বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২ আশ্বিন ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১৫ অক্টোবর ২০২৫, ৯:০১ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় লোকজ জ্ঞান ও অভিযোজন কৌশল সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: Auto; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 150.87881; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপকূলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয়দের লোকজ জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও অভিযোজন কৌশল সম্প্রসারণের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধূমঘাট কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক আয়োজিত ‌‘জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলের লোকায়ত অভিযোজন চর্চা’ বিষয়ক ইউনিয়নভিত্তিক পরিকল্পনা কর্মশালায় তারা এই গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় বারসিক কর্মকর্তা বরষা গাইনের সঞ্চালনায় ও ধূমঘাট কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের প্রতিনিধি অল্পনা রানী মিস্ত্রির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য শ্যামলচন্দ্র মন্ডল ও ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাজীব বাছাড় প্রমুখ।

কর্মশালার শুরুতে জলবায়ু পরিবর্তনে উদ্ভুত সংকট মোকাবেলায় কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা চর্চার গুরুত্ব তুলেন ধরে ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রাজীব বাছাড় বলেন, কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে জলবায়ু সংকট কমানো সম্ভব। কৃষির ভাষায় জৈব সারকে মাটি প্রাণ বলা হয়, যা পরিবেশ ও প্রতিবেশ সুরক্ষিত করে। ফলে মাটি, পানি, বায়ু ও প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষিত থাকে। একই সাথে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের নিশ্চিয়তা তৈরি হয়।

পদ্মপুকুর ইউনিয়নের কৃষক অনিতা রাণী বলেন, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এলাকার কৃষি জমি নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। আবার লোকালয়ে লবণ পানি প্রবেশ করায় মাটি চাষ অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এজন্য টেকসই বেড়িবাঁধ যেমন জরুরী, তেমন কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে অভিযোজন চর্চার সাথে কৃষি প্রণোদনাও জরুরী।

অল্পনা রানী মিস্ত্রি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমরা যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি, সেক্ষেত্রে কৃষিকে বাঁচিয়ে রাখতে লোকায়ত জ্ঞান ও অভিযোজন চর্চার বিকল্প নেই। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের পরিবর্তে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বাস্তুতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে জৈব সার, ভার্মি কম্পোস্ট, গর্ত কম্পোস্ট ও জৈববালাই নাশক ব্যবহার করতে হবে।

জেলেখালী কিশোরী ক্লাবের সদস্য ধৃতিমা মন্ডল বলেন, কৃষকদের গৃহিত উদ্যোগসমূহ বাস্তবায়নে এবং সমস্যা সমাধানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়েও কিছু উদ্যোগ যেমন- উপকরণ সহায়তা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভুঁইফোড় সংবাদমাধ্যমের ফটোকার্ড ও অপপ্রচার রোধে আইনমন্ত্রীর সতর্কবার্তা

সরকারি মাধ্যমিকের সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

ফিলিপাইনে যাত্রীবাহী জাহাজে আগুন, প্রাণহানি বেড়ে ৭৭

৫ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, কমবে তাপমাত্রা

ইউপি ভোটের তারিখে আসছে পরিবর্তন

যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টে বিল পাস, ১০০ শতাংশ রপ্তানি শুল্কের মুখে ভারত

সুদানে স্বর্ণখনি ধসে নিহত ৮২, ধ্বংসস্তূপে বহু শ্রমিক

সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত, না খেলেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

ইন্টার মায়ামিতে মেসির শততম গোল, জিতলেন আরও এক শিরোপা

১০

স্থানীয় ভোট নিয়ে ইসির বৈঠক দুপুরে

১১

ইরানের সঙ্গে সরাসরি কথা হচ্ছে, যুদ্ধ শেষের পথে: ট্রাম্প

১২

রাফিনিয়ার হ্যাটট্রিক, প্রতিপক্ষের জালে বার্সেলোনার ৭ গোল

১৩

এসআরবির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার নির্দেশ

১৪

নেপালের বিপক্ষে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ, চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ

১৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের নবীন বরণ

১৬

তালায় গ্রামীণ সড়কের মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা

১৭

মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির সম্পাদক হেমায়েত বহিষ্কার

১৮

ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশি

১৯

রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করে সৌর বিদ্যুৎ চালুর দাবি

২০
error: Content is protected !!