
ডেস্ক রিপোর্ট: আফগানিস্তানের বিপক্ষে আবুধাবি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে চালকের আসনে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পাওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে আরও বড় লিডের ভিত গড়েছে স্বাগতিকরা।
দুজনই তুলে নিয়েছেন অর্ধশতক, ছিলেন সেঞ্চুরির কাছাকাছি। তবে দিনের শেষ দিকে শান্ত ৮২ ও মুশফিক ৮১ রানে ফিরলে তিন অঙ্ক ছোঁয়ার আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।
দিন শেষে ৬ উইকেটে ২২৩ রান তুলেছে বাংলাদেশ, সব মিলিয়ে লিড এখন ৩২৯ রানের।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩৪৬ রানের জবাবে ২৪০ রানে গুটিয়ে যায় আফগানিস্তান।
একসময় ভালো অবস্থানে থাকলেও শেষ ছয় উইকেট মাত্র ২১ রানে হারায় তারা। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে একাই লড়াই চালিয়ে যান রহমত শাহ।
দারুণ ব্যাটিংয়ে তুলে নেন সেঞ্চুরি। তবে অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি সফরকারীরা।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন হাসান মাহমুদ। হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ উইকেট নিয়ে আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি। চার উইকেট নিয়ে তাকে দারুণ সঙ্গ দেন ইবাদত হোসেন। তাতে প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের লিড পায় বাংলাদেশ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি স্বাগতিকদের। ৫৩ রানেই সাজঘরে ফেরেন তিন ব্যাটার। সাদমান ইসলাম ১৩, মুমিনুল হক ৭ এবং তানজিদ হাসান তামিম ৩১ রান করে আউট হন।
সেখান থেকে চতুর্থ উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন শান্ত ও মুশফিক। ধৈর্য ও আগ্রাসনের দারুণ সমন্বয়ে দুজন মিলে গড়েন ১৫৯ রানের জুটি। নিয়মিত রান তোলার পাশাপাশি দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। তবে সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউ।
১৯১ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে ৮২ রান করেন অধিনায়ক শান্ত। অন্যদিকে মুশফিক ১৪৮ বলে নয়টি চারে করেন ৮১ রান। মুশফিক কিছুটা সহজভাবে উইকেট হারালেও শান্তকে ফিরিয়ে দেন কায়েস আহমেদ, তার ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন বাংলাদেশ অধিনায়ক।
শান্ত-মুশফিকের বিদায়ের পর হাসান মাহমুদও ফেরেন ১ রানে। তার বিদায়ের পর এক বল হতেই দিনের খেলা শেষ হয়। দিন শেষে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ ক্রিজে আছেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে শান্ত-মুশফিকের সেঞ্চুরি হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপ থাকলেও ম্যাচে সুবিধাজনক অবস্থানে বাংলাদেশ। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে উইকেটের আচরণও বদলাচ্ছে। চতুর্থ দিনে বাকি ব্যাটাররা লিড আরও বাড়াতে পারলে আফগানিস্তানের সামনে কঠিন লক্ষ্য দাঁড় করানোর সুযোগ থাকবে স্বাগতিকদের।
মন্তব্য করুন