
স.ম ওসমান গনী সোহাগ: জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ ৩১-এ সাতক্ষীরা উপকূলের সংকট তুলে ধরবেন শ্যামনগরের তরুণ জলবায়ু কর্মী এস.এম. জান্নাতুল নাঈম।
ICCCAD-এর ২০২৬ কোহর্টের ইয়ুথ ফেলো হিসেবে আসন্ন জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেবেন তিনি।
আগামী নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে কপ ৩১।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, নীতিনির্ধারক, পরিবেশবিদ, জলবায়ু গবেষক, উন্নয়নকর্মী ও তরুণ প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি, জলবায়ু অর্থায়ন এবং ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসানসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সম্মেলনে আলোচনায় স্থান পাবে।
এস.এম. জান্নাতুল নাঈম শ্যামনগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি পরিবেশবাদী যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শরুব এর নির্বাহী পরিচালক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু ন্যায্যতা, তরুণদের সংগঠিত করা এবং সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
উপকূলীয় অঞ্চলে বেড়ে ওঠা ও মাঠপর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে জান্নাতুল নাঈম মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারণী আলোচনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও বাস্তব সমস্যাগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরা জরুরি। জলবায়ু সংকটের জন্য তুলনামূলকভাবে কম দায়ী হয়েও উপকূলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছে। অথচ তাদের অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ পানির নিশ্চয়তা এবং টেকসই জীবিকা সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সহায়তা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ।
আসন্ন কপ-৩১ সম্মেলনে জলবায়ু অভিযোজন, ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান, ন্যায্য জলবায়ু অর্থায়ন, প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে চান এই তরুণ জলবায়ু কর্মী। বিশেষ করে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন, কার্যকর অভিযোজন উদ্যোগ এবং স্থানীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক পরিসরে গুরুত্ব পাওয়ার প্রত্যাশা তাঁর।
এছাড়া সম্মেলন থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান স্থানীয় তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চান তিনি।

মন্তব্য করুন