
ডেস্ক রিপোর্ট: সাতক্ষীরার গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত দৈনিক পত্রদূতের প্রতিষ্ঠাকালীন সম্পাদক, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শহীদ স. ম আলাউদ্দীনের ২৯তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) মরহুমের মিঠাবাড়িস্থ কবরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব ও বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি, বাংলাদেশ বেতার, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি ও আজকের পত্রিকার সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আবুল কাশেমের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ও বাংলাভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোঃ আসাদুজ্জামান, দৈনিক পত্রদূতের বার্তা সম্পাদক এসএম শহীদুল ইসলাম, বাংলাদেশের খবর ও বাংলাদেশ নিউজ-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আব্দুস সামাদ, সাংবাদিক আব্দুল মতিন প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি চ্যানেল আই-এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক এম শাহিন গোলদার (এসএ টিভি, রাইজিংবিডি ও আলোকিত বাংলাদেশ), নির্বাহী সদস্য আসাদুজ্জামান সরদার (ঢাকা ট্রিবিউন ও বাংলাট্রিবিউন), দীপ্ত টিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও মানবাধিকার কর্মী রঘুনাথ খাঁ, সাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম, সেলিম হোসেন, এসএম হাবিবুল হাসান, আব্দুর রহিম, আল-মামুন, স. ম আলাউদ্দীনের ভ্রাতা স ম আকতারুল ইসলাম, স. ম আলাউদ্দীনের ছেলে ইকবাল পারভেজ জয় প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য হয়েও স. ম আলাউদ্দীন অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। পরবর্তীতে তিনি স্থানীয় অর্থনীতি, শিক্ষা ও সাংবাদিকতার উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। ভোমরা স্থলবন্দর, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স, ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন ও বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক স্কুল এবং দৈনিক পত্রদূতের প্রতিষ্ঠাতা স. ম আলাউদ্দীন ছিলেন একজন সিদ্ধহস্ত শিল্পোদ্যোক্তা। তিনি সাতক্ষীরাসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক চিত্র বদলে দিয়ে সুষম উন্নয়নে অবদান রেখেছেন।
সভায় আলোচনা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালের ১৯ জুন সাতক্ষীরা সদর থানা সংলগ্ন পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে শাহাদতবরণ করেন স. ম আলাউদ্দীন। ২৮ বছর পেরিয়ে গেলেও এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি।
মন্তব্য করুন