বাংলাদেশ, বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ | সময়:
shimulsheikh862@gmail.com
২৯ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে আপিলের ৫ম দিনের শুনানি চলছে

ডেস্ক রিপোর্ট: নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের ৫ম দিনের শুনানি চলছে।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়।

আবেদনের পক্ষে শুনানি করছেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির।

এর আগে গতকাল ২৮ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের চতুর্থদিনের শুনানি শেষ হয়। এদিন জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে শুনানি শেষ করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত ২৩ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের তৃতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। সেদিন আদালতে ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিকী।

গত ২২ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ হয়। ওইদিন রিটকারী বদিউল আলম মজুমদারের পক্ষে শুনানি শেষ করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া।

তার আগের দিন ২১ অক্টোবর নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরাতে আপিলের শুনানি শুরু হয়।

এর আগে গত ২৭ আগস্ট তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের শুনানি শেষে আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়।

এরপর ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ ৫ জন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আপিল করেন।

সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় ১৯৯৬ সালে। এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিনজন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট করেন। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগ এ রিট খারিজ করেন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এই সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ অন্যরা ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল দেন। হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিলের অনুমতি দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০০৫ সালে আপিল করে রিট আবেদনকারীপক্ষ। এই আপিল মঞ্জুর করে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন।

ঘোষিত রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে আনা পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয়। ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। অন্য চারজন হলেন, তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান।

আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৬ অক্টোবর একটি আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এছাড়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত বছরের ২৩ অক্টোবর আরেকটি আবেদন করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ম্যাচ চলাকালে বজ্রপাতে ফুটবলারের মৃত্যু, আহত আরও ১২ খেলোয়াড়

ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়ে ১৫ বলে ফিফটি ব্রুকের

সাতক্ষীরায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ

পাইকগাছায় বিএনপির আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

কয়রায় জামায়াতের গণমিছিল

দেবহাটায় বিএনপির উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন

দেবহাটায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান উপলক্ষে জামায়াতের সমাবেশ

দেবহাটায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা

জুলাইয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা!

১০

আর্জেন্টিনা ম্যাচের নতুন সূচি

১১

কয়রায় ১৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৩টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক

১২

রাতে ওনারা পাশাপাশি বসেন, মাঝখানে চোখ হারায় কর্মীরা: তাসনিম জারা

১৩

২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে পাঁচজনের মৃত্যু

১৪

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: ভোমরা ও বেনাপোল বন্দরে বৈদেশিক বাণিজ্য বন্ধ

১৫

বন্যায় পানিবন্দি মা ও পরিবার, কান্নায় ভেঙে পড়লেন অভিনেত্রী

১৬

অবশেষে নতুন ঠিকানায় সালাহ

১৭

কয়রায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

১৮

জুলাই গণঅভ্যু্ত্থান দিবস উপলক্ষে সিলভার জুবিলি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা

১৯

আমার কমনসেন্স বলে, তিনি নিশ্চয়ই দেশে ফিরে আসবেন: রুমিন ফারহানা

২০
error: Content is protected !!