বাংলাদেশ, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
৩০ আগস্ট ২০২৬, ৮:১৫ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সুন্দরবন ঘিরে ক্রাউডফান্ডিং: পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা || মো. মামুন হাসান

সুন্দরবন সাতক্ষীরার শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি হতে পারে একটি বড় অর্থনৈতিক সম্পদ। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ বনভূমিকে ঘিরে পর্যটনের যে বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, তার সুফল যদি স্থানীয় মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে সাতক্ষীরার অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের চিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে প্রয়োজন বিনিয়োগ। প্রয়োজন হোটেল, ইকো কটেজ, হোমস্টে, নৌযান, পর্যটন তথ্যকেন্দ্র, নিরাপদ যাতায়াত, খাবারের ব্যবস্থা, প্রশিক্ষিত গাইড এবং দক্ষ জনবল। বড় প্রশ্ন হলো, এই বিনিয়োগ আসবে কোথা থেকে? এখানেই সামনে আসতে পারে ক্রাউডফান্ডিং বা জনগণের সম্মিলিত বিনিয়োগের ধারণা।

ক্রাউডফান্ডিং হলো অনেক মানুষের কাছ থেকে তুলনামূলক ছোট অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করে একটি নির্দিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা। অর্থাৎ একজনের ওপর বড় বিনিয়োগের চাপ না দিয়ে অনেক মানুষকে একটি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত করা। সাতক্ষীরার মতো সম্ভাবনাময় কিন্তু বিনিয়োগের দিক থেকে এখনো পিছিয়ে থাকা এলাকায় এই ধারণা নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দরজা খুলতে পারে।

ছোট বিনিয়োগ, বড় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা
ধরা যাক, সুন্দরবনকেন্দ্রিক একটি পরিবেশবান্ধব পর্যটন প্রকল্প বাস্তবায়নে ৫০ লাখ টাকা প্রয়োজন। একজন উদ্যোক্তার পক্ষে পুরো অর্থ সংগ্রহ করা কঠিন হতে পারে। কিন্তু ৫০০ জন মানুষ যদি গড়ে ১০ হাজার টাকা করে বিনিয়োগ করেন, তাহলে প্রয়োজনীয় মূলধন তৈরি হতে পারে। অবশ্যই বাস্তবে এমন বিনিয়োগে আইনগত কাঠামো, ঝুঁকি, রিটার্ন এবং বিনিয়োগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু ধারণাটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে স্থানীয় মানুষের সঞ্চয় স্থানীয় অর্থনীতিতে বিনিয়োগে রূপ নিতে পারে। আর সেই বিনিয়োগ যদি একটি পর্যটন প্রকল্পে যায়, তাহলে অর্থ শুধু একটি স্থাপনা তৈরি করবে না। এর সঙ্গে তৈরি হবে কর্মসংস্থান, ব্যবসা এবং স্থানীয় বাজারের নতুন চাহিদা।

একটি পর্যটন প্রকল্প কত মানুষের আয় তৈরি করতে পারে
সুন্দরবনকেন্দ্রিক একটি ছোট ইকো কটেজের কথা ভাবা যাক।সেখানে প্রয়োজন হবে ব্যবস্থাপক, ফ্রন্ট অফিস কর্মী, রাঁধুনি, পরিবেশনকর্মী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, নিরাপত্তাকর্মী, ড্রাইভার ও গাইড।এর বাইরে প্রয়োজন হবে স্থানীয় নৌযান। স্থানীয় কৃষকের কাছ থেকে সবজি ও খাদ্যপণ্য কেনা হতে পারে। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে মাছ সংগ্রহ করা হতে পারে। স্থানীয় নারীরা খাবার, পিঠা বা হস্তশিল্প সরবরাহ করতে পারেন। স্থানীয় তরুণরা ছবি ও ভিডিও তৈরি করে পর্যটকদের সেবা দিতে পারেন। অর্থাৎ একটি পর্যটন প্রকল্পে সরাসরি যতজন কাজ করবেন, তার চেয়ে বেশি মানুষ পরোক্ষভাবে আয় করার সুযোগ পাবেন। এটাই পর্যটন অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি।

সাতক্ষীরার তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন বাজার
সাতক্ষীরার অনেক তরুণ শিক্ষিত হয়েও কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন না। ফলে অনেকে ঢাকামুখী হচ্ছেন, কেউ বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সুন্দরবনভিত্তিক পর্যটন সম্প্রসারিত হলে স্থানীয়ভাবেই নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি হতে পারে। ট্যুর গাইড, ওয়াইল্ডলাইফ গাইড, নৌযান ব্যবস্থাপনা, হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ফ্রন্ট অফিস, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, কুকিং, হাউসকিপিং, ট্যুর অপারেশন, ট্রাভেল এজেন্সি, ডিজিটাল মার্কেটিং, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, কনটেন্ট তৈরি, পর্যটন নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বহু ক্ষেত্রে তরুণদের কাজের সুযোগ তৈরি হতে পারে। আর সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা হলো উদ্যোক্তা তৈরি। একজন তরুণ নিজেই একটি ট্যুর অপারেটর প্রতিষ্ঠান খুলতে পারেন। কেউ হোমস্টে পরিচালনা করতে পারেন। কেউ সুন্দরবনভিত্তিক নৌভ্রমণ পরিচালনা করতে পারেন। কেউ স্থানীয় খাবারের ব্যবসা শুরু করতে পারেন। অর্থাৎ পর্যটন খাত তরুণদের শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, চাকরিদাতা হওয়ার সুযোগও দিতে পারে।

ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ হতে পারে দক্ষতার কারখানা
বিনিয়োগ থাকলেই পর্যটন শিল্প সফল হয় না। দক্ষ মানুষ না থাকলে বিনিয়োগও কাঙ্ক্ষিত ফল দেয় না। এই জায়গায় সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যদি বাস্তবমুখী দক্ষতায় গড়ে তোলা যায়, তাহলে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্পের জন্য স্থানীয়ভাবেই দক্ষ জনবল তৈরি করা সম্ভব। হোটেল পরিচালনা, ফ্রন্ট অফিস, খাদ্য ও পানীয় সেবা, অতিথি আপ্যায়ন, ট্যুর অপারেশন, পর্যটন বিপণনের পাশাপাশি সুন্দরবনভিত্তিক বিশেষ দক্ষতা যুক্ত করা যেতে পারে। যেমন ওয়াইল্ডলাইফ গাইডিং, বার্ড ওয়াচিং, ইকো ট্যুরিজম, পর্যটন নিরাপত্তা, প্রাথমিক চিকিৎসা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নৌপর্যটন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও বিদেশি পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগ। তাহলে একজন শিক্ষার্থী সনদ নিয়ে শুধু চাকরি খুঁজবে না। সে নিজেই একটি পর্যটন উদ্যোগ শুরু করার সক্ষমতা অর্জন করবে।

ক্রাউডফান্ডিংয়ের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা যায়
একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হতে পারে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ছোট ছোট পর্যটন ব্যবসার পরিকল্পনা তৈরি করা। কেউ তৈরি করবে সুন্দরবন ওয়ান ডে ট্যুর। কেউ তৈরি করবে দুই দিনের ইকো ট্যুর। কেউ করবে স্থানীয় খাবারভিত্তিক পর্যটন। কেউ হোমস্টে মডেল তৈরি করবে। কেউ স্থানীয় হস্তশিল্পকে পর্যটন পণ্যে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা করবে। ভালো প্রকল্পগুলোকে স্থানীয় ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা যেতে পারে। এতে শিক্ষার্থীরা একই সঙ্গে শিখবে পর্যটন, ব্যবসা, বিনিয়োগ, বিপণন ও উদ্যোক্তা ব্যবস্থাপনা।

প্রবাসী অর্থকে সাতক্ষীরার পর্যটনে আনা সম্ভব
সাতক্ষীরার বহু মানুষ বিদেশে বসবাস করেন। তাদের অনেকেই নিজের এলাকার জন্য কিছু করতে চান। কিন্তু সঠিক ও বিশ্বাসযোগ্য বিনিয়োগের সুযোগ না থাকায় তাদের অর্থ স্থানীয় পর্যটন খাতে আসছে না। একটি স্বচ্ছ ও আইনসম্মত ক্রাউডফান্ডিং ব্যবস্থা তৈরি করা গেলে প্রবাসীদেরও সুন্দরবনভিত্তিক পর্যটন প্রকল্পে যুক্ত করা যেতে পারে। প্রবাসী বিনিয়োগ যদি স্থানীয় হোটেল, ইকো কটেজ, হোমস্টে, নৌপর্যটন কিংবা পর্যটন সেবা খাতে আসে, তাহলে বিদেশি অর্থ সরাসরি স্থানীয় অর্থনীতিতে বিনিয়োগে পরিণত হতে পারে।

পর্যটকের টাকা যেন সাতক্ষীরাতেই থাকে
সুন্দরবনে পর্যটক আসবেন, কিন্তু তাদের ব্যয়ের বড় অংশ যদি সাতক্ষীরার বাইরে চলে যায়, তাহলে স্থানীয় অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবে না। তাই এমন পর্যটন মডেল তৈরি করতে হবে যেখানে পর্যটকের থাকার ব্যবস্থা, খাবার, পরিবহন, গাইড, নৌভ্রমণ এবং স্থানীয় পণ্য কেনাকাটার সঙ্গে স্থানীয় মানুষ যুক্ত থাকবেন। একজন পর্যটক যদি সাতক্ষীরায় এসে এক হাজার টাকা ব্যয় করেন এবং সেই টাকা যদি একজন গাইড, একজন নৌকার মাঝি, একজন রাঁধুনি, একজন দোকানি ও একজন হস্তশিল্পীর হাতে যায়, তাহলে সেই এক হাজার টাকা একাধিক পরিবারের আয় তৈরি করতে পারে। এভাবেই পর্যটন স্থানীয় অর্থনীতিতে বহুগুণ প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে।

জলবায়ু ঝুঁকিতে বিকল্প জীবিকার পথ
সাতক্ষীরার বাস্তবতায় এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে প্রচলিত জীবিকা অনেক মানুষের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। তাই বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা তৈরি করা প্রয়োজন। সুন্দরবনকেন্দ্রিক পরিবেশবান্ধব পর্যটন সেই বিকল্পের একটি হতে পারে। একজন জেলে নৌপর্যটনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। একজন স্থানীয় নারী পর্যটকদের খাবার সরবরাহ করতে পারেন। একজন তরুণ গাইড হতে পারেন। একটি পরিবার হোমস্টে পরিচালনা করতে পারে।ফলে পর্যটন একই সঙ্গে কর্মসংস্থান ও জলবায়ু অভিযোজনের হাতিয়ার হতে পারে।

বিনিয়োগের পাশাপাশি চাই দায়িত্বশীল পর্যটন
তবে ক্রাউডফান্ডিংয়ের নামে যে কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা যাবে না। সুন্দরবন একটি সংবেদনশীল প্রতিবেশব্যবস্থা। তাই পর্যটন প্রকল্প হতে হবে পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, প্লাস্টিক নিয়ন্ত্রণ, পানির ব্যবহার, শব্দদূষণ, বন্যপ্রাণীর নিরাপত্তা এবং পর্যটকের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে।আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত এমন একটি পর্যটন অর্থনীতি, যেখানে মানুষ আয় করবে কিন্তু প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

একটি নতুন অর্থনৈতিক মডেলের সময় এসেছে
সাতক্ষীরার জন্য এখন প্রয়োজন এমন একটি মডেল, যেখানে সুন্দরবন হবে পর্যটনের সম্পদ, তরুণরা হবে দক্ষ মানবসম্পদ, স্থানীয় মানুষ হবে অর্থনৈতিক অংশীদার এবং জনগণের সম্মিলিত বিনিয়োগ হবে মূলধনের একটি নতুন উৎস। সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, ব্যাংক, পর্যটন ব্যবসায়ী, প্রবাসী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে এই মডেল বাস্তবায়ন সম্ভব।সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিকের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ হতে পারে এই উদ্যোগের দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কেন্দ্র। আর সুন্দরবন হতে পারে সেই অর্থনীতির প্রাকৃতিক ভিত্তি। আমাদের মনে রাখতে হবে, পর্যটন শুধু মানুষকে একটি জায়গায় নিয়ে যায় না। পর্যটন মানুষের হাতে আয় পৌঁছে দেয়, নতুন ব্যবসা তৈরি করে, স্থানীয় পণ্যকে বাজার দেয় এবং একটি এলাকার অর্থনীতিকে গতিশীল করে। তাই সুন্দরবনকে ঘিরে এখন শুধু পর্যটক বাড়ানোর চিন্তা নয়, পর্যটকের প্রতিটি ব্যয় যেন স্থানীয় মানুষের আয় ও কর্মসংস্থানে পরিণত হয়, সেই পরিকল্পনা করতে হবে।

ক্রাউডফান্ডিং সেই পরিকল্পনায় নতুন অর্থায়নের দরজা খুলতে পারে। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ তৈরি করতে পারে সেই দক্ষ মানুষ। আর সাতক্ষীরার যুবসমাজ হতে পারে সেই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি। সুন্দরবনে বিনিয়োগ মানে শুধু একটি পর্যটন প্রকল্পে বিনিয়োগ নয়। সঠিক পরিকল্পনায় এটি হতে পারে সাতক্ষীরার তরুণের কর্মসংস্থানে বিনিয়োগ, স্থানীয় অর্থনীতিতে বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই অর্থনীতিতে বিনিয়োগ। সুন্দরবন বাঁচুক, পর্যটন বাড়ুক, স্থানীয় মানুষের আয় বাড়ুক। সাতক্ষীরার তরুণরা চাকরি খুঁজবে না, তারা নিজেরাই কর্মসংস্থান তৈরি করবে।

লেখক: ইনস্ট্রাক্টর (টেক) ও বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ, জারি হলো নীতিমালা

সাতক্ষীরায় আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশ

বেনাপোল স্থলবন্দরে ফর্কলিফট দুর্ঘটনায় শ্রমিক আহত

জু’মার খুতবায় অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সচেতনতা: প্রশংসনীয় উদ্যোগ || জি. এম. মিন্টু

সুন্দরবন ঘিরে ক্রাউডফান্ডিং: পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা || মো. মামুন হাসান

জানাজা পড়াচ্ছিলেন ইমাম, মোটরসাইকেল নিয়ে গেল চোরে

এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঋশিল্পীর সহায়তাপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সমাবেশ

শ্যামনগরে নারী অধিকার ও জেন্ডার সমতা নিয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা

সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে আশাশুনি চ্যাম্পিয়ন

তরুণীদের ক্ষমতায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে সভা

১০

দেবহাটায় তিলের আটী খাল পরিষ্কার ও তাল বীজরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

১১

‘আমার শরীর, আমার পোশাক—সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আপনাদের নেই’

১২

নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতল আর্জেন্টিনা

১৩

সাতক্ষীরা সহ ২৭ জেলায় ডিসি অফিসে উপপরিচালক নিয়োগ

১৪

তিস্তা ব্যারাজ পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

১৫

সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব

১৬

কয়রায় বারসিকের আলোচনা: পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান

১৭

আশাশুনিতে মাদক সেবীর জেল-জরিমানা

১৮

সাতক্ষীরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

১৯

ব্যাটিং ব্যর্থতায় সেমিফাইনালে বিদায় সাব্বির-শামিমদের

২০
error: Content is protected !!