
ডেস্ক রিপোর্ট: দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গ্যাস, বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে জাতীয় সংসদে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি ৭১) এর ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে রুমিন ফারহানা এ প্রতিক্রিয়া জানান।
এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে এই সরকারের প্রথম তিনটি কাজের একটি ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দুই নম্বরে ছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং তিন নম্বরে হলো জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গেলে মুশকিল হচ্ছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন, তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন; আর না হলে বাকচাতুর্য দিয়ে পুরো বিষয়টিকে ঢেকে দিতে চান। কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে জানা যায়, বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন, ৬৪টা জেলায় ৬৪ জন আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হতো না।
বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এতই ভালো অবস্থা!
রুমিন ফারহানা বলেন, আর জ্বালানি নিয়ে আর কী বলব। তেল আর গ্যাসের, গ্যাস আর বিদ্যুতের ব্যাপারে মানুষ বলে, দুষ্টু লোকে বলে অবশ্য, ভালো লোক না— ‘টুকু আসে, টুকু যায়’।
এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।
তিনি বলেন, এইবার আসি যখন তেলের দাম বাড়ে, যখন বিদ্যুতে হাহাকার এবং যখন গ্যাস পাওয়া যায় না, তখন এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে সরকার যেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্বাচনে, সেই সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যে ৬২ হাজার লোক তাদের চাকরি হারিয়েছে। আর ৯০০-এর ওপরে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সুতরাং নতুন আর কর্মসংস্থান কী তৈরি হবে? যারা আছেন, চাকরি করছেন তাদের চাকরিও আর কতদিন থাকে আল্লাহ মাবুদই জানে।
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, বাজারে যখন মানুষ যায়, ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নাই। ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। চালের দাম, বিশেষ করে মিনিকেট যেই চাল, বলা হয় এটা নাকি খায় না, তারপরেও তো কেউ কেউ খায়। যখন দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং যখন আমরা টিসিবির লাইন দেখি।
মন্তব্য করুন