
ডেস্ক রিপোর্ট: পানির জন্য বাংলাদেশ একটি বৃষ্টিনির্ভর দেশ। দেশের বার্ষিক মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বর্ষাকালে হয়। কিন্তু এরপরও উপকূলীয় ও প্লাবনপ্রবণ এলাকায় পানি সংকট, লবণাক্ততা, দূষণ এবং আকস্মিক বন্যার মতো চ্যালেঞ্জ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদী ভাঙন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং মিষ্টি পানির উৎস কমে যাচ্ছে। সাতক্ষীরার মতো উপকূলীয় অঞ্চলে এই সমস্যা সবচেয়ে গুরুতর এবং এখানকার কৃষি, জীবিকা ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। এজন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিকে গুরুত্ব দিয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সঙ্গে সংযুক্ত করে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। যথাযথ পানি ব্যবস্থাপনা জলবায়ু সংকট মোকাবেলার হাতিয়ার।
বুধবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ব পানি সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে Participatory Research & Action Network (PRAAN) এবং ActionAid Bangladesh-এর সহযোগিতায় SoDESH আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষাবিদ প্রফেসর আব্দুল হামিদ। স্বদেশ’র নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র দত্তের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সরদার শরিফুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক হারুন বিন হানিফ।
বক্তব্য রাখেন প্রফেসর মোজাম্মেল হক, সাবেক পৌর কাউন্সিলর শেখ শরিফুদ্দৌলা সাগর, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, মিজানুর রহমান, শরিফুল্লাহ কায়সার সুমন, গোলাম সরোয়ার, আমিনা বিলকিস ময়না, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলি নুর খান, সুশীলনের উপপরিচালক জিএম মনিরজ্জামান, মহিলা পরিষদের জ্যোৎস্না দত্ত, আব্দুস সামাদ, আবুজাফর সিদ্দীকি, সাকিবুর রহমান, বারসিকের প্রোগ্রাম অফিসার মাহিদা মিজান, প্রফেসর ইদ্রিস আলী, নারী নেত্রী ফরিদা আকতার, সাংবাদিক জুলফিকার রায়হান, ফারুক রহমান প্রমুখ।
এতে বক্তারা আরো বলেন, পানি জীবন ও উন্নয়নের অপরিহার্য উপাদান। জলবায়ু পরিবর্তন, অতিরিক্ত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন, দূষণ ও লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে সাতক্ষীরার পানিসম্পদ সংকটে পড়েছে। পানি সংরক্ষণে ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করতে হবে।
এর আগে পাবলিক লাইব্রেরির সামনে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন