
ডেস্ক রিপোর্ট: শ্রিম্প হ্যাচারি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (সেব) এর খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার টাইগার গার্ডেন হোটেলে সংগঠনের খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের সাংগঠনিক ও ব্যবসায়িক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন রেড স্টার হ্যাচারির শহীদ ফারুক সাচী, নামিরা হ্যাচারির রুহুল আমিন লেনিন, মাসুম হ্যাচারির আব্দুল্লাহ আল-মাসুম, আবাবিল হ্যাচারির মোতালেব হোসেন, সাউথ বাংলা হ্যাচারির মাহফুজ ইকবাল, আল-আকসা হ্যাচারির মোঃ নজরুল ইসলাম, নিউ যমুনা হ্যাচারির কাজী আমিনুল ইসলাম বাহার, জে.স্টার হ্যাচারির শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, সুন্দরবন হ্যাচারির জসীম, ন্যাশনাল হ্যাচারির শামীম, ব্লু-স্টার হ্যাচারির বাবন কান্তি দে, সি-স্টার হ্যাচারির জাকির হোসেন, পপুলার হ্যাচারির মাহবুবুর রহমান, কপোতাক্ষ হ্যাচারির শহিদুল ইসলাম, আহছানিয়া হ্যাচারির আনারুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের খাত চিংড়ি শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে হ্যাচারির উপর আরোপিত ট্যাক্স বা কর কমাতে হবে এবং সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে। সমুদ্র থেকে হ্যাচারির জন্য যে লবণাক্ত পানি গ্রহণ করা হয় তার জন্য প্রতি লিটার আগে ছিল ৩ পয়সা, এখন ১০ পয়সা হারে টাকা ট্যাক্স দিতে হয়। প্রতি টিপে ৫০০ টন পানি নেওয়া হয়। এজন্য প্রতি টিপে ৫০০ টন পানি আনতে ৫০ হাজার টাকা লাগে। মাসে ৪-৫ টিপে আড়াই লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়।
বক্তারা চিংড়ি শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এই ট্যাক্স মওকুফের দাবি জানান।
তারা আরও বলেন, চিংড়ি শিল্পের জন্য হ্যাচারি মালিকগণ আজ পর্যন্ত কোন ইনসেপটিভ বা প্রণোদনা পায়নি। হ্যাচারি মলিকদের বৈদ্যুতিক বিলটি যাতে ৫০% করা হয়, সে বিষয়েও দাবি ওঠে।
মন্তব্য করুন