বাংলাদেশ, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
২৫ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৬ মার্চ ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

অন্তর্বর্তী সরকারের কারো মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা ছিল না

ডেস্ক রিপোর্ট: আমরা স্বাধীনতার ৫৫তম বছরে পৌঁছেছি। এ সময়ে স্বাধীনতার যে অবমূল্যায়ন হয়েছে, পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এমন হয়েছে কি না আমার জানা নেই। আমি অধ্যাপক ইউনূসকে ভীষণ সম্মানের চোখে দেখতাম। মনে হতো তিনি একটা প্রতিষ্ঠান।

কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে আমরা যেভাবে চিনেছি, তাতে অধ্যাপক ইউনূসকে শুধু এনজিও এবং সুদের ব্যবসায়ী ছাড়া আর কোনোভাবে মূল্যায়ন করা যায় না। আমি অনেক দেরিতে তাঁকে চিনতে পেরেছি। শেখ হাসিনা চিনেছেন আমারও আগে।
অধ্যাপক ইউনূস যাঁদের নিয়ে সরকার গঠন করেছিলেন, তাঁরা একজনও বাংলাদেশের প্রকৃত প্রেমিক নন।

তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের আত্মিক সম্পর্ক নেই। অধ্যাপক ইউনূস মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষ নন। অন্তর্বর্তী সরকারের কারো মুক্তিযুদ্ধের প্রতি কোনো শ্রদ্ধা ছিল না। শ্রদ্ধা নিয়ে তাঁরা কিছু করেননি।

বরং মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ছোট করার চেষ্টা। তবে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমূল্যায়নের খেসারত জাতিকে দিতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ না থাকলে স্বাধীনতা থাকে না। আর স্বাধীনতা না থাকলে আজকের এই চাকচিক্যের কোনো সুযোগ ছিল না।

এখন দেড় কোটি মানুষ বিদেশে উপার্জন করছে। পাকিস্তান থাকলে দেড় কোটি তো দূরের কথা, দেড় লাখ বাঙালিও প্রবাসে যেতে পারত না। আমাদের কষ্ট আছে, কিন্তু তার পরও বাংলাদেশের জন্ম বিফলে যায়নি। যাঁরা এত কিছু বলেন তার সব কিছুর মূলে রয়েছে স্বাধীনতা। বাংলাদেশের হৃৎপিণ্ড হলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। চেঙ্গিস খান বাগদাদ দখল করেছিলেন। মুসলিম সভ্যতার সব কিছু পুড়ে ছারখার করে দিয়েছিলেন। অথচ আজ তাঁকে হিরো না বলে জিরো বলা হয়। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ধ্বংসের জন্য অধ্যাপক ইউনূস যেভাবে কলংকিত হয়েছেন তা কোনো দিন মুছতে পারবেন না। বঙ্গবন্ধুর বাড়ি স্বাধীনতার প্রতীক। আজ হোক, কাল হোক, আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমলেই বিচার শুরু হবে। বঙ্গবন্ধুকে ছোট করতে গিয়ে ড. ইউনূস শেখ হাসিনাকে বড় করে ফেলেছেন। ইচ্ছাকৃতভাবে বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করা মানে সব মুক্তিযোদ্ধাকে অবমাননা করা।

আমাকেও অনেক জাতীয় অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, কিন্তু তাতে কী যায় আসে! আমি তো দাওয়াতের জন্য যুদ্ধ করিনি। মানুষ যে কষ্টে ছিল, সেখান থেকে মুক্তির জন্য যুদ্ধ করেছি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইউনূস ছিলেন মানী মানুষ। আর এখন বাংলাদেশ যত দিন থাকবে ইউনূস ঘৃণিত মানুষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ
অনুলিখন: কাজল আর্য, টাঙ্গাইল

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শ্যামনগরে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

১

৩৯ বছর বয়সে মেসির নতুন ইতিহাস, আবারও জিতলেন গোল্ডেন বুট

২

মালয়েশিয়ায় চাকরির জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন নির্বাচিত

৩

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা

৪

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী: বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের নিভৃতচারী কারিগর || ‎তারিক ইসলাম

৫

কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি বৃদ্ধিতে আলোচনা

৬

সুন্দরবনে সক্রিয় ১২ দস্যু বাহিনী, সামনে এলো গাবুরার আমির ও দাতিনাখালীর আলমের নাম

৭

পাইকগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

৮

দেবহাটায় জামায়াতের রুকন সম্মেলন

৯

তালায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

১০

মালদ্বীপকে উড়িয়ে সেমির আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান

১১

ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন রোগী ২৩৩৩

১২

সাতক্ষীরায় অ্যারাইজ ২২৪১ ধানের মাঠ দিবস

১৩

পরীমনির কর্মকাণ্ড শিল্পী সমাজের জন্য কলঙ্ক: রিনা খান

১৪

সাতক্ষীরায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

১৫

সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে ১১ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ

১৬

প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণে প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইউনিয়ন পরিষদ

১৭

কাবার সামনে দাঁড়িয়ে ‘বিয়ের’ খবর দিলেন নাজনীন নীহা!

১৮

দেশে গ/ণ/পি/টু/নিতে অক্টোবরে প্রা/ণ গেল ৩২ জনের

১৯

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি

২০