
বিলাল হোসেন: বছরে পাঁচ মাস জলাবদ্ধ থাকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ৬নং শংকরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতে বিদ্যালয়ের একটি ভবন পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়ে। ফলে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির মাঠ পানিতে ডুবে আছে। এছাড়া একটি টিনশেডের ভবনে পানি প্রবেশ করেছে। এজন্য ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। বিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষকরা প্রতিদিন হাটু পানি মাড়িয়েই বিদ্যালয় ভবনে প্রবেশ করেন।
স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর আষাঢ় মাস থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত বিদ্যালয়টি জলাবদ্ধ হয়ে থাকে। গত চার বছর ধরে এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, অনেক আগে বিদ্যালয়ের মাঠের পাশে একটা কালভার্ট ছিলো। চার বছর আগে বিদ্যালয়ের মাঠ বড় করার জন্য মাঠ সংলগ্ন পুকুরটি ভরাট করা হয়। তখন কালভার্টটিও বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে বিদ্যালয়টি প্রতিবছর জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে। আমরা এর একটা স্থায়ী সমাধান চাই।
বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র অভি সর্দার জানায়, তাদের স্কুলের মাঠে বর্ষাকালে পানি জমে থাকে। তারা বেশ কষ্ট করে ক্লাস করে। এজন্য তাদের অনেকের পায়ে ঘা হয়ে গেছে। পানির কারণে অনেকে নিয়মিত স্কুলে আসে না।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, জলাবদ্ধতার কারণে একটি ভবনেই সকল শ্রেণীর ক্লাস নিতে হচ্ছে। বর্তমানে শ্রেণিকক্ষ সংকট থাকায় বারান্দায়ও পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, গত চার বছর ধরে বিদ্যালয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এটা নানা সংকট সৃষ্টি করছে।
এ প্রসঙ্গে শ্যামনগর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাঃ রনী খাতুন বলেন, আমি দ্রুতই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেব।
মন্তব্য করুন