
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা, স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোজন কার্যক্রম এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের দাবি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১-এ অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লোকাল এনভায়রনমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ সোসাইটি- লিডার্স ।
আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে লিডার্স-এর তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করছে।
প্রতিনিধি দলে রয়েছেন লিডার্স-এর নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মণ্ডল, পরিচালক (প্রোগ্রাম) এ.বি.এম. জাকারিয়া এবং প্রকল্প কর্মকর্তা ইভানা আফরিন।
সম্মেলনের পুরো সময়জুড়ে প্রতিনিধিদলটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময়, নেটওয়ার্কিং এবং দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে।
কপ৩১-এর মূল সম্মেলনস্থলে ৯ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রদর্শনী বুথ নম্বর ২০-এ লিডার্স-এর কার্যক্রম, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোজন মডেল এবং অর্জিত অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হবে।
সম্মেলনে লিডার্স-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ হচ্ছে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন-এর আনুষ্ঠানিক সাইড ইভেন্টে। আগামী ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ZERZEVAN- এর সাইড ইভেন্ট রুম ৩-এ “কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা রূপান্তর” শীর্ষক এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
CGIAR, Solidaridad এবং LEDARS যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। এতে লিডার্স-এর নির্বাহী পরিচালক মোহন কুমার মণ্ডল প্যানেল আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তর, টেকসই কৃষি, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিযোজন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
এ ছাড়া ১৯ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে Locally Led Adaptation in Action: Linking Community Priorities with Policy and Finance শীর্ষক একটি বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
LEDARS, NACOM, ICIMOD এবং বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অগ্রাধিকার ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতি, পরিকল্পনা এবং জলবায়ু অর্থায়নের কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
সম্মেলন চলাকালে লিডার্স প্রতিনিধিদল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করবে। এসব বৈঠকের মাধ্যমে জলবায়ু অভিযোজন, পানি ও স্যানিটেশন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ম্যানগ্রোভ পুনরুদ্ধার, ব্লু কার্বন, টেকসই জীবিকা এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে যৌথ উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা অনুসন্ধান করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য করুন