বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
admin
২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

আশাশুনিতে মরিচ্চাপ নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন

ডেস্ক রিপোর্ট: আশাশুনি উপজেলা সদরের মানিকখালী চর গ্রামে মরিচ্চাপ নদীর বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে চার শতাধিক পরিবার।

চর গ্রামের জামে মসজিদ সংলগ্ন প্রায় ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ সংস্কারে এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সোমবার সকালে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল কুদ্দুস, সদর ইউনিয়নের আমীর হাফেজ আব্দুল্লাহ, রোকন বাবলুর রহমান, জামায়াত নেতা হযরত আলী সরদার, আমীর হামজা খোকন, জিয়াউল হক প্রমুখ।

স্থানীয় জামায়াত নেতা আমীর হামজা খোকন বলেন, মরিচ্চাপ নদী খননের জন্য ভাঙনস্থলে আড়াআড়ি বাঁধ নির্মাণ করা হয়। চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ শেষ না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা হয়ে যায়। পানি সরবরাহ না থাকায় বিগত দু’বছর ধরে লোনাপানির জন্য বুধহাটা, আশাশুনি ও শোভনালী ইউনিয়নের চিংড়ি চাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত। তাই কয়েক মাস আগে স্থানীয় লোকজন উক্ত বাঁধ কেটে দিয়ে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেন। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ কাটার কারণে জোয়ার ভাটার সময় বাঁধ এলাকায় প্রায় ২০০ ফুট বেড়িবাঁধ ভাঙনের কবলে পড়েছে।

স্থানীয় শ্রমিক রেজাউল ইসলাম বলেন, চরভরাটি এ এলাকাটি আশাশুনি সদরে হলেও এর অনেকাংশ বুধহাটা ইউনিয়নের জমি।

বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু ভাঙন রোধে একটি রিং বাঁধ নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। অনতিবিলম্বে ভাঙন এলাকায় টেঁকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা না হলে আমাদের প্রায় ৪শ পরিবার ভেসে যাব।

আশাশুনি উপজেলা জামায়াতের আমীর আবু মুছা তারিকুজ্জামান তুষার ঘটনাস্থলে উপস্থিত আতঙ্কিত শতশত নারী-পুরুষের উদ্দেশ্যে বলেন, মরিচ্চাপ নদীর এ বাঁধটি ভেঙে গেলে চাপড়া ও আশাশুনি মৌজার ৪শ ভূমিহীন পরিবার প্লাবিত হয়ে গৃহহীন হয়ে পড়বে। বাঁধটি এতোটাই গুরুত্বপূর্ণ যে মানিকখালী ভূমিহীন পল্লী ভাসিয়ে উপজেলা পরিষদ আক্রান্ত হতে পারে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কর্মকর্তারা তৎপর না হলে নদী ভাঙনে চরের ভূমিহীন পল্লীসহ উপজেলা সদরের নকশা বদলে যাবে। উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায়কে অবহিত করা হয়েছে। তিনি সরজমিন পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবেন বলে জানিয়েছেন।

অনতিবিলম্বে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ভূমিহীন পল্লীর বাসিন্দারা।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর পদত্যাগ

ব্যর্থতা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু প্রতারণা নয়: শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে শচীন

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক

মধ্যরাতে ভিডিও বার্তায় আন্দোলনকারীদের যা বললেন মোদী

আসামে ভয়াবহ বন্যায় ৪৭ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৭ লাখ

আশেক ই এলাহীর স্ত্রীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

বেনাপোলে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানিকৃত ১২ কার্টন ইলিশ জব্দ

কেশবপুরে চেতনানাশক ছিটিয়ে টাকা ও স্বর্ণালংকার চুরি

ফারজানার বাড়িতে এমপি রবিউল বাশার

আশেক ই এলাহীর স্ত্রীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির শোক

১০

তালা প্রেসক্লাবের শোক

১১

মাদকসেবী ও বখাটেদের আইনের আওতায় আনতে হবে: ডিসি কাউসার আজিজ

১২

গাজী নজরুল কাণ্ডে বেকায়দায় জামায়াত

১৩

হোটেল রাজ পানসি ও সোনারগাঁওকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

১৪

ঝাউডাঙ্গা কলেজে হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে সংবর্ধনা

১৫

সম্পাদক পত্নীর মৃত্যুতে দৈনিক দক্ষিণের মশাল পরিবারের শোক

১৬

প্রথমবার ভেনিস উৎসবে বাংলাদেশের সিনেমা

১৭

শ্যামনগরে বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিক্ষার্থী আহত

১৮

সফর সংক্ষিপ্ত করে কাল দেশে ফিরছেন স্পিকার

১৯

হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু

২০
error: Content is protected !!