বাংলাদেশ, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
১ কার্তিক ১৪৩৩ | সময়:
The Editors
১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৬ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

দক্ষতার দুই ডানায় ভর করে নতুন অর্থনীতি || মো. মামুন হাসান

আলফ্রেড মার্শাল লিখেছিলেন, সব পুঁজির মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান পুঁজি হলো মানুষের ওপর বিনিয়োগ। থিওডোর শুলৎস ও গ্যারি বেকারের মানবমূলধন তত্ত্ব সেই কথাকেই বিজ্ঞানের ভাষা দিয়েছে: শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ উৎপাদনশীলতা বাড়ায়, আর উৎপাদনশীলতাই মজুরি ও জাতীয় আয়ের ভিত্তি। বাংলাদেশের বহির্খাত আজ যে সংকট ও সম্ভাবনার মুখোমুখি, তার উত্তরও এই পুরোনো সত্যের ভেতরেই লুকিয়ে আছে। একই দক্ষ হাত একদিকে পাড়ি দিতে পারে বিদেশের কারখানা ও হাসপাতালে, অন্যদিকে স্বদেশের হোটেল, সৈকত ও জনপদে অতিথির সেবায় সৃষ্টি করতে পারে অদৃশ্য রপ্তানি। এই দুই পথ মিলিয়েই গড়ে উঠতে পারে আমাদের অর্থনীতির নতুন দুই ডানা।

আগে সংকটের ছবিটি দেখা যাক। গত অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, মোট রপ্তানি ৪৮ বিলিয়ন ডলারে থেমে গেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ৭ বিলিয়ন কম। একটি খাতের ওপর ৮০ শতাংশের বেশি নির্ভরতা আর আমদানিকৃত কাঁচামালের ভার মিলিয়ে প্রতি ডলার রপ্তানির বিপরীতে দেশে থাকে প্রায় ৬২ সেন্ট। অন্যদিকে ২০২৫ সালে ১১ লাখ ২৮ হাজার ৪২৩ বাংলাদেশির বিদেশযাত্রায় প্রবাসী আয় ২৫ বছরের সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারে উঠেছে। কিন্তু এর ১৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি, মোট আয়ের প্রায় ৪৫ শতাংশ, এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে, যেখানে কাজ করছেন প্রায় ৪৫ লাখ বাংলাদেশি। সেই অঞ্চল আজ যুদ্ধের আগুনে। মার্চে সংঘাত শুরুর পর আকাশসীমা বন্ধ হয়েছে, প্রায় ৪০ হাজার শ্রমিক কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি। ১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ১২ জন নিহত ও তিন শতাধিক আহত হয়েছেন, নিহতদের মধ্যে আমাদের দুই নাগরিক। সরকারি তথ্যে এই যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৪ বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিটি সংখ্যার পেছনে একটি পরিবারের শূন্যতা, আর তাই নিরাপত্তা ও বৈচিত্র্যের প্রশ্ন এখন আর কৌশলগত বিলাসিতা নয়, মানবিক ও অর্থনৈতিক বাধ্যবাধকতা।

হ্যারি মার্কোউইটজের পোর্টফোলিও তত্ত্ব শেখায়, সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখলে ঝুঁকি বাড়ে। ওডেড স্টার্ক দেখিয়েছেন, পরিবার আয়ের ঝুঁকি ছড়াতেই অভিবাসনকে কৌশল হিসেবে নেয়। জাতীয় অর্থনীতিতেও একই যুক্তি খাটে। আমাদের বৈদেশিক আয়ের ঝুড়ি আরও প্রশস্ত হওয়া চাই, আর সেই প্রশস্ততার দুটি পথ আছে।

প্রথম পথ দক্ষ জনশক্তির রপ্তানি, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে নতুন বাজারে। ২০২৫ সালে বিদেশগামী কর্মীদের ১৯ দশমিক ১৩ শতাংশ ছিলেন দক্ষ, ২ দশমিক ৯৪ শতাংশ পেশাজীবী এবং ৩৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ আধাদক্ষ। অর্থাৎ প্রায় ৭৮ শতাংশ কর্মী এখন সামান্য প্রশিক্ষণ ও সনদের মাধ্যমে ওপরের ধাপে উঠে আসার সম্ভাব্য সুফলভোগী। এই উত্তরণের বাজারও প্রস্তুত হচ্ছে। জাপান ২০২৯ সালের মার্চের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ বিদেশি কর্মী নিয়োগের লক্ষ্য নিয়েছে, বাংলাদেশে অনুমোদিত নিয়োগকারী সংস্থা ৯৫টি, আর ২০২৫ সালে ৪ হাজার শিক্ষার্থী জাপানে গিয়েছেন, ২০২৬ সালের লক্ষ্য ১০ হাজার। জাপানের চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ পূরণ করতে পারলেই ১ লাখ ২০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়। দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থান অনুমতি ব্যবস্থায় কোটা মিলছে এবং একটি প্রদেশের সঙ্গে মৌসুমি শ্রম চুক্তি সই হয়ে কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে। জার্মানি ও অস্ট্রিয়া দক্ষ কর্মী নিতে আগ্রহী, আর ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আইএলওর ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ কর্মসূচিতে জাপান, জার্মানি ও ইতালির জন্য ভাষাপ্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়ার বয়স্ক হতে থাকা শ্রমবাজারে দক্ষ কর্মীর ঘাটতিও আমাদের জন্য সুযোগ। সংখ্যার হিসাবটিও চমকপ্রদ। দক্ষতা বৃদ্ধির ফলে প্রতিজন কর্মীর বার্ষিক প্রেরণ যদি ১ হাজার ডলার বাড়ে, তবে ২০২৫ সালের কর্মীদের ক্ষেত্রেই বছরে প্রায় ১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার বাড়তি আয় আসে। যুক্তরাজ্য তার সাক্ষী: শীর্ষ ২০ শ্রমবাজারের বাইরে থেকেও দেশটি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২ দশমিক ৮২৫৫ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়ে প্রবাসী আয়ের তৃতীয় বৃহত্তম উৎস হয়েছে।

দ্বিতীয় পথ স্বদেশের আতিথেয়তা, অর্থাৎ পর্যটন, যা বাংলাদেশের জন্য অদৃশ্য রপ্তানি। বন্দরে কোনো কনটেইনার ওঠে না, জাহাজে বোঝাই হয় না কোনো পণ্য, তবু বিদেশি পর্যটক হোটেলে থেকে, খাবার খেয়ে, গাইডের সেবা নিয়ে ও হস্তশিল্প কিনে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসেন। ডব্লিউটিটিসির হিসাবে ২০২৫ সালে বৈশ্বিক পর্যটন খাত ১১ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ বিশ্ব জিডিপির ৯ দশমিক ৮ শতাংশ যোগ করেছে। ইউএন ট্যুরিজমের তথ্যে আন্তর্জাতিক পর্যটক ছিলেন প্রায় ১৫২ কোটি, আর যাত্রী পরিবহনসহ পর্যটন রপ্তানি আয় ২ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার। এই বাজারে আমাদের ভাগ এখনো সামান্য: ২০২৫ সালে এসেছেন ৫ লাখ ৮৫ হাজার বিদেশি পর্যটক, ২০২৪ সালে পর্যটন আয় ছিল ৪৪০ মিলিয়ন ডলার, মোট সেবা রপ্তানির আনুমানিক ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। পাশে শ্রীলঙ্কা ২৩ লাখ ৬০ হাজারের বেশি পর্যটক নিয়ে আয় করেছে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার, জনপ্রতি ব্যয় প্রায় ১ হাজার ৩৬৩ ডলার। এখানেই সম্ভাবনার বিশালতা। বছরে আরও ১০ লাখ পর্যটক এসে জনপ্রতি হাজার ডলার ব্যয় করলেই ১ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আসে। এই আয়ের আরেকটি গুণ আছে। পোশাকের তুলনায় এতে আমদানিনির্ভর কাঁচামাল কম, আয়ের বড় অংশ হোটেলকর্মী, কৃষক, মৎস্যজীবী, মাঝি ও কারিগরের হাত ঘুরে গুণক প্রভাবে অর্থনীতিতে ছড়িয়ে পড়ে, বিশেষত উপকূল ও গ্রামে।

দুই পথের সংযোগ বিন্দুটি হলো কারিগরি শিক্ষা। যেসব তরুণ পলিটেকনিকে আতিথেয়তা, বৈদ্যুতিক কাজ, যান্ত্রিক কৌশল বা স্বাস্থ্যসেবার প্রশিক্ষণ নেন, তাঁরাই একই দক্ষতা নিয়ে কক্সবাজারের রিসোর্টে অতিথিকে সেবা দিতে পারেন, আবার সুযোগ পেলে মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর বা জাপানের রেস্তোরাঁয় নিজেকে মেলে ধরতে পারেন। রবার্ট লুকাসের অন্তর্জাত প্রবৃদ্ধি তত্ত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয়, দক্ষ মানুষ নতুন জ্ঞান ছড়িয়ে সহকর্মী ও সমাজেরও উৎপাদনশীলতা বাড়ান। অমর্ত্য সেনের সামর্থ্য দৃষ্টিভঙ্গিতে উন্নয়ন মানে মানুষের বেছে নেওয়ার স্বাধীনতার সম্প্রসারণ, আর দক্ষতা সেই স্বাধীনতারই চাবিকাঠি। জার্মানির দ্বৈত প্রশিক্ষণ ও দক্ষিণ কোরিয়ার কারিগরি নীতি দেখিয়েছে, শিল্প ও শিক্ষার সমন্বয় কীভাবে মর্যাদা ও মজুরি একসঙ্গে বাড়ায়।

এই যাত্রায় আমাদের ভিত্তি যথেষ্ট শক্ত। এক যুগ আগে যেখানে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ১ শতাংশেরও নিচে ছিল, সরকারি নথি অনুযায়ী ২০২২ সালে তা প্রায় ১৭ শতাংশে পৌঁছেছে, এবং লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ। দেশে এখন ৫৬টি সরকারি ও ৬১২টি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট আছে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের হিসাবে মোট আসনসংখ্যা ১৯ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি। গত আট বছরে উন্নয়ন বাজেট থেকে এ খাতে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ১১ হাজার ৯৮২ কোটি টাকা। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের প্রকল্পে তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রায় ২ লাখ ৩৪ হাজার মানুষ প্রশিক্ষিত হয়েছেন, বিএমইটি খনি খাতে প্রশিক্ষণ শুরু করেছে, আর সৌদি আরবের দক্ষতা যাচাই কর্মসূচির সনদ কেন্দ্র বাড়ছে। অর্থাৎ অবকাঠামো, নীতিগত অঙ্গীকার ও তরুণ জনসংখ্যা আমাদের হাতে আছে। এখন প্রয়োজন এই সক্ষমতাকে বিশ্বের চাহিদার সঙ্গে নিপুণভাবে জুড়ে দেওয়া।

তাই করণীয়গুলো একসূত্রে গাঁথা যায়। পলিটেকনিকগুলোকে আন্তর্জাতিক সনদ ও দক্ষতা যাচাইয়ের অনুমোদিত কেন্দ্র করে তুললে পাস করেই শিক্ষার্থী জাপান, কোরিয়া, জার্মানি বা সৌদি আরবের বাজারে স্বীকৃত সনদ হাতে পাবেন। ভাষাশিক্ষা, বিশেষত জাপানি, কোরিয়ান, জার্মান, ইতালীয় ও ইংরেজি, পাঠ্যক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া উচিত, কারণ ভাষা দক্ষ কর্মীর মূল্য বহুগুণ বাড়ায়। আতিথেয়তা ও পর্যটন ব্যবস্থাপনায় হোটেল ও ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে শিক্ষানবিশি চুক্তি এবং বিদেশি নিয়োগকারীর সঙ্গে আগাম প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ সমঝোতা, যেমন জাপানের একটি রেস্তোরাঁ গ্রুপ ঢাকায় প্রশিক্ষণকেন্দ্র খোলার উদ্যোগ নিয়েছে, শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। পর্যটকের আস্থা ফেরাতে ডিজিটাল ট্যুরিস্ট পাস, বহুভাষিক জরুরি হেল্পলাইন, ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রশিক্ষণ ও অনলাইন ভিসা জরুরি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ কম খরচে নতুন বাজার তৈরি করতে পারে। নারীর জন্য নার্সিং, কেয়ারগিভিং, আতিথেয়তা ও তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ দুই খাতেই অনাবিষ্কৃত অর্ধেক শক্তিকে অর্থনীতির মূলধারায় আনবে। ডিপ্লোমা থেকে স্নাতক ও তার ওপরে সহজ উত্তরণের পথ এবং বিদেশ ফেরত কর্মীর অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি কারিগরি শিক্ষার সামাজিক মর্যাদা আরও বাড়াবে। সবশেষে একটি অভিন্ন ডিজিটাল তথ্যভান্ডার, যেখানে প্রশিক্ষিত কর্মী, গন্তব্য, মজুরি, প্রেরণ, পর্যটকের সংখ্যা ও জনপ্রতি ব্যয় থাকবে, নীতিকে অনুমান থেকে প্রমাণের ভিত্তিতে দাঁড় করাবে।

দুই পথের যোগফল কম আকর্ষণীয় নয়। দক্ষতা বৃদ্ধি থেকে প্রায় ১ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার আর পর্যটন থেকে ১ বিলিয়ন ডলার ধরলে বছরে বাড়তি আয় দাঁড়ায় প্রায় ২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা প্রবাসী আয়ের প্রায় ১৬ শতাংশের সমান। এগুলো পূর্বাভাস নয়, সম্ভাব্যতা বোঝানোর সরল উদাহরণ, তবু ইঙ্গিতটি স্পষ্ট। আগামী পাঁচ বছরের জন্য আমরা একটি জাতীয় অভীষ্ট ঠিক করতে পারি: বিদেশগামী কর্মীদের মধ্যে দক্ষ ও পেশাজীবীর অংশ বর্তমানের প্রায় ২২ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশের দিকে এগিয়ে নেওয়া, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে গন্তব্যের অংশ ক্রমে বাড়ানো এবং বছরে ১০ লাখ বিদেশি পর্যটক আনা। অগ্রগতি প্রতি বছর প্রকাশ্যে পর্যালোচিত হলে স্বচ্ছতা ও আস্থা দুটিই বাড়বে।

যুদ্ধের ধোঁয়া একদিন কেটে যাবে, কিন্তু অর্থনীতির শিক্ষাটি থেকে যাবে: যে দেশ আয়ের উৎস ছড়িয়ে দিতে পারে, সে ঝড়ের মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকে। আমাদের হাতে আছে তরুণ জনসংখ্যা, বিস্তৃত কারিগরি অবকাঠামো, নদী ও সমুদ্রের সৌন্দর্য এবং মানুষের আতিথেয়তার সহজাত উষ্ণতা। দক্ষতার শিক্ষা এই সবকিছুকে সুতোয় গেঁথে একদিকে তরুণকে পৌঁছে দেবে বিশ্বের নিরাপদ ও সম্মানজনক কর্মক্ষেত্রে, অন্যদিকে স্বদেশে খুলে দেবে অদৃশ্য রপ্তানির নতুন দিগন্ত। শ্রমের সংখ্যা আমাদের গর্ব, আর দক্ষতার মান হবে আমাদের ভবিষ্যৎ।

লেখক: বিভাগীয় প্রধান, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, সাতক্ষীরা সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আলোচনায় অপু বিশ্বাসের ‘প্রিয় বন্ধু’, কে তিনি?

১

দক্ষতার দুই ডানায় ভর করে নতুন অর্থনীতি || মো. মামুন হাসান

২

জলবায়ু অভিযোজনের নামে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ঋণের ফাঁদে ফেলা চলবে না

৩

মোংলায় প্রয়াত কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ’র ৭০তম জন্মবার্ষিকী পালিত

৪

তালায় মাছ চুরির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৫

শামীমকে হত্যার উস্কানিদাতা ফজলুল হককে ধরিয়ে দিতে লেখক মহিউদ্দিন মোহাম্মদের পুরস্কার ঘোষণা

৬

বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবসে আলোচনা : উন্নত চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালে স্পাইন ইউনিট চালুর দাবি

৭

সাতক্ষীরায় সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় অধিবেশন

৮

হাজার বছরের পথ বেয়ে পর্যটনের বাংলাদেশ || মো: মামুন হাসান

৯

সাতক্ষীরায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

১০

সাতক্ষীরায় আর্ন্তজাতিক গ্রামীণ নারী দিবস পালিত

১১

শ্যামনগরে গ্রামীণ নারী কৃষি মেলা

১২

সাতক্ষীরায় মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

১৩

হাম-রুবেলা প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান

১৪

পাইকগাছায় ১৫১ পূজামণ্ডপে সরকারি সহায়তা প্রদান

১৫

প্রান্তিক মানুষের অভিজ্ঞতা, সফলতা ও প্রত্যাশা নিয়ে সাতক্ষীরায় সহযোগিতা সভা

১৬

সাতক্ষীরায় দুর্গোৎসবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের আশ্বাস রেঞ্জ ডিআইজির

১৭

তথ্য অধিকার দিবস উদযাপনে আলোচনা

১৮

পূজো আসে, আনন্দ আসে না বাঘ বিধবাদের ঘরে

১৯

ধর্ষণ মামলায় মোশাররফকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

২০