বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৬ মার্চ ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

অন্তর্বর্তী সরকারের কারো মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল না

ডেস্ক রিপোর্ট: আমরা স্বাধীনতার ৫৫তম বছরে পৌঁছেছি। এ সময়ে স্বাধীনতার যে অবমূল্যায়ন হয়েছে, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এমন হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আমি অধ্যাপক ইউনূসকে ভীষণ সম্মানের চোখে দেখতাম। মনে হতো তিনি একটা প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে আমরা যেভাবে চিনেছি, তাতে অধ্যাপক ইউনূসকে শুধু এনজিও এবং সুদের ব্যবসায়ী ছাড়া আর কোনোভাবে মূল্যায়ন করা যায় না। আমি অনেক দেরিতে তাঁকে চিনতে পেরেছি। শেখ হাসিনা চিনেছেন আমারও আগে।
অধ্যাপক ইউনূস যাঁদের নিয়ে সরকার গঠন করেছিলেন, তাঁরা একজনও বাংলাদেশের প্রকৃত প্রেমিক নন।

তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের আত্মিক সম্পর্ক নেই। অধ্যাপক ইউনূস মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ নন। অন্তর্বর্তী সরকারের কারো মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা ছিল না। শ্রদ্ধা নিয়ে তাঁরা কিছু করেননি।

বরং মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করার চেষ্টা। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়নের খেসারত জাতিকে দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে স্বাধীনতা থাকে না। আর স্বাধীনতা না থাকলে আজকের এই চাকচিক্যের কোনো সুযোগ ছিল না।

এখন দেড় কোটি মানুষ বিদেশে উপার্জন করছে। পাকিস্তান থাকলে দেড় কোটি তো দূরের কথা, দেড় লাখ বাঙালিও প্রবাসে যেতে পারত না। আমাদের কষ্ট আছে, কিন্তু তার পরও বাংলাদেশের জন্ম বিফলে যায়নি। যাঁরা এত কিছু বলেন তার সব কিছুর মূলে রয়েছে স্বাধীনতা। বাংলাদেশের হৃৎপিণ্ড হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। চেঙ্গিস খান বাগদাদ দখল করেছিলেন। মুসলিম সভ্যতার সব কিছু পুড়ে ছারখার করে দিয়েছিলেন। অথচ আজ তাঁকে হিরো না বলে জিরো বলা হয়। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ধ্বংসের জন্য অধ্যাপক ইউনূস যেভাবে কলংকিত হয়েছেন তা কোনো দিন মুছতে পারবেন না। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি স্বাধীনতার প্রতীক। আজ হোক, কাল হোক, আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমলেই বিচার শুরু হবে। বঙ্গবন্ধুকে ছোট করতে গিয়ে ড. ইউনূস শেখ হাসিনাকে বড় করে ফেলেছেন। ইচ্ছাকৃতভাবে বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করা মানে সব মুক্তিযোদ্ধাকে অবমাননা করা।

আমাকেও অনেক জাতীয় অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, কিন্তু তাতে কী যায় আসে! আমি তো দাওয়াতের জন্য যুদ্ধ করিনি। মানুষ যে কষ্টে ছিল, সেখান থেকে মুক্তির জন্য যুদ্ধ করেছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইউনূস ছিলেন মানী মানুষ। আর এখন বাংলাদেশ যত দিন থাকবে ইউনূস ঘৃণিত মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ
অনুলিখন: কাজল আর্য, টাঙ্গাইল

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবার

কয়রায় বীজ বাড়ির উপকরণ বিতরণ ও অনুদানের চেক হস্তান্তর

আজ ঢাকায় আসছেন ট্রা‌ম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গর

সাগরপথে ইতালি ও গ্রীসে যাওয়ার শীর্ষে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার, জানালেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সুষ্ঠু বিচার নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ

লাবসায় জলাবদ্ধতা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে ইউএনও অর্ণব দত্ত

পুরান ঢাকার ‘শ্রমিক মিরাজ’ পরিচয়ে সীমান্ত পার হতে চেয়েছিল ডেভিড ইমন

সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ

তারেক রহমানের ভারত সফরের অপেক্ষায় আছি: দীনেশ ত্রিবেদী

১০

গুলশান থেকে লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

১১

ব্রাজিল জাতীয় দলকে বিদায় বলে দিলেন নেইমার

১২

সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাসকল্পে সাতক্ষীরায় বিআরটিএ’র রোড শো

১৩

দেবহাটায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫০ প্রশিক্ষণার্থীর মাঝে সনদ বিতরণ

১৪

দেবহাটায় আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা

১৫

আব্দুল্লাহ ছিল অন্ধকার জগতের মুকুটহীন সম্রাট

১৬

রাস্তাটি ক্রয়কৃত দাবি করে দখলের অভিযোগ খণ্ডালেন জামায়াত নেতা ওমর ফারুক

১৭

সাতক্ষীরায় নিম্ন আয়ের মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সুরক্ষায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

১৮

দেবহাটায় অপদ্রব্য পুশকৃত ১০০ কেজি চিংড়ি বিনষ্ট

১৯

শ্যামনগরে সংলাপ: বাঘ সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে

২০
error: Content is protected !!