
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি:খুলনার কয়রা উপজেলার এম এম দারুছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ফলে প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।
এদিকে উপজেলার কয়রা আছিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করেন মাত্র ১ জন। পাসের হার ৪.৩৫%
উপজেলার ঐতিহবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কয়রা উত্তরচক আমিনিয়া বহুমুখী কামিল মাদ্রাসা থেকে ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও পাস করেন ৪জন। পাসের হার ১৩.৭৯%।
কালনা আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে ৫৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও পাস করেন মাত্র ১৭ জন। পাসের হার ২৯.৮২%।
হাতিয়ার ডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৫জন শিক্ষার্থীর মধ্য পাস করেছেন মাত্র ১জন ও চান্নিরচক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্য পাস করেন মাত্র ৩জন শিক্ষার্থী।
এদিকে, শতভাগ অকৃতকার্যের ঘটনায় এম এম দারুছুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার মান, পাঠদান কার্যক্রম ও সার্বিক একাডেমিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় একাধিক অভিভাবক ও সচেতন মহল বলছেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ না হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তবে ফলাফল বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ জানতে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি। প্রতিষ্ঠানের প্রাধানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ হয়নি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন,
একটি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস না করেনি আরো একটি প্রতিষ্ঠানের মাত্র ১জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ফলাফল পর্যালোচনা করে কোথায় কী ধরনের সমস্যা রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হবে।
মন্তব্য করুন