
ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে মালদ্বীপের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না তাদের সামনে।
এমন বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নিজেদের খোলস ছেড়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠল তারা। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের ঝড়েই মালদ্বীপকে পুরোপুরি এলোমেলো করে দিল পাকিস্তান।
৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে শেষ চারের পথে বেশ ভালোভাবেই টিকে রইল দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই মালদ্বীপের রক্ষণে আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে পাকিস্তান।
তাদের এই আগ্রাসী ফুটবলের সামনে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে দ্বীপ দেশটির ফুটবলাররা। ঘড়ির কাঁটায় তখন মাত্র দুই মিনিট পেরিয়েছে।
নিজেদের ডি-বক্সে মিকাইল অরুণ আব্দুল্লাহকে ফাউল করে বসেন মালদ্বীপের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ নাঈম। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাতে ভুল করেননি। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করে চতুর্থ মিনিটেই পাকিস্তানকে আনন্দে ভাসান আব্দুল্লাহ। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবারও পিছিয়ে পড়ে মালদ্বীপ। নবম মিনিটে বক্সের প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নাজিব উল্লাহ।
দুই গোল খেয়ে খেই হারিয়ে ফেলা মালদ্বীপের রক্ষণভাগ এরপর আরও বড় ভুল করে বসে। ম্যাচের ২৪ মিনিটের মাথায় মালদ্বীপের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আমদান আলীর এক ভুলের সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান দারুণ ছন্দে থাকা নাজিব উল্লাহ। দূরপাল্লার এক চমৎকার কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় আর দলের তৃতীয় গোলটি আদায় করে নেন তিনি। প্রথমার্ধেই তিন গোলের বিশাল লিড নিয়ে একরকম ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে পাকিস্তান।
বিরতির পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া মালদ্বীপ এক ধাক্কায় তিনটি পরিবর্তন আনে। তারকা ফরোয়ার্ড আলী ফাসির, হুসাইন সিফাউ ও নিশাম রশিদকে নামিয়েও অবশ্য গোলের দেখা পায়নি তারা। ৫২ মিনিটে ফেদু ইব্বের একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৬ মিনিটে মোহাম্মদ নাঈমের নেওয়া নিচু শটটি দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়ে নিজের জালের পবিত্রতা রক্ষা করেন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ইউসুফ ইয়াজ বাট। পরের মিনিটে মালদ্বীপ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। উল্টো ৭১ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা শায়ক দোস্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে পাকিস্তানের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। ভারতের বিপক্ষে ৩-২ গোলের আক্ষেপ মুছে এই জয়ে দুই ম্যাচ শেষে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ফিরেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মালদ্বীপ আগামী ১১ নভেম্বর তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে শক্তিশালী ভারতের।মালদ্বীপকে উড়িয়ে সেমির আশা বাঁচিয়ে রাখল পাকিস্তান
ভারতের কাছে প্রথম ম্যাচে হেরে খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল পাকিস্তান। সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে মালদ্বীপের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না তাদের সামনে।
এমন বাঁচা-মরার লড়াইয়ে নিজেদের খোলস ছেড়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠল তারা। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের ঝড়েই মালদ্বীপকে পুরোপুরি এলোমেলো করে দিল পাকিস্তান।
৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে শেষ চারের পথে বেশ ভালোভাবেই টিকে রইল দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই মালদ্বীপের রক্ষণে আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে পাকিস্তান।
তাদের এই আগ্রাসী ফুটবলের সামনে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে দ্বীপ দেশটির ফুটবলাররা। ঘড়ির কাঁটায় তখন মাত্র দুই মিনিট পেরিয়েছে।
নিজেদের ডি-বক্সে মিকাইল অরুণ আব্দুল্লাহকে ফাউল করে বসেন মালদ্বীপের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ নাঈম। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজাতে ভুল করেননি। স্পট কিক থেকে নিখুঁত শটে গোল করে চতুর্থ মিনিটেই পাকিস্তানকে আনন্দে ভাসান আব্দুল্লাহ। সেই ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবারও পিছিয়ে পড়ে মালদ্বীপ। নবম মিনিটে বক্সের প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নাজিব উল্লাহ।
দুই গোল খেয়ে খেই হারিয়ে ফেলা মালদ্বীপের রক্ষণভাগ এরপর আরও বড় ভুল করে বসে। ম্যাচের ২৪ মিনিটের মাথায় মালদ্বীপের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আমদান আলীর এক ভুলের সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান দারুণ ছন্দে থাকা নাজিব উল্লাহ। দূরপাল্লার এক চমৎকার কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় আর দলের তৃতীয় গোলটি আদায় করে নেন তিনি। প্রথমার্ধেই তিন গোলের বিশাল লিড নিয়ে একরকম ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে পাকিস্তান।
বিরতির পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া মালদ্বীপ এক ধাক্কায় তিনটি পরিবর্তন আনে। তারকা ফরোয়ার্ড আলী ফাসির, হুসাইন সিফাউ ও নিশাম রশিদকে নামিয়েও অবশ্য গোলের দেখা পায়নি তারা। ৫২ মিনিটে ফেদু ইব্বের একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৬ মিনিটে মোহাম্মদ নাঈমের নেওয়া নিচু শটটি দারুণ দক্ষতায় রুখে দিয়ে নিজের জালের পবিত্রতা রক্ষা করেন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ইউসুফ ইয়াজ বাট। পরের মিনিটে মালদ্বীপ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়ে যায়। উল্টো ৭১ মিনিটে বদলি হিসেবে নামা শায়ক দোস্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে পাকিস্তানের ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। ভারতের বিপক্ষে ৩-২ গোলের আক্ষেপ মুছে এই জয়ে দুই ম্যাচ শেষে ৩ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ফিরেছে পাকিস্তান। অন্যদিকে কঠিন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মালদ্বীপ আগামী ১১ নভেম্বর তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে শক্তিশালী ভারতের।

মন্তব্য করুন