
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, মাদক ও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত কোনো ব্যক্তি বা চক্রকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক ব্যবসায়ী, কারবারী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা আরও জোরদার করা হবে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় খুলনার কয়রা থানা আয়োজিত সুধি সমাবেশ ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
পুলিশ সুপার বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকেই নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। কেউ মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো ধরনের প্রভাব বা সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না।
বনদস্যু নির্মুলসহ কয়রার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, স্থানীয় অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করলে সকল অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হবে। এলাকায় মাদক বিক্রি বা সেবনের কোনো তথ্য থাকলে তা দ্রুত পুলিশকে জানান। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সহকারী পুলিশ সুপার ডি-সার্কেল মোঃ আমির হামজা।
কয়রা থানার এস আই মোঃ সোহাইলের পরিচালনায় আরো বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার জিএম মাওলা বকস, সাংবাদিক মোঃ শরিফুল আলম, শেখ হারুন অর রশিদ, মোহাঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ রিয়াছাদ আলী, শেখ মনিরুজ্জামান মনু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা শেখ সাইফুল্লাহ আজাদ, কপোতাক্ষ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ওলিউল্যাহ, বিএনপি নেতা এফ এম মনিরুজ্জামান মনি, শেখ সিরাজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, নাজমুল হুদা, আঃ গফফার, জামায়াত নেতা মাওলানা আবু তাহের, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ সালাউদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ডিএম হেলাল উদ্দিন, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা দিলিপ কুমার বৈরাগী, ব্যবসায়ী মোঃ রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন