বাংলাদেশ, সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১৪ জুন ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি নিয়ে নতুন ঘোষণা

ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলির দায়িত্ব এখন থেকে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর শেরাটন হোটেলে ইউনিসেফ আয়োজিত এক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে গঠিত কমিটির কাছে শিক্ষকরা বদলির আবেদন জমা দেবেন। সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো প্রতি মাসে একবার সভা করে আবেদনগুলো পর্যালোচনা করবে এবং বদলি অনুমোদন দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের বদলি ঘিরে বিগত দিনে বড় একটা সিন্ডিকেট বা করাপশনের (দুর্নীতি) জায়গা তৈরি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে এটাতে নজর দিয়েছেন। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী এখানে আছেন, আমরা সবাই মিলে নতুন পলিসি গ্রহণ করেছি যে প্রাথমিকে…মাধ্যমিকেও; কিন্তু শুধু প্রাথমিক নিয়ে কথা বলবো। প্রাথমিকে টিচার্স ট্রান্সফার (শিক্ষক বদলি) এটা লোকালাইজ (স্থানীয়) করে দেওয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, লোকাল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর নেতৃত্বে সেখানে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষার অফিসার থাকবেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার থাকবেন। এরকম চারজন সদস্য ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। তারা মাসে একবার বসবেন। ওই মাসে যতগুলো রিকোয়েস্ট (আবেদন) আসবে, সেগুলো রিভিউ করে তারা সিদ্ধান্ত নেবেন যে ট্রান্সফার অ্যালাউ (বদলি অনুমোদন) করবেন, কি করবেন না।

তিনি আরও বলেন, ‘সেইম (একই) জিনিসটা ডিসির অধীনে জেলা পর্যায়েও করা হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের আন্ডারে ডিভিশন লেভেলে করা হয়েছে। এটা করে করাপশনের (দুর্নীতি) সব জায়গাগুলোকে আমরা বন্ধ করে দিতে চাই’।

‘ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপ অন দ্য বাংলাদেশ এডুকেশন সেক্টর অ্যানালাইসিস (ইএসএ)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এতে শিক্ষাবিদ ও ইউনিসেফের কান্ট্রি ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

আগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষকদের বদলির জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করা ছিল। সে সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে আবেদন চাওয়া হতো। প্রথমে উপজেলা থেকে উপজেলা; তারপর জেলা থেকে জেলা এবং বিভাগ থেকে বিভাগ পর্যায়ে পর্যায়ক্রমে আবেদন নেওয়া হতো।

অনলাইনে এসব আবেদন করার পর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তা যাচাই করে ফরোয়ার্ড করতেন। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হয়ে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে আসতো। অধিদপ্তর চূড়ান্ত অনুমোদন দিলে বদলি অনুমোদিত হতো।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শুভেচ্ছা জানাতে দ্রুততম মানব জাকিরের বাড়িতে কালিগঞ্জের ইউএনও

শাকবাড়িয়া নদীর তীর থেকে ৭০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার

কালিগঞ্জে দেশসেরা অ্যাথলেট জাকিরকে সংবর্ধনা

সুন্দরবনে কাঁকড়া শিকারে ৩ জেলে কারাগারে

পাইকগাছায় বিজ্ঞানী স্যার পিসি রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

কয়রার বড়বাড়ি ও কপোতাক্ষ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন সভাপতি আবুল কালাম আজাদ

সাতক্ষীরায় ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম গঠন: ঝুমুর আহবায়ক, সুমন সদস্য সচিব

ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ও এমপি জাহাঙ্গীরের ওপর হামলা

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিলে ৫% পর্যন্ত কর প্রণোদনা

এলপি গ্যাসের দাম বাড়লো, সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর

১০

দুবাইয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বেনজীর

১১

সাতক্ষীরায় ১০ দিনব্যাপী বৃক্ষ মেলা শুরু

১২

মান্দারবাড়িয়া; জেগে ওঠার অপেক্ষায় এক নীরব সৈকত || মো. মামুন হাসান

১৩

সারা দেশে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি পুলিশের

১৪

শর্ত সাপেক্ষে ইরানে হামলা বাতিল ঘোষণা ট্রাম্পের

১৫

রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান

১৬

ঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির নেতৃত্বে খাইরুল-হিরু-সুমন

১৭

সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি

১৮

টানা পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন

১৯

প্রাথমিকে ১৪ হাজার ৩৮৪ শিক্ষকের যোগদান শুরু অক্টোবরে

২০
error: Content is protected !!