

শ্যামনগর প্রতিনিধি: মুদি দোকানে মালামাল কেনার পর ৫০০ টাকার একটি নোট দিয়ে মূল্য পরিশোধ করেছিল এক কিশোর। নোটটি নিয়ে দোকানির সন্দেহ হলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাকে তল্লাশি করেন। এ সময় তার কাছে একই মূল্যমানের আরও চারটি নোট পাওয়া যায়। পরে পাঁচটি নোটই জাল বলে দাবি করে কিশোরটিকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নের নওয়াবেঁকী বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামের ছেলে শরিফুজ্জামানের মুদি দোকানে এ ঘটনা ঘটে। আটক কিশোরের বয়স ১৫ বছর। তার বাড়ি খুলনার পাইকগাছা এলাকায়।
নওয়াবেঁকী বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি বলেন, ওই কিশোর বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে মালামাল কেনে। পরে টাকা দেওয়ার সময় নোটটি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় তাকে তল্লাশি করা হয়। এ সময় তার কাছে ৫০০ টাকার পাঁচটি নোট পাওয়া যায়। পরে পুলিশকে খবর দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মনিরুজ্জামান মনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের সময় কিশোরটি এর আগে অন্য একটি বাজারে ৬ হাজার টাকার জাল নোট লেনদেনের কথা বলেছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জাল টাকাসহ আটক কিশোর জাল টাকা চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং জাল টাকাসহ তাকে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, জাল নোটগুলো কিশোরটি কোথা থেকে পেয়েছে এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন