
ডেস্ক রিপোর্ট: সদ্য ঘোষিত সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের কমিটি প্রত্যাখ্যান করে কলারোয়ায় সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে যুবদল ও ছাত্রদলসহ বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় তারা সদ্য ঘোষিত কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটির ১নং যুগ্ম সম্পাদক মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে সাধারণ সম্পাদক করার দাবি জানান।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকালে সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের কলারোয়া সরকারি কলেজ সংলগ্ন বাস স্ট্যান্ডে রাস্তায় বসে সড়ক অবরোধ ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন তারা।
এ সময় রাস্তার দুই পাশে বাস ট্রাক নসিমন ভ্যান ইজিবাইকসহ শত শত যানবাহন আটকে পড়ে। এতে সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হন।
বিক্ষোভকারী যুবদল কর্মী আলতাফ হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা আবির হোসেন, ফয়সাল হোসেনসহ একাধিক নেতাকর্মী জানান, সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের সদ্য ঘোষিত কমিটিতে মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। যা তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তারা বলেন, মমতাজুল ইসলাম চন্দন দীর্ঘ ১৭ বছর ৪৮টি মামলা খেয়েছে। একাধিকবার জেল খেটেছেন। বিভিন্ন সময়ে হামলার শিকার হয়েছে। কলারোয়াসহ সমগ্র সাতক্ষীরা জেলার আটটি থানায় নেতাকর্মীদের পাশে থেকে তিনি আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাই সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের কমিটিতে মমতাজুল ইসলাম চন্দনকে সাধারণ সম্পাদক না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
এদিকে, মমতাজুল ইসলাম চন্দন ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা অযথা বিক্ষোভ করবেন না, সাধারণ মানুষকে হয়রানি করবেন না, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক যে কমিটি দিয়েছেন সেই কমিটি আমাদের মেনে নিতে হবে। এর বিকল্প কিছু ভাবা যাবে না। পরে তিনি বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীদের সরিয়ে নিয়ে সড়ক উন্মুক্ত করে দেন।
প্রসঙ্গত, ২০ সেপ্টেম্বর বিকালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত পত্রে হাফিজুর রহমান মুকুলকে সভাপতি ও শফিকুল আলম বাবুকে সাধারণ সম্পাদক করে সাতক্ষীরা জেলা যুবদলের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন।
মন্তব্য করুন