বাংলাদেশ, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৪ আগস্ট ২০২৫, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

দ্য এডিটরসে সংবাদ প্রকাশ: শ্যামনগরে নদীর চর দখল করে গড়ে তোলা রিসোর্ট উচ্ছেদ করলো প্রশাসন

oplus_2097154

সুলতান শাহাজান/এম জুবায়ের মাহমুদ: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে মালঞ্চ নদীর চর দখল করে গড়ে তোলা ‘এ অ্যান্ড এন ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস’ নামের একটি রিসোর্ট উচ্ছেদ করেছে প্রশাসন।

রোববার (২৪ আগস্ট) সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন মৌখালী এলাকায় সদ্য গড়ে তোলা রিসোর্টটি উচ্ছেদ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নদীর জায়গায় গড়ে তোলা এই স্থাপনা গত আট মাসেরও অধিক সময় ধরে নির্মাণ করা হয়। সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা না করায় উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে সেগুলো উচ্ছেদ করেছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) সঞ্জয় রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড-১-এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী/শাখা কর্মকর্তা (শ্যামনগর পওর শাখা) মোঃ ফরিদুল ইসলাম, বন বিভাগের মুন্সিগঞ্জ টহল ফাঁড়ির ফরেস্টার ফায়াজুর রহমান ও নীলডুমুর টুরিস্ট পুলিশের এসআই সুজিত সরকার।

এর আগে গত ১০ আগস্ট ‘সুন্দরবনের চর দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে রিসোর্ট’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করে দ্য এডিটরস।

এতে বলা হয়, সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে সুন্দরবনের চর দখলে নিয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে রিসোর্ট সেন্টার ও ট্যুরিস্ট পয়েন্ট। চরের গাছ কেটে সাবাড়ের পর পায়ে চলাচলের রাস্তাসহ সেখানে নির্মাণ করা হচ্ছে ভ্রমণপিপাসুদের রাত্রীযাপনের উপযোগী আবাসস্থল। খুলনার জনৈক মাহাবুব আলম প্রায় আট মাস ধরে মালঞ্চ নদীর তীরে এএন্ডএন ট্যাভেল এন্ড ট্যুরস নামীয় রিসোর্ট সেন্টার ও ট্যুরিস্ট পয়েন্ট নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এর আগে সেখানকার বাঁধ প্রশস্ত এবং উঁচু করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক সেখানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। পরবর্তীতে বহিরাগত এক ব্যক্তি এসে প্রভাবশালী ট্যুরিস্ট ব্যবসায়ী পরিচয়ে ডাম্পিংকৃত উক্ত বাঁধের উপর স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন।

অভিযানের নেতৃত্ব থাকা মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) সঞ্জয় রায় বলেন, স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা সেটি মানেননি। ফলে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নদীর জায়গায় এভাবে স্থাপনা নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই।

প্রসঙ্গত, শ্যামনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে নদ-নদীর চর জবরদখল করে একের পর এক স্থাপনা নির্মাণ করছে কয়েকটি প্রভাবশালী চক্র। এতে উদ্বিগ্ন নদী ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সড়ক দুর্ঘটনায় ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা, আবেদন যেভাবে

১

নতুন দায়িত্বে ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

২

মাদক ইভটিজিং জুয়া ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

৩

পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ অনুষ্ঠানে প্রত্যাশা: বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতায় এগিয়ে যাক হৃদয় বার্তা

৪

এনসিপিতে যোগ দিতে যাওয়া ফারজানা আমার স্ত্রী নন: রনি

৫

‘ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ফ্লাইট শুরু’

৬

ডা. এম আর খানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

৭

৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি

৮

ঢাবিতে ভর্তি আবেদন শুরু ১১ নভেম্বর

৯

সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশুলিয়ার জামায়াত মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজুলের মতবিনিময়

১০

ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা

১১

কালিগঞ্জে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন

১২

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

১৩

৭ নভেম্বরকে সামনে রেখে কালিগঞ্জে কৃষকদলের প্রস্তুতি সভা

১৪

পারুলিয়ায় শিশু পাচার ও শোষণ প্রতিরোধে সভা

১৫

আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তায় সামরিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার

১৬

এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন

১৭

২৪ সিনেমার ১৯টিতে ফ্লপ পরীমনি, ৫টিতে গড়পড়তা

১৮

সাংবাদিকের ফোন কেড়েছেন, ট্রাইপড ভেঙেছেন পরীমনি

১৯

অতিরিক্ত সময়ে ২ গোল হজম করেও পাকিস্তানকে হারাল ভারত

২০