বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
১৯ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতায় ফারাক: এখনো অনিরাপদ দেশের নারীরা

ডেস্ক রিপোর্ট: নারীর অধিকার, মর্যাদা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রত্যয় সামনে রেখে প্রতি বছর ৮ মার্চ বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। তবে এ দিনটি শুধু উদযাপনের নয়, বরং সমাজ, রাষ্ট্র ও নীতিনির্ধারকদের সামনে নারীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়বদ্ধতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য– ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার।’ অর্থাৎ আজ নেওয়া সিদ্ধান্ত ও নীতিই নির্ধারণ করবে আগামী দিনে নারীরা কতটা নিরাপদ, সম্মানিত ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।প্রতিপাদ্যের এই আশাবাদী আহ্বানের বিপরীতে বাস্তবতার চিত্র অনেকটাই কঠিন। বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও সামাজিক কাঠামোতে নারীরা এখনো তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছেন। অর্থনৈতিক অস্থিরতা, চাকরির অনিশ্চয়তা, সামাজিক বৈষম্য ও আইনি সুরক্ষার সীমাবদ্ধতার কারণে প্রায় সব ক্ষেত্রেই নারীরা বেশি অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকির মুখে পড়েন।

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ও বিভিন্ন গবেষণা বারবারই দেখাচ্ছে, সমতার স্বপ্ন এখনো অনেক দূরের পথ। সেই পথেই প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে এগিয়ে চলছেন দেশের অসংখ্য নারী।

চাকরি সংকটে প্রথম ধাক্কা নারীদের
বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি নারী শ্রমশক্তি হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই শক্তি ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউএন উইমেনের সহযোগিতায় প্রকাশিত ‘জেন্ডারভিত্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের অর্থনীতির অবস্থা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রায় ২১ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। এর মধ্যে ১৮ লাখই নারী, অর্থাৎ চাকরি হারানো মোট মানুষের ৮৫ শতাংশেরও বেশি নারী।

এ সংখ্যা দেশের শ্রমবাজারে গভীর লিঙ্গবৈষম্যের প্রতিফলন। অর্থনৈতিক সংকট বা চাকরি সংকোচনের সময় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাধারণত প্রথমে যাদের ছাঁটাই করা হয়, তাদের বড় অংশই নারী।

কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নারীদের পক্ষে নিজেদের অধিকার রক্ষার মতো শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন বা সংগঠন খুব কমই রয়েছে। ফলে সংকটের সময় তাদের চাকরি টিকিয়ে রাখার সক্ষমতাও কম থাকে না।

জেন্ডার বিশেষজ্ঞ মনজুন নাহার মনে করেন, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নারীর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি।

তিনি বলেন, শ্রমবাজারে যখনই চাপ তৈরি হয় বা অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়, তখন নারী শ্রমিকরা ধীরে ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক খাত থেকে সরে গিয়ে অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজের দিকে ঝুঁকে পড়েন। অনেক ক্ষেত্রে তারা স্বনিয়োজিত ক্ষুদ্র ব্যবসা, গৃহভিত্তিক উৎপাদন বা অনিয়মিত আয়ের কাজের সঙ্গে যুক্ত হন। কিন্তু এসব ক্ষেত্রে আয় সাধারণত কম, কাজের স্থায়িত্ব নেই এবং কোনো ধরনের সামাজিক বা আইনি সুরক্ষাও থাকে না। ফলে নারীরা দীর্ঘসময় কাজ করলেও তাদের শ্রমের যথাযথ মূল্য পাওয়া যায় না।
‘অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের বড় একটি সমস্যা হলো এখানে শ্রমের মূল্য নির্ধারণের কোনো নির্দিষ্ট কাঠামো নেই। অনেক নারী নিজের কাজের প্রকৃত মূল্য সম্পর্কে সচেতন নন। ফলে তারা খুব কম পারিশ্রমিকে কাজ করতে রাজি হয়ে যান এবং অনেক সময় অজান্তেই আত্ম শোষণের শিকার হন।’

উদাহরণ হিসেবে এই জেন্ডার বিশেষজ্ঞ বলেন, অনেক নারী ঘরে বসে পোশাক তৈরি করেন, খাবার বানিয়ে বিক্রি করেন, ছোটোখাটো অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করেন বা বিভিন্ন ধরনের গৃহভিত্তিক উৎপাদনমূলক কাজে যুক্ত থাকেন। এসব কাজ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যানের বাইরে থেকে যায়।

মনজুন নাহার আরও বলেন, এ ধরনের কাজগুলোকে সমাজে প্রায়ই ‘সহায়ক’ বা ‘পারিবারিক কাজ’ হিসেবে দেখা হয়, ফলে এগুলোর যথাযথ অর্থনৈতিক মূল্যায়ন হয় না। এর ফলে নারীর শ্রম অদৃশ্য থেকে যায় এবং তাদের অবদান অনেক সময় স্বীকৃতি পায় না। তার মতে, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যুক্ত নারীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা, ন্যায্য পারিশ্রমিক ও নীতিগত সহায়তা নিশ্চিত করা না গেলে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন টেকসই হবে না।

আঞ্চলিক তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে

নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, নেপালে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ প্রায় ৫০ শতাংশ, ভুটানে প্রায় ৫৮ শতাংশ আর বাংলাদেশে মাত্র ৩৭ শতাংশ। এই পার্থক্য শুধু কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতাই নয়, বরং সামাজিক কাঠামো, শিক্ষার সুযোগ, নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গিরও প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নারীর কর্মসংস্থান কমে গেলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনও ঝুঁকির মুখে পড়বে।

অর্থনীতিতে নারীর অবদান

অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান মনে করেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নারী শ্রমশক্তির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাত, কৃষি, সেবা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ দেশের সামগ্রিক উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্পে নারীদের অংশগ্রহণ দীর্ঘদিন ধরে ৫০ শতাংশেরও বেশি। একইভাবে কৃষি খাতে গ্রামীণ নারীরা বীজ সংরক্ষণ, শাকসবজি চাষ, হাঁস-মুরগি পালন এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, শ্রমবাজারে নারীরা ক্রমেই সংকটের মুখে পড়ছেন।

সেলিম রায়হানের মতে, এটি কেবল উদ্বেগজনকই নয়, বরং শ্রমবাজারে বিদ্যমান লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যের স্পষ্ট প্রকাশ।

অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও সামাজিক সংকট

নারী অধিকার কর্মীরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব নারীদের ওপর সবচেয়ে বেশি পড়ে। বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের পরিচালক শাহনাজ সুমি মনে করেন, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার পাশাপাশি ধনী-দরিদ্র বৈষম্য বাড়ছে এবং সামাজিক সুরক্ষা বলয় দুর্বল হয়ে পড়ছে।

তার মতে, যখন মানুষের মৌলিক চাহিদা যেমন– স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বাধাগ্রস্ত হয়, তখন নারীর ওপর চাপ আরও বাড়ে। পরিবারে অর্থনৈতিক সংকট দেখা দিলে অনেক সময় মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যায়, বাল্যবিয়ে বেড়ে যায় বা নারীরা অনিরাপদ কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হন। একইসঙ্গে বাড়ে নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনাও।

উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধে নারীর কর্মহানি

২০২৫ সালের একটি ঘটনা নারীর কর্মসংস্থানের ঝুঁকির বাস্তব উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়। ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বব্যাপী ইউএসএআইডির কিছু প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। দেশে চলমান ৫৯টি প্রকল্পের মধ্যে ৫৫টি বন্ধ হয়ে যায়, যার ফলে প্রায় ৭০ কোটি মার্কিন ডলারের উন্নয়ন সহায়তা স্থগিত হয়ে যায়। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে কক্সবাজার এলাকায়। সেখানে এসব প্রকল্পে কাজ করা প্রায় ৫০ হাজার মানুষ একসঙ্গে চাকরি হারান, যাদের বড় অংশই নারী।

এই নারীদের অনেকেই ছিলেন কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষা সহকারী বা সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের মাঠকর্মী। চাকরি হারানোর পর তাদের অনেকেই আবার অনিশ্চিত অপ্রাতিষ্ঠানিক কাজে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

নারী শ্রমশক্তির বর্তমান চিত্র

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশে শ্রমশক্তির মধ্যে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ৩৭ শতাংশ। গত এক দশকে এ হার কিছুটা বেড়েছিল, তবে করোনা মহামারির পর থেকে আবার কমতে শুরু করেছে।

বর্তমানে যে সংখ্যক নারী কর্মজীবনে রয়েছেন, তাদের বড় অংশই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে– গার্মেন্টস, কৃষি, গৃহকর্ম, ক্ষুদ্র ব্যবসা বা সেবা খাতে নিয়োজিত। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এসব খাতেই অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের প্রথম ধাক্কা লাগে। ফলে কর্মক্ষেত্রে টিকে থাকার লড়াইয়ে নারীরাই সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হন।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম বলেন, বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নারীরা এখনো প্রান্তিক অবস্থানেই রয়ে গেছেন। উৎপাদন খাত বা শিল্প খাতে যখনই সংকোচন দেখা দেয়, তখন সবার আগে চাকরি হারানোর ঝুঁকিতে পড়েন নারীরাই। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যয় কমানোর জন্য নারী কর্মীদেরই আগে ছাঁটাই করে। এর ফলে কর্মসংস্থানের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নারীরা পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকেন।

তিনি বলেন, শুধু চাকরি হারানোর ঝুঁকিই নয়, কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ থেকে শুরু করে পদোন্নতি, মজুরি ও কর্মপরিবেশ– সব ক্ষেত্রেই নারীরা নানা ধরনের বৈষম্যের মুখোমুখি হন। অনেক নারী দীর্ঘদিন কাজ করার পরও সমান দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় কম মজুরি পান বা নেতৃত্বের পদে যাওয়ার সুযোগ কম পান।

ফওজিয়া মোসলেম আরও বলেন, শ্রমবাজারে নারীর টেকসই অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা, সমমজুরি, মাতৃত্বকালীন সুবিধা ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করা বিপুলসংখ্যক নারী শ্রমিকের জন্যও আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে হবে। নয়তো নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও সমতার লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

সামাজিক কাঠামো ও বৈষম্য

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থায় এখনো শক্তিশালী পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা বিদ্যমান। ফলে কর্মক্ষেত্রে নারীরা নানা ধরনের বৈষম্যের মুখোমুখি হন– কম মজুরি, পদোন্নতিতে বৈষম্য, কর্মস্থলে হয়রানি কিংবা মাতৃত্বজনিত কারণে চাকরি হারানো।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, পরিবারে নারীর কাজকে অর্থনৈতিক কাজ হিসেবে গণ্য করা হয় না। গৃহস্থালির কাজ, সন্তান লালনপালন বা বৃদ্ধদের দেখাশোনা– এসব কাজের কোনো আর্থিক মূল্য ধরা হয় না। অথচ এই কাজগুলো অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিপাদ্যের গুরুত্ব: আজকের পদক্ষেপ

এবারের আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রতিপাদ্য– ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’ বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। যদি নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ, সমমজুরি, সামাজিক সুরক্ষা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে নারী ও কন্যাশিশুরা আরও নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন পাবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এক্ষেত্রে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ জরুরি। এগুলো হলো– নারীর জন্য নিরাপদ ও সমান কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজ করা নারীদের আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, সমমজুরি নিশ্চিত করা; কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, নারীর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে নারীর অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ গত কয়েক দশকে নারীর ক্ষমতায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বেড়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখাচ্ছে, এই অর্জনগুলো এখনো ভঙ্গুর।

অধিকার কর্মীরা বলছেন, নারীর অধিকার ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা শুধু সামাজিক ন্যায়বিচারের বিষয় নয়, এটি অর্থনৈতিক উন্নয়নেরও অপরিহার্য শর্ত। কারণ নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো দেশের উন্নয়ন টেকসই হতে পারে না। তাই আন্তর্জাতিক নারী দিবস শুধু একটি উদযাপন নয়, এটি একটি দায়বদ্ধতার প্রশ্নও তুলে ধরে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এসআরবির নতুন ডিজি ফারুক, শিল্প পুলিশসহ গুরুত্বপূর্ণ বড় পদে রদবদল

১

আক্রমণের শংকা, জাতীয় চার নেতাকে নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রদর্শনী স্থগিত

২

নেতানিয়াহুকে সরিয়ে জাতীয় সরকার গঠনের অঙ্গীকার বিরোধীদের

৩

আইনি অধিকারের মধ্যে কাউকে হত্যা করার অধিকারও আছে পুলিশের: ডা. জাহেদ

৪

দেবহাটায় জামায়াতের কর্মী ও সুধী সমাবেশ

৫

কালিগঞ্জে বাস টার্মিনাল পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

৬

অবৈধ সম্পর্ক আড়াল করতে কেশবপুরে জোড়া খুন, গ্রেপ্তার ২

৭

আশাশুনিতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্পাদকসহ গ্রেপ্তার ৪

৮

বিজিবি-বিএসএফ রিজিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক: সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সহযোগিতার অঙ্গীকার

৯

বনদস্যু সাত্তার বাহিনীর হাতে জিম্মি থাকা ৫ জেলে উদ্ধার

১০

ভোমরা স্থলবন্দর: সম্ভাবনা থমকে আছে যেখানে || গাজী মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ

১১

কালিগঞ্জে ১শ বোতল উইনকেরেক্সসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

১২

সাতক্ষীরায় কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ

১৩

ভোমরা ইমিগ্রেশনে আটক ভারতীয় নাগরিকের মলদ্বার থেকে দেড় কোটি টাকার স্বর্ণের পেস্ট উদ্ধার

১৪

মুন্ডা ও মাহতো জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে কয়রায় অ্যাডভোকেসি

১৫

ঐতিহাসিক জেল হত্যা দিবস আজ

১৬

শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের এমপিও বাতিলের চিন্তা সরকারের

১৭

ইউক্রেনে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে রাশিয়ার বোমা হামলা, নিহত ২৬

১৮

গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আগুন দিয়ে অবরোধ

১৯

গাজীপুরে নিরাপত্তা জোরদারে নেমেছেন ১১ প্লাটুন বিজিবি ও ২৫ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

২০