বাংলাদেশ, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১২ আশ্বিন ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা পড়ছে শ্যামনগরের পর্যটন সম্ভাবনা

Oplus_16908288

সুলতান শাহাজান, শ্যামনগর: প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ সুন্দরবন। এই বন দেখতে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকেরা ছুটে আসেন সাতক্ষীরার শ্যামনগরে। দেশের বাইরে থেকেও আসেন অনেক পর্যটক। কিন্তু সুন্দরবনের সবুজের বাইরেও শ্যামনগরে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস, নদী, সংস্কৃতি ও উপকূলীয় জীবনের নানা গল্প। রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানীর স্মৃতি, কয়েক শ বছরের পুরোনো মন্দির-মসজিদ ও হাম্মামখানা, নকিপুর জমিদারবাড়ি, জোয়ার-ভাটার নদী, জেলে-কৃষকের জীবন এবং সুন্দরবনঘেঁষা মুন্ডা জনগোষ্ঠীর স্বতন্ত্র সংস্কৃতি- সব মিলিয়ে এ উপজেলায় রয়েছে বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভাবনা।

আজ ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন দিবস। পর্যটনের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি ঐতিহ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরার দিনটি শ্যামনগরের জন্যও প্রাসঙ্গিক। সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের সঙ্গে এসব ঐতিহাসিক, প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক আকর্ষণকে পরিকল্পিতভাবে যুক্ত করা গেলে পর্যটকদের অবস্থানের সময় বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর আয় ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

oplus_2097154

প্রতাপাদিত্যের রাজধানীর স্মৃতি
শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুরে গেলে কয়েক শ বছরের ইতিহাসের দেখা মেলে। ইতিহাসের বিভিন্ন সূত্রে ঈশ্বরীপুরকে রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানে রয়েছে যশোরেশ্বরী কালীমন্দির, শাহী মসজিদ, হাফসিখানা, হাম্মামখানা ও অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনার চিহ্ন।

একই এলাকায় এতগুলো ঐতিহাসিক স্থাপনা থাকায় ঈশ্বরীপুরকে একটি ‘হেরিটেজ সার্কিট’ হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দর্শনার্থীদের জন্য এসব স্থাপনার ইতিহাস জানার সুযোগ সীমিত। কোথাও তথ্যফলক নেই, কোথাও রয়েছে সংরক্ষণের ঘাটতি। ফলে জায়গাগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনেক পর্যটকের কাছেই অজানা থেকে যায়।

এবিষয়ে শ্যামনগর সরকারি মহাসীন ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মোঃ তৌহিদুর রহমান বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের পাশাপাশি যশোরেশ্বরী কালীমন্দির, ঈশ্বরীপুরের হাম্মামখানা, বংশীপুর শাহী মসজিদ ও নকিপুর জমিদারবাড়ির মতো ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো শ্যামনগরের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এসব স্থাপনার সংরক্ষণ ও সংস্কারের পাশাপাশি উন্নত সড়ক যোগাযোগ এবং দেশ-বিদেশে সমন্বিত প্রচার প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সরকারি উদ্যোগে সুন্দরবনের সঙ্গে এসব ঐতিহাসিক স্থাপনাকে যুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘শ্যামনগর হেরিটেজ-ট্যুরিজম সার্কিট’ গড়ে তোলা যেতে পারে। সুন্দরবন আমাদের বিশ্বপরিচয়, আর ঐতিহ্য আমাদের শেকড়ের পরিচয়। দুটিকে সমন্বিতভাবে তুলে ধরতে পারলে শ্যামনগরের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বিকশিত হবে। এতে ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়বে। তবে এর আগে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনামূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

ভগ্নদশা নকিপুরে জমিদারবাড়ির
শ্যামনগর উপজেলা সদরের কাছেই নকিপুর জমিদারবাড়ি। ভগ্নদশা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দোতলা এল প্যাটোনের ভবনটি। পুরোনো ইটের দেয়ালে অসংখ্য পরগাছা। ঘরের ভেতরে ময়লা-আবর্জনা। ব্রিটিশ আমলের জমিদারবাড়িটি এখন পরিত্যক্ত। দেড় শতাধিক বছর আগে ১৮৮৮ সালে হরিচরণ রায় চৌধুরী ৪১ কক্ষের তিনতলা এল-প্যার্টানের এ বাড়িটি নির্মাণ করেন। স্থানীয়দের কাছে এটি রায় চৌধুরীর বাড়ি ও নকিপুর জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। এখন অযত্ন-অবহেলায় ভবনটির অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত।

oplus_2097154

নকিপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজীব রায় চৌধুরীর মতে, সংস্কার করে জমিদারবাড়িটিকে পর্যটনকেন্দ্র করা সম্ভব। তাঁর ভাষায়, এখনো সরকারি উদ্যোগ নিলে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি পুরোপুরি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব।

নকিপুর জমিদারবাড়ির বর্তমান অবস্থা দেখলেই বোঝা যায়, পর্যটনের সম্ভাবনা আর বাস্তব ব্যবস্থাপনার মধ্যে কতটা দূরত্ব রয়েছে। দেয়ালে পরগাছা জন্মেছে, বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ছে। অথচ শ্যামনগর শহরের কাছাকাছি হওয়ায় জায়গাটি সহজেই একটি ঐতিহাসিক পর্যটনস্থল হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

নকিপুরের প্রবীণ বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘অযত্নে জমিদারবাড়িটির অনেক অংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এখনই সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ না নিলে ঐতিহাসিক স্থাপনাটি হারিয়ে যেতে পারে। এটি সংস্কার করে সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে শ্যামনগরের পর্যটন বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় মানুষেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।’

নদী দেখাবে শ্যামনগর উপকূলের জীবন
শ্যামনগরের আরেকটি বড় সম্পদ নদী। মালঞ্চ, কপোতাক্ষ, খোলপেটুয়া, কালিন্দী ও রায়মঙ্গলসহ বিভিন্ন নদী ও খাল ঘিরে গড়ে উঠেছে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা। জোয়ার-ভাটা, নদীতে মাছ ধরা, নৌকা, নদীর পাড়ের বাজার, সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবিকা- সব মিলিয়ে উপকূলের একটি আলাদা জীবনচিত্র তৈরি হয়েছে। নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব নৌভ্রমণের ব্যবস্থা করা গেলে এটিও পর্যটনের আকর্ষণ হতে পারে।

শ্যামনগরের নীলডুমুর এলাকার ট্যুরিস্ট ট্রলার চালক জহিরুল ইসলাম বললেন, সুন্দরবন দেখতে আসা পর্যটকেরা নদীর জীবনও দেখতে চান। নির্দিষ্ট নৌপথ, নিরাপদ নৌযান ও ভালো ব্যবস্থাপনা থাকলে স্থানীয় মানুষও এর মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

তিনি আরো বলেলেন, এই ধরনের নৌভ্রমণে অবশ্য পরিবেশের বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে। নদী ও সুন্দরবনে প্লাস্টিক বর্জ্য, অতিরিক্ত নৌযান বা শব্দদূষণ যেন না বাড়ে, সে বিষয়েও নজর দিতে হবে।

মুন্ডা সংস্কৃতিতে ভিন্ন এক শ্যামনগর
সুন্দরবনঘেঁষা শ্যামনগরের গ্রামগুলোতে বসবাস করেন মুন্ডা জনগোষ্ঠীর মানুষ। তাঁদের উৎসব, গান, নাচ, খাবার, পোশাক, কৃষিকাজ ও সুন্দরবননির্ভর জীবনযাপন উপকূলের অন্যদের জীবন থেকে আলাদা।

সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থার (সামস) সভাপতি গোপাল চন্দ্র মুন্ডা ও সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণপদ মুন্ডা দীর্ঘদিন ধরে মুন্ডা জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অধিকার নিয়ে কাজ করছেন। মুন্ডা সংস্কৃতিকে ঘিরে পর্যটনের সম্ভাবনা থাকলেও এটিকে শুধু পর্যটকদের বিনোদনের উপকরণ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। মুন্ডা জনগোষ্ঠীর নিজেদের অংশগ্রহণ এবং সম্মতি নিয়েই এ ধরনের পর্যটন পরিকল্পনা হওয়া প্রয়োজন।

সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থার (সামস)-এর নির্বাহী পরিচালক কৃষ্ণপদ মুন্ডা বলেছেন, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন শুধু প্রকৃতি দেখার বিষয় নয়, এটি স্থানীয় মানুষের অর্থনৈতিক পরিবর্তনেরও বড় সুযোগ। পর্যটকেরা এলে স্থানীয় নৌযান, পরিবহন, আবাসন, খাবার, হস্তশিল্প ও বিভিন্ন সেবার চাহিদা বাড়ে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মুন্ডা সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁদের ঐতিহ্যবাহী খাবার, হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পর্যটকদের সামনে তুলে ধরে আয় করতে পারেন।

তার ভাষ্য, বিশেষ করে মুন্ডা নারীদের জন্য পর্যটন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে। নারীরা ঘরে তৈরি ঐতিহ্যবাহী খাবার, নকশিকাঁথা, হস্তশিল্প ও স্থানীয়ভাবে তৈরি বিভিন্ন পণ্য পর্যটকদের কাছে বিক্রি করতে পারেন। তাঁদের প্রশিক্ষণ, পণ্য তৈরির সহায়তা ও বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে পরিবারে আয় বাড়ার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। তবে পর্যটন থেকে স্থানীয় মানুষের আয় নিশ্চিত করতে হলে পরিকল্পনার শুরু থেকেই তাঁদের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। বাইরে থেকে মানুষ এসে ব্যবসা করবে আর স্থানীয় মানুষ শুধু পর্যটক দেখবে- এমন পর্যটন আমরা চাই না। স্থানীয় তরুণদের গাইড, নৌযানকর্মী, আবাসন ও খাবারের ব্যবসায় যুক্ত করার পাশাপাশি নারীদেরও পর্যটনভিত্তিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি আরো বলেছেন, আমরা চাই, সুন্দরবনের পর্যটন এমনভাবে গড়ে উঠুক, যাতে প্রকৃতি ও মুন্ডা সংস্কৃতি সংরক্ষিত থাকে এবং স্থানীয় মানুষের আয় ও কর্মসংস্থান বাড়ে। পর্যটন থেকে আসা অর্থের একটি বড় অংশ যদি স্থানীয় মানুষের হাতে যায়, তাহলে সুন্দরবনসংলগ্ন জনপদের অর্থনীতি যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের আগ্রহও বাড়বে।

পর্যটকের চোখে শ্যামনগর
সুন্দরবনে ঘুরতে আসা পর্যটকদের অনেকে শুধু বনে গিয়ে ফিরে যান। অথচ কাছাকাছি ঐতিহাসিক স্থাপনা, নদীভ্রমণ কিংবা স্থানীয় সংস্কৃতি দেখার সুযোগ থাকলে তাঁদের অবস্থানের সময় বাড়তে পারে।

ঢাকা তেজগাঁও কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কামরুল হাসান হৃদয় বললেন, ‘সুন্দরবনের পাশাপাশি শ্যামনগরের ঐতিহাসিক স্থানগুলোও দেখতে চাই। কিন্তু কোথায় কী আছে, কীভাবে যেতে হবে- এসব তথ্য সহজে পাওয়া যায় না। ফলে এর আগেও দুইবার শ্যামনগরে এসেও সুন্দরবন ও আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম সেন্টার ঘুরেই ফিরে যেতে হয়েছে।’ তাঁর মতে, বিভিন্ন পর্যটনস্থানের তথ্য ও যাতায়াতের ব্যবস্থা সহজে জানার সুযোগ থাকলে পর্যটকেরা শ্যামনগরের আরও নানা স্থান ঘুরে দেখতে আগ্রহী হবেন।

পর্যটকের এই অভিজ্ঞতা শ্যামনগরের পর্যটন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাটতি তুলে ধরে উল্লেখ করে বুড়িগোয়ালিনীর দাতিনাখালি এলাকায় ‘বনজীবী বাড়ি’ নামের ইকো কটেজ গড়ে তোলা তরুণ উদ্যোক্তা শামীম হোসেন বলেন, শ্যামনগরের পর্যটনকে শুধু সুন্দরবনকেন্দ্রিক না রেখে আশপাশের ইতিহাস, সংস্কৃতি, নদী ও স্থানীয় জীবনযাত্রার সঙ্গে যুক্ত করা গেলে পর্যটকের অবস্থান বাড়বে। এতে নতুন নতুন ইকো কটেজ, খাবারের ব্যবস্থা, নৌযান ও স্থানীয় গাইডের চাহিদা তৈরি হবে। সবচেয়ে বড় কথা, স্থানীয় তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পর্যটকেরা যত বেশি সময় এলাকায় থাকবেন, তত বেশি অর্থ স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রবাহিত হবে।’

oplus_2097154

তৈরি হতে পারে শ্যামনগরের পর্যটনপথ
স্থানীয় সমাজকর্মী শেখ কামরুজ্জামান মনে করেন সুন্দরবন, ঈশ্বরীপুরের ঐতিহাসিক স্থাপনা, নকিপুর জমিদারবাড়ি, নদীভ্রমণ, মুন্ডা সংস্কৃতি ও স্থানীয় জীবনকে একটি রুটের আওতায় আনা যেতে পারে। তাঁর মতে, একটি সম্ভাব্য রুট হতে পারে- নকিপুর জমিদারবাড়ি হয়ে ঈশ্বরীপুরের ঐতিহাসিক স্থাপনা পরিদর্শন এরপর নদীভ্রমণ ও সুন্দরবন ঘোরা। তারপর মুন্ডা সংস্কৃতি ও স্থানীয় জীবনযাপন সম্পর্কে জানা।

তিনি মনে করেন এভাবে পরিকল্পনা করা গেলে পর্যটকেরা শুধু কয়েক ঘণ্টার জন্য সুন্দরবনে গিয়ে ফিরে না গেয়ে শ্যামনগরে এক বা দুই রাত অবস্থান করতে পারেন। এতে স্থানীয় হোটেল-রেস্তোরাঁ, নৌযান, পরিবহন, গাইড, হস্তশিল্প ও স্থানীয় পণ্যের ব্যবসায় নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যা বলছে প্রশাসন
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক বলেন, সুন্দরবনের পাশাপাশি স্থানীয় ইতিহাস, সংস্কৃতি, নদী ও জীবনযাত্রাকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ, তথ্য সহজলভ্য করা এবং স্থানীয় নারী-তরুণদের পর্যটন কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঢাকা পড়ছে শ্যামনগরের পর্যটন সম্ভাবনা

১

পর্যটন বদলে দিতে পারে সুন্দরবন নির্ভরশীল মানুষের ভাগ্য

২

বিশ্ব পর্যটন দিবসে ফিরে দেখা শ্রেণিকক্ষের সেই মুহূর্তগুলো || মো. মামুন হাসান

৩

সাতক্ষীরায় সড়‌কে রা‌তে ঝর‌লো দুই প্রাণ

৪

আশাশুনিতে আকস্মিক টর্নেডোয় ৪‌টি বসতঘর লণ্ডভণ্ড

৫

তালায় জুয়েলারির দোকানে দুর্ধর্ষ চুরি, ২৩ লাখ টাকার গহনা লুট

৬

সিলেটের পাহাড়-নদী-পাথরের সৌন্দর্য উপ‌ভো‌গে সাতক্ষীরা সাংবা‌দিক কে‌ন্দ্রের সদস‌্যরা

৭

সাতক্ষীরায় আওয়ামী লী‌গের তিন নেতা গ্রেপ্তার

৮

একই জায়গায় আটকে থাকতে চাই না

৯

চলন্ত স্লিপার বাসে আগুন, ঘুমের মধ্যেই পুড়ে মরল ৯ যাত্রী

১০

বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি

১১

এশিয়ান গেমসে শ্রীলঙ্কাকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ

১২

বিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ বিশ্ব গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৩

দুপুরের মধ্যে ১১ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস

১৪

আশাশুনির নয়াবাদে স্বামীর নির্মম নির্যাতনে হাসপাতালে স্ত্রী

১৫

কালিগঞ্জ সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভা

১৬

কালিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ভূমি অফিস পরিদর্শনে এমপি রবিউল বাশার

১৭

ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ

১৮

পাইকগাছায় কৃষকদলের বিক্ষোভ মিছিল

১৯

কালিগঞ্জে যুবদলের আনন্দ মিছিল

২০