
ডেস্ক রিপোর্ট: ‘জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: জনসম্পদ, সেবা ও নীতি প্রভাবনায় প্রবেশাধিকারের মাধ্যমে সহনশীলতা গঠন’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় নাগরিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার ম্যানগ্রোভ সভাঘরে বেসরকারি সংস্থা উত্তরণের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. দিলারা বেগম।
ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, প্রফেসর মোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক পবিত্র মোহন দাশ, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলিনুর খান বাবুল, নারী নেত্রী ফরিদা আক্তার বিউটি, দলিত পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি গৌর পদ দাশ প্রমুখ।
সভায় তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন জলবায়ু উদ্বাস্তু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্প এর সমন্বয়কারী নাজমা আক্তার।
বক্তারা বলেন, জলবায়ু উদ্বাস্তুরা নানা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। জাতীয় পরিচয়পত্রে গ্রামের পুরোনো ঠিকানা বহাল থাকায় বাস্তুচ্যুত এলাকায় তারা সরকারি বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে তাদের জীবনযাত্রা অনিশ্চিত হয়ে উঠছে এবং প্রতিদিনই নতুন করে বেঁচে থাকার সংগ্রাম করতে হচ্ছে। বক্তাদের মতে, এই সমস্যার সমাধানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয় জরুরি।
তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা শহরের বস্তি গড়ে উঠেছে বহু মানুষের দীর্ঘদিনের সংগ্রাম ও অবদানে। অ্যাড. আব্দুর রহিম, সাইফুল্ললাহ লস্কর, আনিসুর রহিমসহ অনেক মানুষের অবদানে গত ৫০ বছর ধরে বাকালসহ বিভিন্ন এলাকায় জলবায়ু উদ্বাস্ত মানুষ বসবাস করছেন। কিন্তু বৈধ কাগজপত্রের অভাবে তারা এখনও মালিকানা অধিকার থেকে বঞ্চিত। ফলে বারবার উচ্ছেদ অভিযানের শিকার হয়ে তাদের জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ছে।
বক্তারা জলবায়ু উদ্বাস্তু ও শহরের বস্তিবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন, নীতিনির্ধারক ও উন্নয়ন সহযোগীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন