বাংলাদেশ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
admin
২৬ অক্টোবর ২০২৪, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

টাকা না পেয়ে বীমা কর্মীর বাড়ি ঘেরাও গ্রাহকদের

ডেস্ক রিপোর্ট: এইচএস এডুকেশন অ্যান্ড হেলথ সোসাইটির কর্মী মোছাঃ হাছিনার বিরুদ্ধে অন্তত ৬০ জন গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ওই কর্মীর বাড়ি ঘেরাও করেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

জানা গেছে, এইচএস এডুকেশন অ্যান্ড হেলথ সোসাইটি নামীয় একটি এনজিওতে ৫ বছর মেয়াদী বীমা করেন সাতক্ষীরা সদরের জোড়দিয়া এলাকার ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার। তবে এনজিও কর্মী মোছাঃ হাছিনা গ্রাহকদের কাছ থেকে কৌশলে বীমার বই নিয়ে নেয়। গত ৫ অক্টোবর বেলা ১২টার দিকে মোছাঃ হাছিনা বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়।

এঘটনায় জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

গ্রাহক মোছাঃ আছমা বেগম বলেন, হাছিনা আমাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলতো তোমরা জনমজুরি দাও, তোমাদের বাচ্চাকাচ্চা আছে, তোমরা একটা বই কর। গ্রামের মানুষকে লোভ দেখিয়ে বইগুলো করিয়েছে। আমার বই করা ছিল তিনটি। দুইটা বইয়ের টাকা কমবেশি দিয়েছে। আরেকটি বইতে ৩০ হাজার টাকা রয়েছে। পরে গ্রামের মেম্বার চেয়ারম্যানদের ধরে বসাবসি করলে বলে আমি দেব। আমরা এখানে ওখানে হাঁটাহাঁটি করেছি। করার পর ওই নারী মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাদের টাকা দিয়ে নিয়ে যায়। এখন উনি বলতে চাচ্ছে আমি থানায় বসা বসি করে টাকা দিয়ে মিটিয়ে নিয়েছি। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে উনি মেটানোর কাগজটা দেখাক, আমরা কোনো টাকা দাবি করব না।

গ্রাহক সুফিয়া খাতুন বলেন, মেয়াদ শেষ। আমাদের কাছ থেকে বই জমা নিয়েছে। যেই একটু কথা বলছি, সেই বলছে যাদের প্রমাণ রয়েছে তাদের টাকা দেওয়া হবে। যাদের নেই তাদের দেব না।

গ্রাহক দাউদ আলী বলেন, এই টাকার জন্য আমি থানা পুলিশসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। লাস্টে আমার নামে গাজার মামলা দেছে। আমাদের গ্রাম থেকে প্রায় ৬০ জন লোকের টাকা নিয়েছে। প্রথমে বলল খুলনা অফিস টাকা না দিলে আমি কি করবো। অফিসে গিয়ে দেখি আমার ১২ হাজার টাকা জমা দেওয়া, অথচ হেড অফিসে ২ হাজার টাকা জমা হয়েছে। আমার মায়ের ১০০ বছর বয়স। লোকে যাকাত ফিতরার টাকা দিতো তাই নিয়ে জমা করেছিল। সে টাকাগুলো আর দিল না।

অভিযুক্ত মোছাঃ হাছিনা বলেন, আমি পাঁচ-ছয়জনের বই করিয়েছি। আমি এলাকার সবার বই একা করাইনি। নুরজাহান নামে আরেকজন কর্মী ছিল সেও করিয়েছে। সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় অফিসে আর যেত না। এ কারণে সবাই আমাকে ধরছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১২৫ টি

ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিক-শিল্পীদের বিরুদ্ধে অভিযোগে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি

প্রতি টনে ১০ ডলার কমে বাংলাদেশের কাছে ইউরিয়া সার বেচতে চায় রাশিয়া

জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়েছে শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা

৯ বছরের ছোট ক্রিকেটারের সঙ্গে প্রেম করছেন ম্রুণাল?

কালিগঞ্জ উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা

কালিগঞ্জে সঞ্জীব সরকার হত্যা: ধরাছোয়ার বাইরে মূল আসামিরা

জুলাই পদযাত্রায় হামলা, সারজিস-পাটওয়ারী আহত

সাতক্ষীরায় ভারী বর্ষণ ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিজিবি’র ত্রাণ বিতরণ

জাতীয় যুবনীতি হালনাগাদে মতামত দেওয়ার সুযোগ পেল তরুণরা

১০

কোন অভিনেতার সঙ্গে রোমান্স করতে ‘সমস্যা’, জানালেন জয়া

১১

আহসান রাজীবকে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের অভিনন্দন

১২

অতীতের কোনো সিদ্ধান্ত বদলাতে চাই না, ভুল থেকেই শিখেছি: সাকিব

১৩

আলিম চেয়ারম্যানের আল্টিমেটামে নড়ে চড়ে বসেছে শৈলকুর বিলের মৎস্য ঘের মালিকরা

১৪

দ. আফ্রিকায় আগুনে ৬ বাংলাদেশি নিহত

১৫

শ্যামনগরে মাদকসহ যুবলীগ নেতা আব্দুল্লাহ আটক

১৬

জরুরি সতর্কবার্তা দিল পুলিশ

১৭

কয়রায় জলবায়ু সংকটে কিশোরীদের সুরক্ষায় আমাল ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রম কর্মসূচি

১৮

উপকূলের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে ১০ লক্ষ বীজ রোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

১৯

শ্যামনগরে নিরাপদ পানীয় জল সংরক্ষণ ও প্লাস্টিক দূষণ হ্রাসে মেটে বিতরণ

২০
error: Content is protected !!