

মাসুদ পারভেজ, কালিগঞ্জ: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর পিতা ও সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী শামসুদ্দিন আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার বাদ মাগরিব উপজেলার মৌতলা ইউনিয়নের পানিয়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
তার জানাযায় রতনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলিম আল রাজি টোকন, কুশুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মথুরেশপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল আলম, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য কাজল, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল আলম বাবলু, মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রের পরিচালক ফিরোজ আহমেদ, পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফেজ মুফতি আব্দুস সাত্তার আজিজ, সিনিয়র শিক্ষক হুমায়ুন কবীর, পানিয়া জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি ফরহাদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সরদার, সহ-সভাপতি আব্দুর রাশেদ পল্টু, কালিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান শিমুল, সদস্য মাসুদ পারভেজ ক্যাপ্টেন, আতিকুর রহমান, শিমুল হোসেন, ফজলুর রহমান, মরুহুমের মেজ ছেলে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন।
এর আগে শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে পানিয়া গ্রামের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।
কর্মজীবনে শামসুদ্দিন আহমেদ উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে খুলনার ফুলতলা, বাগেরহাটের ফকিরহাট ও সর্বশেষ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে ১৯৯৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন।
অবসর জীবনে তিনি সাহিত্যচর্চায় নিজেকে নিবেদিত করেন। উপন্যাস, কবিতা ও গল্প রচনার পাশাপাশি সাহিত্য অনুবাদেও তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে পারস্যের কবি ওমর খৈয়ামের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রুবাইয়াত-ই-খৈয়াম’-এর বাংলা অনুবাদ। সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে একজন সাহিত্যপ্রেমী ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

মন্তব্য করুন