্তানকে হারাল ভারত

২০