
ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের মাগুরা-তালতলা ও কৈখালী এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে শৈলকুর বিলের পানি অপসারণে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত’র নির্দেশনায় এবং লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিমের তদারকিতে নড়েচড়ে বসেছে মৎস্য ঘের মালিকরা।
জানা গেছে, মাগুরা, তালতলা, কৈখালীসহ আশপাশের এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গত ২৬ জুলাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম মাগুরা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের সামনে মৎস্য ঘের মালিক ও গ্রামবাসীর সাথে আলোচনা সভা করেন।
আলোচনা সভায় লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান অন্তত দশ হাজার মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ঘের মালিকদের তিন দিনের আল্টিমেটাম দেন।
এছাড়া ২৭ জুলাই অত্র এলাকা জুড়ে মাইকিং করে ঘের মালিকদের আবারও সতর্ক করা হয়।
সরজমিনে দেখাযায়, শৈলকুর বিলের পানি নিষ্কাশনে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন মৎস্যঘের মালিক শ্রমিক নিয়োগ করে পাইপ বসিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্তকরণের কাজ করছেন। তবে কিছু ঘের মালিক কাজ করলেও মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি ঘেরে কোন কার্যক্রম দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শৈলকুর বিলের মৎস্য ঘেরের বেড়িবাঁধ উন্মুক্ত করে দিলে সাতক্ষীরা কাস্টমস গোডাউন মোড় সংলগ্ন স্টাফ কোয়ার্টার, মিলবাজার আবহাওয়া অফিস, মিলগেট এলাকা, মাগুরা কর্মকারপাড়া, মাগুরা দাসপাড়া, কৈখালী মাদ্রাসামোড়, মাগুরা পূর্বপাড়া, তালতলাসহ অত্র এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানি অপসারিত হয়ে কাটাখাল দিয়ে বেতনা নদীতে গিয়ে পড়বে।
মৎস্যঘের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতোমধ্যে লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম কড়াভাবে তাগিদ দিয়েছেন। আমরা আলোচনা করে বেশ কিছু ঘেরের বেড়িবাঁধ কেটে পাইপ ও নেট-পাটা দিয়ে পানি সরার পথ তৈরি করেছি। অতি দ্রুত গ্রামে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন সম্ভব হবে।
এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম বলেন, পানি নিষ্কাশনের পথ আটকে যারা ঘের করবে, তাদের ছাড় নেই।

মন্তব্য করুন