
আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার নওয়াপাড়ায় বেতনা নদী খননের মাটি বিক্রির ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু।
বুধবার সকালে তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে মাটি বিক্রির বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
তবে পরিদর্শনের সময় মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত কোনো ট্রলি সেখানে পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের দাবি, ইউএনওর আগমনের খবর পেয়ে ট্রলিগুলো আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে ইউএনও স্থানীয়দের উদ্দেশে বলেন, পরবর্তীতে কেউ মাটি কাটলে বা বিক্রির উদ্দেশ্যে সরিয়ে নিলে তাঁকে অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে মাটি কাটা ও পরিবহনের বিষয়ে নজরদারির দায়িত্ব বুধহাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের ওপর অর্পণ করেন।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর পাড় থেকে মাটি কেটে নেওয়ায় বাঁধ দুর্বল হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি ওয়াপদার রাস্তা, নওয়াপাড়া পুরাতন খেয়াঘাটের ইটের রাস্তা এবং মহেশ্বরকাটি-চাপড়া গ্রামীণ সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন অব্যাহত থাকলে এলাকার সড়ক ও নদীর পাড় আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
স্থানীয়রা নদীর পাড়, বাঁধ ও সরকারি সড়ক রক্ষায় মাটি কাটা ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ সময় আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এস কে হাসান, সাংবাদিক ইয়াসিন আরাফাত ড্যানিস, বুধহাটা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, পুলিশের এএসআই আব্দুল হান্নানসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন