বাংলাদেশ, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
admin
১৮ আগস্ট ২০২৪, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

রিমান্ডে নির্যাতন না করতে পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য, ফেরত না দিলে আইনগত ব্যবস্থা

ডেস্ক রিপোর্ট: রিমান্ডের নামে পুলিশের নেওয়া ঘুষ ফেরত চেয়েছেন সাতক্ষীরার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। একই সাথে মোবাইলসহ অন্যান্য ব্যবহার্য জিনিসও ফেরত চেয়েছেন তারা।

অন্যথায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলায় আইনী সহায়তা দেওয়া আইনজীবীরা।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সাতক্ষীরা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা বলেন আইনজীবী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

এসময় অ্যাড. শহীদ হাসান বলেন, তারা ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রদের মামলায় বিনামূল্যে আইনী সহায়তা দিয়েছেন। বিবেক আর মানবতার কল্যাণে তারা এ কাজ করেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় রিমান্ডের নামে প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন সদর থানার তৎকালীন ওসি মহিদুল ইসলাম, তদন্তকারী কর্মকর্তা মোল্যা মো: সেলিমসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

 

অনতিবিলম্বে টাকা ফেরত না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।

এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, সাতক্ষীরার অন্যতম সমন্বয়ক ইমরান হোসেন জানান, তাদের বিরুদ্ধে হওয়া ২টি মামলা এখনো চলমান আছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী অনতিবিলম্বে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা যায়, অন্যতম সমন্বয়ক ইমরান হোসেনের কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা, শাহারুজ্জামানের কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা, কাজী সাকিবের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা, ইব্রাহিম হোসেনের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা ঘুষ নেন পুলিশ পরিদর্শক মোল্যা মো: সেলিম।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি তারেক বিন আব্দুল আজিজ মঈনুল ইসলামের কাছ থেকে নেন ১৪ হাজার টাকা।

সদর থানার ওসি মহিদুল ইসলাম এসএম রোকনুজ্জামানের কাছ থেকে ঘুষ নেন ৩৫ হাজার টাকা। এভাবেই পুলিশ কর্মকর্তারা রিমান্ডে থাকা শিক্ষার্থীদের নির্যাতন থেকে রেহাই দেওয়ার অযুহাতে তাদের অভিভাবকদের কাছ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা ঘুষ নেন।

এছাড়া পুলিশ শিক্ষার্থীদের ব্যবহৃত কমপক্ষে ১০টি এ্যান্ড্রয়েড ফোন কেড়ে নেন।

প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সদর থানায় দুটি মামলা করে পুলিশ। একটি মামলায় আসামি করা হয় ১৮ জনকে ও আরেকটি মামলায় আসামি করা হয় ১৩ জনকে। প্রথম মামলায় ১৩ জনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) মোল্যা মো: সেলিম।

এবিষয়ে পুলিশ সুপার মতিউর রহমান সিদ্দিকী জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১ নভেম্বর সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ শুরু, দিতে হবে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি

১

গোলাপি আভায় জয়া আহসান

২

মুখ ঢেকে তর্ক, লাল কার্ড দেখলেন নেইমার

৩

বড়দলে জাসাসের আনন্দ মিছিল

৪

ফিচার || ছুটির গল্পে মুখর ক্যাম্পাস, ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য

৫

দ্য এডিটরস-এ সংবাদ প্রকাশ: পুলিশি তৎপরতায় বাড়ি ফিরলেন দীপালী রানী

৬

আইনজীবী সমিতির চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র বিতরণ

৭

জলবায়ু পরিবর্তন ও কার্বনের ‘ছয় রঙ’: সংকট ও উত্তরণের পথ || ‎তারিক ইসলাম

৮

শেখ নুরুল হকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের শোক

৯

সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য এবং নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

১০

পানখালী জেলে কল্যাণ সমিতির নির্বাচন: সভাপতি বাশার, সম্পাদক আজিজুল হক

১১

রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার ৩৩তম অভিষেক

১২

আলিপুরে জামায়াতের নির্বাচনী কর্মী সমাবেশ

১৩

বাবার সাথে || আলেয়া মান্নান

১৪

আশাশুনিতে পৈতৃক জমিতে প্রাচীর নির্মাণে বাধা!

১৫

আশাশুনিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃ-ত্যু

১৬

জেলেখালি ভাই ভাই সংঘের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা

১৭

প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব সাতক্ষীরার কমিটি গঠন: মুনিরউদ্দীন সভাপতি, সামাদ সম্পাদক পুনর্নির্বাচিত

১৮

মৌতলা ইউপির ৯নং ওয়ার্ডে মা-ছেলেসহ সম্ভাব্য ১০ প্রার্থী মাঠে

১৯

হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু

২০