বাংলাদেশ, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১ আশ্বিন ১৪৩৩ | সময়:
admin
২৬ অক্টোবর ২০২৪, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

টাকা না পেয়ে বীমা কর্মীর বাড়ি ঘেরাও গ্রাহকদের

ডেস্ক রিপোর্ট: এইচএস এডুকেশন অ্যান্ড হেলথ সোসাইটির কর্মী মোছাঃ হাছিনার বিরুদ্ধে অন্তত ৬০ জন গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে ওই কর্মীর বাড়ি ঘেরাও করেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।

জানা গেছে, এইচএস এডুকেশন অ্যান্ড হেলথ সোসাইটি নামীয় একটি এনজিওতে ৫ বছর মেয়াদী বীমা করেন সাতক্ষীরা সদরের জোড়দিয়া এলাকার ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার। তবে এনজিও কর্মী মোছাঃ হাছিনা গ্রাহকদের কাছ থেকে কৌশলে বীমার বই নিয়ে নেয়। গত ৫ অক্টোবর বেলা ১২টার দিকে মোছাঃ হাছিনা বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে গ্রাহকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়।

এঘটনায় জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

গ্রাহক মোছাঃ আছমা বেগম বলেন, হাছিনা আমাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলতো তোমরা জনমজুরি দাও, তোমাদের বাচ্চাকাচ্চা আছে, তোমরা একটা বই কর। গ্রামের মানুষকে লোভ দেখিয়ে বইগুলো করিয়েছে। আমার বই করা ছিল তিনটি। দুইটা বইয়ের টাকা কমবেশি দিয়েছে। আরেকটি বইতে ৩০ হাজার টাকা রয়েছে। পরে গ্রামের মেম্বার চেয়ারম্যানদের ধরে বসাবসি করলে বলে আমি দেব। আমরা এখানে ওখানে হাঁটাহাঁটি করেছি। করার পর ওই নারী মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাদের টাকা দিয়ে নিয়ে যায়। এখন উনি বলতে চাচ্ছে আমি থানায় বসা বসি করে টাকা দিয়ে মিটিয়ে নিয়েছি। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে উনি মেটানোর কাগজটা দেখাক, আমরা কোনো টাকা দাবি করব না।

গ্রাহক সুফিয়া খাতুন বলেন, মেয়াদ শেষ। আমাদের কাছ থেকে বই জমা নিয়েছে। যেই একটু কথা বলছি, সেই বলছে যাদের প্রমাণ রয়েছে তাদের টাকা দেওয়া হবে। যাদের নেই তাদের দেব না।

গ্রাহক দাউদ আলী বলেন, এই টাকার জন্য আমি থানা পুলিশসহ বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি। লাস্টে আমার নামে গাজার মামলা দেছে। আমাদের গ্রাম থেকে প্রায় ৬০ জন লোকের টাকা নিয়েছে। প্রথমে বলল খুলনা অফিস টাকা না দিলে আমি কি করবো। অফিসে গিয়ে দেখি আমার ১২ হাজার টাকা জমা দেওয়া, অথচ হেড অফিসে ২ হাজার টাকা জমা হয়েছে। আমার মায়ের ১০০ বছর বয়স। লোকে যাকাত ফিতরার টাকা দিতো তাই নিয়ে জমা করেছিল। সে টাকাগুলো আর দিল না।

অভিযুক্ত মোছাঃ হাছিনা বলেন, আমি পাঁচ-ছয়জনের বই করিয়েছি। আমি এলাকার সবার বই একা করাইনি। নুরজাহান নামে আরেকজন কর্মী ছিল সেও করিয়েছে। সে অসুস্থ হয়ে পড়ায় অফিসে আর যেত না। এ কারণে সবাই আমাকে ধরছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ব্লিস হাসপাতালে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, ধোয়ার কুণ্ডলীতে রোগী-স্বজনদের মধ্যে আতঙ্ক

পদদলিত করতে ডাকসুর প্রবেশপথ ও সংগ্রহশালার মেঝেতে জিন্নাহ-গোলাম আযমের ছবি

অনিবন্ধিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও গুজব ছড়ানো পেজ বন্ধে বিটিআরসিকে হাইকোর্টের নির্দেশ

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৩১৬

শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদে উন্মুক্ত বাজেট আলোচনা

ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ জন

সাতক্ষীরায় শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতে মতবিনিময়

টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার সুলতানা

কাকে পাশে নিয়ে জীবন কাটাতে চান মিম?

তালা সরকারি কলেজে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

১০

কালিগঞ্জে গৃহবধূসহ দু’জনকে কুপিয়ে জখম

১১

মিলিটারি ট্রেনিং করছেন নুসরাত ফারিয়া

১২

আশাশুনির ২৭ জলাশয়ে ৩৩৩ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত

১৩

নতুন রিশাদ-এবাদতদের খুঁজতে ৮ বছর পর ফিরছে ‘বোলার হান্ট’

১৪

আশাশুনিতে টেপা মাছ খেয়ে প্রাণ গেল গৃহকর্তার, অসুস্থ ৪

১৫

সঞ্চয়পত্রে আজ থেকে চালু নতুন পদ্ধতি

১৬

উৎপাদনে ফিরল চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার

১৭

সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজে নজরুল সাংস্কৃতিক উৎসব

১৮

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আসিফ নজরুলের ‘একক সিদ্ধান্তে’ অংশ নেয়নি বাংলাদেশ

১৯

তেলের দামে উত্তাপ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

২০
error: Content is protected !!