বাংলাদেশ, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবনের পথে পথে জীবনের নানা গল্প || সুলতান শাহাজান

oplus_2

২১ অক্টোবর ২০২৬। দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামছিল। সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নীলডুমুর খেয়াঘাট থেকে সুন্দরবনের উদ্দেশে যাত্রা করলাম আমরা। বন বিভাগের অনুমতিপত্রসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা আগেই সম্পন্ন করা হয়েছিল। বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারটি ঘাট ছাড়ে। ঢাকা থেকে আসা কয়েকজন অতিথি, স্থানীয় দুই সংবাদকর্মী ও ট্রলারচালকসহ আমাদের দলে ছিলেন মোট ২০ জন। ২৩ অক্টোবর রাত আটটায় নীলডুমুর খেয়াঘাটে ফিরে শেষ হয় আমাদের এই ভ্রমণ।

এটি শুধু সুন্দরবন ঘুরে দেখার ভ্রমণ ছিল না। নদী, বন আর উপকূলের মানুষের জীবন কাছ থেকে দেখারও সুযোগ হয়েছিল। পথে পথে দেখা মিলেছে জীবিকার জন্য প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল মানুষের, শুনেছি তাঁদের অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের কথা। পাশাপাশি সহযাত্রীদের সঙ্গে কাটানো সময়ও ভ্রমণটিকে দিয়েছে আলাদা মাত্রা।

প্রথম রাত কাটে সুন্দরবনের কলাগাছিয়া এলাকার একটি খালে ট্রলার বেঁধে। পরদিন ভোরে কিছুক্ষণের জন্য লোকালয়ে ফিরতে হয়েছিল আরও দুজন সঙ্গীকে তুলে নিতে এবং শুকনো খাবার সংগ্রহ করতে। গন্তব্য ছিল দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা। ভোরের আলো পুরোপুরি ফোটার আগেই সেখানে পৌঁছে চোখে পড়ল উপকূলের মানুষের প্রতিদিনের জীবনসংগ্রামের পরিচিত অথচ গভীর কিছু দৃশ্য।

কয়েকটি ছোট নৌকা ধীরে ধীরে ঘাট ছেড়ে যাচ্ছিল। একটি নৌকায় সুন্দরবনে মাছ ধরতে যাচ্ছিলেন জেলে আবু মুসা। তাঁর সঙ্গে কথা হলো। নৌকার হালে বসা মানুষটি জানালেন, সুন্দরবনের নদী-খালে জাল ফেলে কত মাছ পাওয়া যাবে, তার নিশ্চয়তা নেই। তবে তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা, সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরতে পারা।

এই সামান্য প্রত্যাশার আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর উদ্বেগ। আবু মুসার মনে বনদস্যুর আতঙ্ক। বাঘসহ বন্য প্রাণীর আক্রমণের শঙ্কা থাকলেও বনদস্যুদের ভয়ও তাঁদের প্রতিদিনের সঙ্গী। খালের বাঁকে কিংবা ঘন বনের আড়ালে কখন কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, সেই অনিশ্চয়তা নিয়েই তাঁরা মাছ ও কাঁকড়া ধরতে বনে যান। সুন্দরবন তাঁদের জীবিকার অন্যতম অবলম্বন। অথচ সেই বনে প্রবেশের প্রতিটি যাত্রায় নিরাপদে ফিরে আসার চিন্তা জড়িয়ে থাকে। যাঁরা ঘরে অপেক্ষা করেন, তাঁদের দুশ্চিন্তাও কাটে না প্রিয়জন ফিরে না আসা পর্যন্ত।

গাবুরার ঘাট থেকে বেড়িবাঁধ পেরিয়ে কিছুটা সামনে শুকনো খাবার কিনতে বের হয়েছিলাম। পথে দেখা হলো স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন সানার সঙ্গে। ঘেরের পাড়ে দাঁড়িয়ে লবণাক্ত মাটি হাতে নিয়ে দেখছিলেন তিনি। একসময় এই জমিতে ধান চাষ করতেন। কিন্তু মাটির লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো ফসল ফলাতে পারছেন না। চিংড়ির ঘেরেও আশানুরূপ উৎপাদন নেই। কৃষি ও মৎস্য, জীবিকার দুই প্রধান অবলম্বনেই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আক্ষেপ করে আবুল হোসেন বললেন, ‘আইলার পর থেকে আমাগা (আমাদের) গাবুরার মানুষের দুর্দশার আর শেষ নি (নেই)। আইলা আমাগা (আমাদের) একবারে শেষ কুরে (করে) দে (দিয়ে) গে (গেছে)।’

তাঁর কথায় উঠে এল ঘূর্ণিঝড় আইলার পর থেকে টিকে থাকার নানা গল্প। উপকূলের মানুষের কাছে দুর্যোগের ক্ষতি শুধু একটি দিনের ঘটনা নয়। তার প্রভাব থেকে যায় জমিতে, জীবিকায়, বসতিতে এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনায়।

সঙ্গীদের আসতে দেরি হওয়ায় আশপাশের কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখার সুযোগ হয়েছিল। সকাল সাড়ে আটটার দিকে বেড়িবাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে দেখা হলো একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সঙ্গে।

তাঁর সঙ্গে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখলাম, তিনি দ্বিতীয় শ্রেণির শ্রেণিকক্ষের তালা খুলছেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে এসে বসবে শিশুরা। এই শিশুদের কারও পরিবার ঘূর্ণিঝড় আইলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আবার কারও পরিবারকে মোকাবিলা করতে হয়েছে আম্ফানসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি। দুর্যোগের ক্ষত বুকে নিয়েও তারা বিদ্যালয়ে আসে। শিক্ষকও প্রতিদিনের মতো খুলে দেন শ্রেণিকক্ষের দরজা। প্রতিকূলতার মধ্যেও এভাবেই গাবুরায় বেঁচে আছে আগামীর স্বপ্ন।

নদীতে মাছ ধরতে যাওয়া জেলে, লবণাক্ত মাটির দিকে তাকিয়ে থাকা কৃষিজীবী আর বিদ্যালয়ের দরজা খুলতে আসা শিক্ষক, তিনটি দৃশ্য যেন একই জনপদের তিনটি বাস্তবতা তুলে ধরে। এখানে জীবিকার অনিশ্চয়তা আছে, প্রকৃতির সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই আছে; পাশাপাশি আছে জীবনকে এগিয়ে নেওয়ার নিরন্তর চেষ্টা।

গাবুরার সেই দৃষ্টিনন্দন এলাকা থেকে দুই সঙ্গীকে ট্রলারে তুলে নিয়ে আবার যাত্রা শুরু হলো। এবার গন্তব্য সুন্দরবনের দোবেকী বন টহল ফাঁড়ি। নদী ও খালের পথ ধরে ট্রলার এগিয়ে চলেছে। এরই মধ্যে ট্রলারে তৈরি হলো সকালের নাস্তা, সবজি খিচুড়ি ও ডিম।

রান্নার আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন সহযাত্রীরা। ঢাকা থেকে আসা ফয়সল ভাই, আমাদের প্রিয় সুমন ভাইসহ অন্যরা ছিলেন এই আয়োজনে। আর ছিলেন লোকমান ভাই, যাঁর হাসি-ঠাট্টা অল্প সময়ের মধ্যেই ট্রলারের সবাইকে প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। তাঁর হাতে রান্না করা সবজি খিচুড়ি সবাই মিলে ভাগ করে খেলাম।

সুন্দরবনের নদীপথে এমন একসঙ্গে খাওয়ার অভিজ্ঞতা ভ্রমণে অন্য রকম আনন্দ যোগ করেছিল। চারদিকে নদী আর বন, মাঝখানে চলন্ত ট্রলার; আর তার ভেতরে পরিচিত-অপরিচিত মানুষের আন্তরিকতা। ভ্রমণের আনন্দ যে শুধু গন্তব্যে পৌঁছানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এমন মুহূর্তগুলো তা মনে করিয়ে দেয়।

যাত্রাপথে আরও অনেক জেলের দেখা মিলল। কেউ নদীতে মাছ ধরছিলেন, কেউ কাঁকড়া আহরণে ব্যস্ত। তাঁদের প্রত্যেকের জীবিকার সঙ্গে জড়িয়ে আছে সুন্দরবন। আবার তাঁদের কথাবার্তা ও চলাফেরার মধ্যে বনদস্যুর ভয়ও যেন অদৃশ্য ছায়ার মতো উপস্থিত। বনজীবীদের জন্য সুন্দরবন একই সঙ্গে জীবিকার জায়গা, আবার অনিশ্চয়তা ও ঝুঁকিরও জায়গা।

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আমরা পৌঁছালাম দোবেকী বন টহল ফাঁড়িতে। সেখানে বন বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত টহল ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুব ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হলো। তিনি আমাদের ফাঁড়ির আশপাশের এলাকা ঘুরিয়ে দেখালেন।

সুন্দরবনের ভেতরে বন বিভাগের এই ফাঁড়িতে কিছু সময় কাটিয়ে বনের পরিবেশ কাছ থেকে দেখার সুযোগ হলো। চারপাশের নদী, গাছপালা আর নির্জনতা লোকালয়ের ব্যস্ততা থেকে একেবারেই আলাদা। প্রকৃতির এমন পরিবেশে দাঁড়িয়ে সুন্দরবনের বিশালতা যেমন অনুভব করা যায়, তেমনি এই বনের ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবন ও জীবিকার গুরুত্বও নতুন করে উপলব্ধি করা যায়।

সেখানে আমাদের ভ্রমণের অন্যতম আনন্দের মুহূর্ত ছিল একটি পুকুরে গোসল করা। সুন্দরবনের মধ্যে থাকা পুকুরটির পানিতে নেমে সবাই তৃপ্তি করে গোসল করলাম। দীর্ঘ সময় ট্রলারে চলার পর এমন সুযোগ যেন শরীর ও মনে স্বস্তি এনে দিল। পুকুরের পানিতে গোসল, সহযাত্রীদের হাসি-আড্ডা আর কিছুক্ষণের বিশ্রাম, সব মিলিয়ে দোবেকীতে কাটানো সময়টি হয়ে থাকল ভ্রমণের স্মরণীয় অংশ।

এর মধ্যে কয়েকজন সহযাত্রী ট্রলারে দুপুরের খাবার রান্নার কাজও এগিয়ে নিচ্ছিলেন। বনের ভেতরে অবস্থান করেও নিজেদের খাবারের আয়োজন, সবার অংশগ্রহণ এবং পরস্পরের সহযোগিতা ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তুলেছিল।

দুপুরের পর দোবেকী বন টহল ফাঁড়ির ঘাট থেকে আবার যাত্রা শুরু হলো। ট্রলার চলতে শুরু করলে দুপুরের খাবারের আয়োজনও সম্পন্ন হয়। সবাই একসঙ্গে বসে খাওয়াদাওয়া করলাম। দীর্ঘ নদীপথে চলার সময় এই সম্মিলিত আয়োজন ভ্রমণের ক্লান্তি অনেকটাই ভুলিয়ে দিয়েছিল।

বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতে নামতে আমরা কলাগাছিয়া এলাকায় পৌঁছালাম। সেখানে কিছুক্ষণ বিরতি নেওয়া হলো। নদীর বুকে দিনের আলো কমে আসছিল। চারপাশের বন ধীরে ধীরে সন্ধ্যার অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছিল। প্রায় এক ঘণ্টার বিরতির পর আবার যাত্রা শুরু হলো নীলডুমুর খেয়াঘাটের উদ্দেশে। রাত আটটার দিকে নীলডুমুর খেয়াঘাটে পৌঁছাল আমাদের ট্রলার। এখানেই শেষ হলো ২১ অক্টোবর শুরু হওয়া সুন্দরবন ভ্রমণ।

এই যাত্রায় সুন্দরবনের নদী-খাল, বন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখেছি। সহযাত্রীদের সঙ্গে কাটানো আনন্দঘন মুহূর্তও মনে রাখার মতো। তবে সবচেয়ে বেশি মনে গেঁথে আছে গাবুরার মানুষের জীবনসংগ্রাম এবং বনের ওপর নির্ভরশীল জেলেদের নিরাপত্তাহীনতার কথা।

একদিকে আবু মুসার মতো জেলেরা জীবিকার আশায় নদীতে নামেন, অন্যদিকে আবুল হোসেন সানার মতো মানুষ লবণাক্ত জমিতে আগের মতো ফসল ফলাতে না পেরে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হন। আবার এসব প্রতিকূলতার মধ্যেই বিদ্যালয়ের দরজা খুলে শিশুদের জন্য অপেক্ষা করেন শিক্ষক। এই দৃশ্যগুলো মনে করিয়ে দেয়, উপকূলের জীবনকে শুধু দুর্যোগের পরিসংখ্যান দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়। মানুষের অভিজ্ঞতা, জীবিকার সংকট, নিরাপত্তার উদ্বেগ ও টিকে থাকার চেষ্টাও সেই বাস্তবতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে ফিরে এসে মনে হয়েছে, বনকে দেখতে হলে শুধু তার সৌন্দর্যের দিকে তাকালেই হয় না; দেখতে হয় বনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা মানুষের জীবনও। নদী ও বনের ওপর নির্ভরশীল মানুষ কীভাবে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, লবণাক্ততার সঙ্গে লড়াই করে কীভাবে টিকে থাকেন, আর প্রতিকূলতার মধ্যেও কীভাবে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন, এসব বুঝতে তাঁদের কাছে যেতে হয়, তাঁদের কথা শুনতে হয়।

২৩ অক্টোবর রাত আটটায় নীলডুমুরে ফিরে আমাদের ভ্রমণ শেষ হয়। কিন্তু সুন্দরবনের নদীপথে দেখা মানুষগুলোর কথা, গাবুরার লবণাক্ত মাটি, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের খোলা দরজা আর দোবেকীর পুকুরে কাটানো সময়, সব মিলিয়ে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়ে গেল মনে। সুন্দরবন তখন আর শুধু মানচিত্রের একটি বনাঞ্চল নয়; হয়ে উঠল প্রকৃতি, জীবিকা, অনিশ্চয়তা ও মানুষের বেঁচে থাকার গল্পে গড়ে ওঠা এক জীবন্ত জনপদ।

লেখক: শ্যামনগর প্রতিনিধি, দ্য এডিটরস

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুন্দরবনের পথে পথে জীবনের নানা গল্প || সুলতান শাহাজান

১

মানবেতর জীবন কাটছে বৃদ্ধ সাকাত-আনোয়ারা দম্পতির

২

ভারতীয় গোয়েন্দার সাথে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক, দাবি রাশেদ খাঁনের

৩

সাতক্ষীরায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড

৪

ক্রস যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি এলাও করে, সেটাই করবো: আইজিপি

৫

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবে রূপ নিয়েছে গভীর নিম্নচাপটি

৬

চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

৭

সাতক্ষীরায় নগর দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন: বস্তিবাসীকে পরিকল্পিত আবাসনের আওতায় আনার দাবি

৮

শ্যামনগরে নিখোঁজের ৪ দিন পর ধানক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

৯

১ নভেম্বর সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ শুরু, দিতে হবে পরিবেশ সংরক্ষণ ফি

১০

গোলাপি আভায় জয়া আহসান

১১

মুখ ঢেকে তর্ক, লাল কার্ড দেখলেন নেইমার

১২

বড়দলে জাসাসের আনন্দ মিছিল

১৩

ফিচার || ছুটির গল্পে মুখর ক্যাম্পাস, ফিরেছে প্রাণচাঞ্চল্য

১৪

দ্য এডিটরস-এ সংবাদ প্রকাশ: পুলিশি তৎপরতায় বাড়ি ফিরলেন দীপালী রানী

১৫

আইনজীবী সমিতির চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র বিতরণ

১৬

জলবায়ু পরিবর্তন ও কার্বনের ‘ছয় রঙ’: সংকট ও উত্তরণের পথ || ‎তারিক ইসলাম

১৭

শেখ নুরুল হকের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের শোক

১৮

সাংবাদিকদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য এবং নেত্রকোনায় সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

১৯

পানখালী জেলে কল্যাণ সমিতির নির্বাচন: সভাপতি বাশার, সম্পাদক আজিজুল হক

২০