বাংলাদেশ, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

পরীক্ষার ফল, কর্মমুখী শিক্ষা ও বাস্তবতা || মো: মামুন হাসান

বাংলাদেশে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন কেমন হবে, তার একটি বড় অংশ যেন পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে। কোন পরীক্ষায় কত নম্বর পেল, জিপিএ কত, মেধাতালিকায় অবস্থান কোথায়, ভর্তি পরীক্ষায় কত হলো, কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেল, এসব নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ব্যস্ততার শেষ নেই। পরীক্ষার আগে কোচিং, মডেল টেস্ট, সাজেশন, প্রশ্নব্যাংক ও পুনরাবৃত্তির আয়োজন চলে। পরীক্ষার পর শুরু হয় ফলাফল বিশ্লেষণ।

এই পুরো প্রক্রিয়ায় একটি বিষয় প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়। শিক্ষার্থী পরীক্ষার পর কী করবে? প্রশ্নটি শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও এর ভেতরে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার একটি বড় বাস্তবতা লুকিয়ে আছে। আমরা একজন শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য যতটা প্রস্তুত করি, বাস্তব জীবনের অনিশ্চয়তা মোকাবিলার জন্য কি ততটা প্রস্তুত করি? পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর আগে থেকে জানা যায় না, কিন্তু প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে ধারণা থাকে। নির্দিষ্ট পাঠ্যসূচি থাকে, নির্দিষ্ট সময় থাকে, মূল্যায়নের একটি কাঠামো থাকে। জীবন ঠিক তার বিপরীত। সেখানে সমস্যার ধরন আগে থেকে জানা থাকে না। অনেক সময় প্রশ্নই বুঝে উঠতে হয়। তারপর উত্তর খুঁজতে হয়। কখনো একবারে সফল হওয়া যায় না। ভুল করতে হয়, আবার শিখতে হয়, সিদ্ধান্ত বদলাতে হয়। সুতরাং শিক্ষার উদ্দেশ্য যদি শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা হয়, তাহলে আমরা শিক্ষার একটি অংশকে সাফল্য হিসেবে দেখছি, পুরো শিক্ষাকে নয়।

বাংলাদেশের বাস্তবতায় বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক তরুণ শিক্ষা শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করছে। তাদের প্রত্যাশা চাকরি পাওয়া। কিন্তু কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজন কেবল সনদ নয়। সেখানে প্রয়োজন যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা, দলগতভাবে কাজ করার অভ্যাস, নতুন কিছু শেখার মানসিকতা এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা। এখানেই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে কর্মজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি করা দরকার।

একজন শিক্ষার্থী হয়তো পরীক্ষায় খুব ভালো ফল করল। কিন্তু তাকে যদি একটি বাস্তব সমস্যা দেওয়া হয় এবং বলা হয়, এর সমাধান বের করো, তখন তার প্রস্তুতি কতটা? তাকে যদি বলা হয়, একটি ছোট উদ্যোগের পরিকল্পনা তৈরি করো, স্থানীয় একটি সমস্যার তথ্য সংগ্রহ করো, একটি ব্যবসার গ্রাহক খুঁজে বের করো, একটি প্রতিবেদন তৈরি করো অথবা একটি নতুন প্রযুক্তি শিখে তা কাজে লাগাও, তখন সে কতটা প্রস্তুত? এই প্রশ্নগুলো আমাদের পরীক্ষাব্যবস্থাকে অস্বীকার করার জন্য নয়। বরং শিক্ষার পরিধি আরও বড় করার জন্য। কারণ ভালো ফলাফল দরকার। কিন্তু ভালো ফলাফলই শেষ কথা নয়।

বিশ্ব এখন এমন একটি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তি মানুষের কাজের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এই পরিবর্তনকে আরও ত্বরান্বিত করছে। তথ্য সংগ্রহ, লেখা, অনুবাদ, হিসাব, নকশা, গবেষণা, গ্রাহকসেবা, বিপণনসহ বহু কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ছে। ফলে আগামী দিনের শিক্ষার্থীর জন্য শুধু তথ্য মনে রাখা যথেষ্ট হবে না। তাকে জানতে হবে কীভাবে তথ্য খুঁজতে হয়, কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয় এবং কীভাবে তথ্য থেকে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হয়। এখানে শিক্ষার একটি মৌলিক পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

আগে প্রশ্ন ছিল, শিক্ষার্থী কত কিছু জানে। এখন তার সঙ্গে আরেকটি প্রশ্ন যোগ হচ্ছে, সে যা জানে তা কীভাবে ব্যবহার করতে পারে? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে এই প্রশ্ন আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোনো একটি তথ্য মনে রাখার প্রয়োজনীয়তা অনেক ক্ষেত্রে কমে যেতে পারে। কিন্তু সঠিক প্রশ্ন করার ক্ষমতা, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করার ক্ষমতা এবং প্রাপ্ত তথ্যকে নিজের চিন্তার সঙ্গে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। একজন শিক্ষার্থী যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তৈরি লেখা না বুঝে ব্যবহার করে, তাহলে প্রযুক্তি তার চিন্তাশক্তিকে দুর্বলও করতে পারে। আবার সে যদি প্রযুক্তিকে তথ্য অনুসন্ধান, ধারণা যাচাই, বিশ্লেষণ ও সৃজনশীল কাজের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করে, তাহলে একই প্রযুক্তি তার শেখার পরিধি অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শিক্ষার বাইরে রাখার চেয়ে শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দায়িত্বশীল ব্যবহার শেখানো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এর সঙ্গে আরেকটি বিষয় জড়িত। সেটি হলো প্রশ্ন করার সংস্কৃতি। আমাদের শ্রেণিকক্ষে সঠিক উত্তর দেওয়ার ওপর যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়, ভালো প্রশ্ন করার ওপর ততটা নয়। অথচ গবেষণা ও উদ্ভাবনের শুরু হয় প্রশ্ন থেকে। যে শিক্ষার্থী জানতে চায় কেন একটি সমস্যা হচ্ছে, সমস্যাটি কার জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ, এর কারণ কী এবং এর বিকল্প সমাধান কী হতে পারে, সে ধীরে ধীরে বিশ্লেষণী চিন্তার দিকে এগিয়ে যায়।

বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল শিক্ষার্থীদের জন্য এমন বাস্তব শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে পারে। একটি উপকূলীয় এলাকার শিক্ষার্থী জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততা নিয়ে কাজ করতে পারে। হাওর এলাকার শিক্ষার্থী জলাবদ্ধতা, কৃষি ও যোগাযোগব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করতে পারে। পাহাড়ি এলাকার শিক্ষার্থী পরিবেশ, পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতি নিয়ে কাজ করতে পারে। শহরের শিক্ষার্থী যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কিংবা নগর সেবার সমস্যা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।এগুলো শুধু প্রকল্প নয়। এগুলো হতে পারে বাস্তব শিক্ষা।

একজন শিক্ষার্থী যদি নিজের এলাকার একটি সমস্যা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে, মানুষের সঙ্গে কথা বলে, কারণ বিশ্লেষণ করে এবং একটি সমাধানের প্রস্তাব তৈরি করে, তাহলে সে একই সঙ্গে ভাষা, গণিত, তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা, যোগাযোগ ও নেতৃত্বের দক্ষতা ব্যবহার করছে। একটি প্রকল্প তখন অনেকগুলো আলাদা বিষয়ের মধ্যে বাস্তব সংযোগ তৈরি করতে পারে। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় এই আন্তঃবিষয়ক শেখার সুযোগ আরও বাড়ানো দরকার।

শিক্ষা শুধু সাধারণ শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, আবার কারিগরি শিক্ষাও শুধু নির্দিষ্ট যন্ত্র বা প্রযুক্তি ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে জ্ঞান ও দক্ষতার সমন্বয় প্রয়োজন হবে। একজন কারিগরি শিক্ষার্থীকে প্রযুক্তির পাশাপাশি যোগাযোগ ও নেতৃত্ব জানতে হবে। একজন সাধারণ শিক্ষার্থীকে প্রযুক্তি ও বাস্তব কাজের সঙ্গে পরিচিত হতে হবে।কারণ কর্মজীবন কোনো আলাদা আলাদা বিভাগের পৃথিবী নয়।

একজন উদ্যোক্তাকে হিসাব বুঝতে হয়, প্রযুক্তি বুঝতে হয়, মানুষের প্রয়োজন বুঝতে হয় এবং বাজার বুঝতে হয়। একজন প্রকৌশলীকে শুধু প্রযুক্তি জানলেই হয় না, তাকে দল পরিচালনা করতে হয়। একজন পর্যটন পেশাজীবীকে শুধু পর্যটন সম্পর্কে জানলেই হয় না, তাকে প্রযুক্তি, ভাষা, সংস্কৃতি ও ব্যবসা সম্পর্কেও ধারণা রাখতে হয়। এই বাস্তবতা শিক্ষার কাঠামোতেও প্রতিফলিত হওয়া দরকার।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাতে কলমে কাজের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষা, উপস্থাপনা, গবেষণা, বিতর্ক, সমস্যা সমাধান, উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং ইন্টার্নশিপের সুযোগ আরও কার্যকর করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থীর মূল্যায়নেও এর প্রভাব থাকা দরকার। সে কত পৃষ্ঠা লিখেছে, তার পাশাপাশি সে কীভাবে একটি সমস্যা বিশ্লেষণ করেছে, কীভাবে তথ্য ব্যবহার করেছে, কীভাবে একটি ধারণা উপস্থাপন করেছে, দলগতভাবে কীভাবে কাজ করেছে এবং নিজের ভুল থেকে কী শিখেছে, সেসবও শিক্ষার অংশ হওয়া উচিত।

অভিভাবকদেরও এখানে একটি ভূমিকা আছে। সন্তান কত নম্বর পেল, এই প্রশ্নের পাশাপাশি যদি তাঁরা জিজ্ঞাসা করেন, আজ কী শিখলে, কী তৈরি করলে, কোন বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, কোনো সমস্যার সমাধান ভেবেছ কি না, তাহলে শিক্ষার্থীর কাছে শেখার অর্থও বদলাতে পারে।

শিক্ষকের ভূমিকাও বদলাচ্ছে। তথ্যের যুগে শিক্ষক আর তথ্যের একমাত্র উৎস নন। শিক্ষক এখন শিক্ষার্থীর চিন্তার সহযাত্রী। তিনি শিক্ষার্থীকে প্রশ্ন করতে শেখাবেন, ভুল থেকে শিখতে শেখাবেন, তথ্য যাচাই করতে শেখাবেন এবং নিজের সম্ভাবনা চিনতে সাহায্য করবেন।

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হয়তো এখানেই দরকার। শিক্ষার্থীকে এমনভাবে তৈরি করা, যাতে সে একটি পরীক্ষার জন্য নয়, বহু পরিবর্তনের পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত হয়। কারণ আজকের শিক্ষার্থী যখন কর্মজীবনে প্রবেশ করবে, তখন হয়তো এমন অনেক পেশা থাকবে যার নামই আজ আমরা জানি না। আবার আজকের পরিচিত অনেক কাজ প্রযুক্তির কারণে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে করতে হবে।তাই শিক্ষার্থীকে শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজ শেখানো যথেষ্ট নয়। তাকে শেখার ক্ষমতা শেখাতে হবে।

এই শেখার ক্ষমতার সঙ্গে মূল্যবোধের বিষয়টিও জড়িত। প্রযুক্তি যত শক্তিশালী হবে, সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে মানুষের নৈতিক দায়িত্বও তত গুরুত্বপূর্ণ হবে। তথ্য ব্যবহার, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, অনলাইন যোগাযোগ এবং ডিজিটাল নাগরিকত্বের মতো বিষয়গুলোও শিক্ষার অংশ হওয়া প্রয়োজন। শিক্ষা তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন একজন শিক্ষার্থী শুধু দক্ষ কর্মী নয়, দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠবে।

আমরা প্রায়ই বলি, দেশের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতে। কথাটি সত্য। কিন্তু তরুণদের হাতে ভবিষ্যৎ তুলে দেওয়ার আগে তাদের হাতে কী ধরনের শিক্ষা তুলে দিচ্ছি, সেই প্রশ্নও করতে হবে। একটি জাতির শিক্ষাব্যবস্থা তার ভবিষ্যৎ অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করে। পরীক্ষায় ভালো ফল করা শিক্ষার্থী প্রয়োজন। কিন্তু একই সঙ্গে প্রয়োজন এমন মানুষ, যারা নতুন সমস্যা দেখলে ভয় পাবে না, প্রশ্ন করবে; নতুন প্রযুক্তি এলে আতঙ্কিত হবে না, শিখবে; চাকরি না পেলে থেমে থাকবে না, বিকল্প পথ খুঁজবে; ব্যর্থ হলে নিজেকে শেষ মনে করবে না, আবার চেষ্টা করবে। সুতরাং আমাদের শিক্ষার আলোচনায় একটি নতুন ভারসাম্য দরকার। পরীক্ষার প্রস্তুতি থাকবে, কিন্তু তার পাশে থাকবে জীবনের প্রস্তুতি। পাঠ্যবই থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে থাকবে বাস্তব পৃথিবী। তথ্য থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে থাকবে বিশ্লেষণ। প্রযুক্তি থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে থাকবে নৈতিকতা।

চাকরির প্রস্তুতি থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে থাকবে উদ্যোক্তা হওয়ার সক্ষমতা। আর ভালো ফলাফলের সঙ্গে থাকবে ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা। কারণ একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষার খাতায় কত নম্বর পেল, সেটি তার শিক্ষাজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কিন্তু সে সেই জ্ঞান দিয়ে কী করতে পারল, কতটা শিখতে পারল, কতটা বদলাতে পারল এবং সমাজের জন্য কী মূল্য তৈরি করতে পারল, তার উত্তরই শেষ পর্যন্ত শিক্ষার বৃহত্তর সার্থকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। পরীক্ষা শেষ হয় নির্দিষ্ট সময়ে। জীবনের পরীক্ষা শেষ হয় না। তাই আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার সামনে এখন সবচেয়ে জরুরি প্রশ্ন হওয়া উচিত, পরীক্ষার পরের জীবনটির জন্য আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কী শেখাচ্ছি?

লেখক: বিভাগীয় প্রধান,ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পরীক্ষার ফল, কর্মমুখী শিক্ষা ও বাস্তবতা || মো: মামুন হাসান

১

কালিগঞ্জে সুকান্ত জন্মশতবার্ষিকীতে কবি-সাহিত্যিকদের সম্মাননা

২

ভারত থেকে ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফিরলেন দুই নারী

৩

আশাশুনি উপজেলা জাসাস’র প্রতিবাদ মিছিল

৪

তালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুস্থ রোগীদের জন্য ডেঙ্গু টেস্ট কিট প্রদান করলো সমাজসেবা অফিস

৫

নির্বাচনে প্রার্থীর ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা প্রশ্নে রুল

৬

ডেঙ্গুতে ৮ জনের মৃত্যু, একদিনেই হাসপাতালে ভর্তি ২০৩৬

৭

সাইবার সুরক্ষা আইনে সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব

৮

সাতক্ষীরায় তৃণমূল নারী সুরক্ষা ফোরামের সম্মেলন

৯

রিমান্ড শেষে কারাগারে এমপি গাজী নজরুল

১০

তালায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত

১১

দেশের ৪ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

১২

সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজের অঙ্গীকার ইইউ রাষ্ট্রদূতদের

১৩

বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

১৪

মালয়েশিয়ার পর সিঙ্গাপুরের কাছেও হারল বাংলাদেশ

১৫

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত তালিকা করে প্রতিবেদন তৈরির সুপারিশ

১৬

জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক হয়েছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

১৭

সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত

১৮

জামায়াতের কাছে ১০০ কোটি টাকা ভিক্ষা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করেছে এনসিপি: রাশেদ খাঁন

১৯

দেবহাটায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

২০