
ডেস্ক রিপোর্ট: একদিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারো বেড়েছে স্বর্ণের দাম। স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের অলংকারের দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনা কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকেই সারা দেশে এই নতুন মূল্য কার্যকর করা হয়েছে।
এর আগে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ভালো মানের স্বর্ণের ভরিপ্রতি দাম একই পরিমাণ (২ হাজার ১৫৮ টাকা) কমানো হয়েছিল। তবে সেই স্বস্তি ২৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হলো না। আকস্মিক দরবৃদ্ধির ফলে আবারও উচ্চমূল্যে ফিরে গেল দেশের অলংকার বাজার।
বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত করে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে ১৪ আগস্ট সকালে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালংকারের দাম কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা করা হয়েছিল। সে সময় ২১ ক্যারেট ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকায় নেমে এসেছিল।
বাজুস বিজ্ঞপ্তিতে সুস্পষ্ট করে জানিয়েছে, পরবর্তীতে নতুন কোনো নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দর কার্যকর থাকবে। উল্লেখ্য, স্বর্ণালংকারের এই মূল্যের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত করা আছে, ফলে জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে কোনো ভ্যাট আদায় করতে পারবে না। তবে অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট মজুরি যথারীতি প্রযোজ্য হবে।
মন্তব্য করুন