বাংলাদেশ, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৫ আশ্বিন ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১৪ জুন ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির দায়িত্ব এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির কাছে শিক্ষকরা বদলির আবেদন জমা দেবেন। সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো প্রতি মাসে একবার সভা করে আবেদনগুলো পর্যালোচনা করবে এবং বদলি অনুমোদন দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের বদলি ঘিরে বিগত দিনে বড় একটা সিন্ডিকেট বা করাপশনের (দুর্নীতি) জায়গা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী এখানে আছেন, আমরা সবাই মিলে নতুন পলিসি গ্রহণ করেছি যে প্রাথমিকে…মাধ্যমিকেও; কিন্তু শুধু প্রাথমিক নিয়ে কথা বলবো। প্রাথমিকে টিচার্স ট্রান্সফার (শিক্ষক বদলি) এটা লোকালাইজ (স্থানীয়) করে দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, লোকাল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে সেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার অফিসার থাকবেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন। এরকম চারজন সদস্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। তারা মাসে একবার বসবেন। ওই মাসে যতগুলো রিকোয়েস্ট (আবেদন) আসবে, সেগুলো রিভিউ করে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে ট্রান্সফার অ্যালাউ (বদলি অনুমোদন) করবেন, কি করবেন না।

তিনি আরও বলেন, ‘সেইম (একই) জিনিসটা ডিসির অধীনে জেলা পর্যায়েও করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের আন্ডারে ডিভিশন লেভেলে করা হয়েছে। এটা করে করাপশনের (দুর্নীতি) সব জায়গাগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে চাই’।

‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষকদের বদলির জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা ছিল। সে সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আবেদন চাওয়া হতো। প্রথমে উপজেলা থেকে উপজেলা; তারপর জেলা থেকে জেলা এবং বিভাগ থেকে বিভাগ পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে আবেদন নেওয়া হতো।

অনলাইনে এসব আবেদন করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তা যাচাই করে ফরোয়ার্ড করতেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হয়ে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আসতো। অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে বদলি অনুমোদিত হতো।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিললো ৮৯ লাখ টাকা

নির্যাতন ও শোষণের শিকার ব্যক্তিদের আইনগত সহায়তা নিশ্চিতে সমন্বয় জোরদারের আহ্বান

সাতক্ষীরায় ৭ দফা দাবিতে দলিল লেখকদের সমাবেশ

দেশে প্রথম ‘ইমোশনাল ডোনার’ কিডনি প্রতিস্থাপন বিএমইউতে

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৫ জনের মৃত্যু

গোপন বৈঠক থেকে গ্রেপ্তার ১২ সন্দেহভাজনের ৩ দিনের রিমান্ড

নতুন পে স্কেলে ৮ বছরেই উচ্চতর গ্রেড, বাড়ি ভাড়া বাড়বে ২০২৮ থেকে

আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াড ঘোষণা করল বিসিবি

বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশেই মিলল কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

১০

বাঁকাল শেখ পাড়া জামে মসজিদে ইসলামী কুইজ ও সিরাত মাহফিল

১১

পাইকগাছা পৌর ভবন নির্মাণে স্থবিরতা, ৬ বছরে অগ্রগতি ৬৫ শতাংশ

১২

কালিগঞ্জে পুকুরে ডুবে বৃদ্ধার মৃত্যু

১৩

সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল রেফারীজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সভা

১৪

“দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা করলে যত বড় নেতা হোক, ছাড় নয়”

১৫

নবম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি, কার্যকর ১ জুলাই থেকে

১৬

শ্যামনগরে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব বাবু গ্রেপ্তার

১৭

১০ বছরেও চালু করা হয়নি সামেক হাসপাতালের এস্কেলেটর, বন্ধ আরও ৩টি প্যাসেঞ্জার লিফট

১৮

আজ দুপুরে পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানালেন কর্মকর্তারা

১৯

ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুক হামলা, নিহত ৩

২০
error: Content is protected !!