বাংলাদেশ, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬
২৫ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১১ নভেম্বর ২০২৫, ১:১৭ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের রায় ২০ নভেম্বর

ডেস্ক রিপোর্ট: তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ১০ দিনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ রায়ের জন্য আগামী ২০ নভেম্বর দিন রেখেছেন।

এর আগে গত ২১, ২২, ২৩, ২৮, ২৯ অক্টোবর, ২, ৪, ৫ ও ৬ নভেম্বর শুনানি হয়। এ ৯ দিনে ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ জনের পক্ষে আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া, ইন্টারভেনার হিসেবে আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোফাজ্জল হোসেনের পক্ষে আইনজীবী এস এম শাহরিয়ার এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, রুহুল কুদ্দুস ও রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো আসাদুজ্জামান।

এর আগে ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারী পক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন- তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ ছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

পরে নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছর একটি আবেদন করেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শ্যামনগরে জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

১

৩৯ বছর বয়সে মেসির নতুন ইতিহাস, আবারও জিতলেন গোল্ডেন বুট

২

মালয়েশিয়ায় চাকরির জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০০ জন নির্বাচিত

৩

তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলা

৪

মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী: বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণের নিভৃতচারী কারিগর || ‎তারিক ইসলাম

৫

কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি বৃদ্ধিতে আলোচনা

৬

সুন্দরবনে সক্রিয় ১২ দস্যু বাহিনী, সামনে এলো গাবুরার আমির ও দাতিনাখালীর আলমের নাম

৭

পাইকগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

৮

দেবহাটায় জামায়াতের রুকন সম্মেলন

৯

তালায় জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

১০

মালদ্বীপকে উড়িয়ে সেমির আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান

১১

ডেঙ্গুতে তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন রোগী ২৩৩৩

১২

সাতক্ষীরায় অ্যারাইজ ২২৪১ ধানের মাঠ দিবস

১৩

পরীমনির কর্মকাণ্ড শিল্পী সমাজের জন্য কলঙ্ক: রিনা খান

১৪

সাতক্ষীরায় ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত

১৫

সুন্দরবনে মুক্তিপণের দাবিতে ১১ জেলেকে অপহরণের অভিযোগ

১৬

প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণে প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইউনিয়ন পরিষদ

১৭

কাবার সামনে দাঁড়িয়ে ‘বিয়ের’ খবর দিলেন নাজনীন নীহা!

১৮

দেশে গ/ণ/পি/টু/নিতে অক্টোবরে প্রা/ণ গেল ৩২ জনের

১৯

প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন: ইসি

২০